নোমান ও তাঁর স্ত্রীর নগদ টাকা বেড়েছে

39

সাত মাসের ব্যবধানে চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগ প্রার্থী নোমান আল মাহমুদ ও তাঁর স্ত্রীর নগদ টাকা বেড়েছে ১০ লক্ষ ৭০ হাজার ৩৯ টাকা। কিন্তু ব্যবসায় আয় বাড়েনি এই নেতার। নোমানের চেয়ে তাঁর স্ত্রীর সম্পদের পরিমাণও বেশি। সংসদ সদস্য হিসেবে সম্মানী ভাতা বেড়েছে ৯৫ হাজার ৮০৬ টাকা।
হলফনামায় নোমান আল মাহমুদ উল্লেখ করেন, অস্থাবর সম্পদের মধ্যে নোমানের নগদ টাকার পরিমাণ ১৯ লাখ ৭৫ হাজার ৭৩১ টাকা। ৭ মাস আগে নিজের নগদ টাকা ছিল ১৭ লাখ ৯৬ হাজার ৬৯২ টাকা। বর্তমানে স্ত্রীর নামে নগদ টাকা আছে ২৯ লাখ ৭ হাজার ৪১৪ টাকা। ৭ মাস আগে স্ত্রীর নামে ছিল ২০ লাখ ১৬ হাজার ৪১৪ টাকা। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ৭ মাস আগে নোমানের জমা ছিল এক লাখ ৬০ হাজার টাকা আর স্ত্রীর নামে ছিল তিন লাখ ৪০ হাজার টাকা। এখন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে নোমানের জমা আছে ৭ হাজার ৬৪৯ টাকা। স্ত্রীর নামে কোনো জমা নেই। নোমানের বÐ, ঋণপত্র, স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত ও তালিকাভুক্ত নয় এমন কোম্পানির শেয়ার রয়েছে ৩৬ হাজার ৬৮৭ টাকা। আগে ছিল ৬০ হাজার টাকার। নিজের নামে দেড় লাখ টাকার স্বর্ণাংলকার রয়েছে। স্ত্রীর নামে আছে ৪০ তোলা। ৫০ হাজার টাকার টিভি, ফ্রিজ ও অন্যান্য সামগ্রী রয়েছে নোমানের। ৫০ হাজার টাকার আসবাবপত্র রয়েছে। অন্যান্য ব্যবসায় নোমানের নয় লাখ ৬০ হাজার টাকার ও স্ত্রীর নামে ২০ লাখ টাকার মূলধন রয়েছে।
গত মার্চ মাসে উপ-নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৮ আসন থেকে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্ব›িদ্বতা করেন তিনি। তখন হলনামায় বছরে আয় দেখিয়েছিলেন চার লাখ ৫০ হাজার টাকা। ৭ মাসে ব্যবসা থেকে আয় বাড়েনি তার। শুধু সংসদ সদস্য হিসেবে সম্মানী ভাতা বেড়েছে ৯৫ লাখ ৮০৬ টাকা। ৭ মাস আগে নির্ভরশীলদের আয় চার লাখ ৫০ হাজার টাকা ছিল। এখন সেই আয়ও নেই। স্থাবর সম্পদের মধ্যে নোমান আল মাহমুদের নিজের নামে কোনো কৃষি জায়গা-জমি বা সম্পদ নেই। স্ত্রীর নামে তিন লাখ ২০ হাজার টাকা দামে ৩১৫ বর্গফুটের এজমালী স্থাপনাসহ ভিটা ভূমি রয়েছে। নিজের নামে তিন লাখ ২০ হাজার ৪৯৭ টাকার ৩৮২ বর্গফুটের (এজমালী) জায়গা রয়েছে।