পহেলা ডিসেম্বরকে মুক্তিযুদ্ধ দিবস ঘোষণার দাবি

9

বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চট্টগ্রাম মহানগর ইউনিট কমান্ডের উদ্যোগে পহেলা ডিসেম্বর সরকারীভাবে মুক্তিযুদ্ধ দিবস পালন উপলক্ষে গত ১ ডিসেম্বর নগরীর ফয়’স লেকস্থ বধ্যভূমি চত্ত¡রে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সংসদের ইউনিট কমান্ডার মোজাফফর আহমদের সভাপতিত্বে ও সহকারী কমান্ডার সাধন চন্দ্র বিশ্বাসের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ডেপুটি কমান্ডার শহিদুল হক চৌধুরী সৈয়দ, সহকারী কমান্ডার খোরশেদ আলম (যুদ্ধাহত), সহকারী কমান্ডার এফ.এফ আকবর খান, মুক্তিযোদ্ধা পরিবার বর্গেও চেয়ারম্যান মো. জসিম উদ্দিন চৌধুরী, খুলশী থানা কমান্ডার মো. ইউসুফ, সদরঘাট কমান্ডার মো. জাহাঙ্গীর আলম, পতেঙ্গা থানা কমান্ডার মো. জাকির হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম, মোঃ নূর উদ্দিন, অঞ্জন কুমার সেন, আবদুল মান্নান খান, আবুল কালাম, রফিকুল ইসলাম মানিক, লিয়াকত হোসেন, প্রশান্ত সিংহ, জাগির আহমদ, আলাউদ্দিন, ছৈয়দ আহমদ, শহীদুল ইসলাম দুলু, ময়নুল হোসেন, মঞ্জু মিয়া, মো. সবুর, খাইরুল ইসলাম, মো. ইসমাইল, মোঃ জাকারিয়া, মো. আবদুল আজিম, সৈয়দ আবদুল গণি, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, শমসু মিয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান মো. হারুনুর রশিদ, মো. সুমন প্রমূখ। সভায় সভাপতির বক্তব্যে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের চট্টগ্রাম মহানগর ইউনিট কমান্ডার মোজাফফর আহমদ বলেন, ১৯৭১ সালের পহেলা ডিসেম্বর থেকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহবানে সারা দিয়ে বাংলাদেশে বিভিন্ন সেক্টরে মুক্তিযোদ্ধারা সংগঠিত হয়ে পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ে তাদের পরাস্ত করতে শুরু করে। ফলে বিভিন্ন রনাঙ্গনে পাক বাহিনী পিছু হটতে বাধ্য হয়। তারই ধারাবাহিকতায় ১৬ ডিসেম্বর আমরা বিজয় অর্জন করি। তাই অবিলম্বে পহেলা ডিসেম্বরকে সরকারীভাবে মুক্তিযুদ্ধ দিবস ঘোষনা করতে বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নিকট বিনীতভাবে দাবী জানান তিনি। একইসাথে বিজয়ের এ মাসে রাজাকারদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করতে সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর প্রতি আহবান জানানো হয়।
কমান্ডার মোজাফফর বলেন, ১ ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধ দিবসের অনুষ্টান উপলক্ষে ফয়’স লেকস্থ বধ্যভূমি পরিস্কার করার জন্য চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনকে অনুরোধ করা হলেও তা করা হয়নি। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। ১৯৭১ সালে আমরা যেভাবে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে হানাদার বাহিনীকে বিতাড়িত করেছিলাম ঠিক সেভাবে সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে এদেশ থেকে জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস ও মাদক নির্মূলে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা বাস্তবায়ন করতে হবে। এ জন্য সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তিকে এগিয়ে আসতে হবে।