নিষেধাজ্ঞার পরও ঝুলন্ত সেতু দিয়ে ঝুঁকিতে চলাচল

30

টানা বৃষ্টিতে রাঙামাটির কাপ্তাই লেকের পানি অস্বাভাবিক বেড়ে ঝুলন্ত সেতু তলিয়েছে। এ কারণে ‘সিম্বল অব রাঙামাটি’ খ্যাত এ সেতু দিয়ে পর্যটক চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। কিন্তু সেই নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ঝুঁকি নিয়েই পর্যটকরা চলাচল করছেন। এতে যেকোনও সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।
গত ১৬ জুলাই বিকালে পানিতে তলিয়ে যায় ঝুলন্ত সেতু। এর পরদিনই সেতুতে পর্যটক ও জনসাধারণের চলাচলে নিষেধাজ্ঞার নোটিশ টানিয়ে দেয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু এ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেই হাঁটুসমান পানিতে তলিয়ে থাকা সেতু দিয়ে পর্যটকরা চলাচল করছেন।
স্থানীয়রা জানান, প্রতিবছরই ঝুলন্ত সেতু পানিতে তলিয়ে যায়। এতে সেতু দিয়ে পর্যটক ও স্থানীয় জনসাধারণের চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। এবার কর্তৃপক্ষের নিষেধাজ্ঞা আরোপের পরও পর্যটকরা তা মানছেন না। এতে যেকোনও সময় সেতুর পাটাতন ভেঙে বা পা পিছলে পানিতে পড়ে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। খবর বিডিনিউজের
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত বুধবার থেকে কাপ্তাই বাঁধের সব ক’টি জল-কপাট বন্ধ করে দেওয়া হয়। এতে হ্রদের পানি কমার অবস্থা না থাকায় সেতু আরও কয়েকদিন পানির নিচে থাকবে। কয়েকজন পর্যটকের সঙ্গে আলাপে জানা যায়, দূর-দূরান্ত থেকে রাঙামাটির সৌন্দর্য দেখতে এসেছেন তারা। কিন্তু এখানে এসে দেখতে পান, ঝুলন্ত সেতু পানিতে তলিয়ে আছে। তবু সেতু দিয়ে চলাচলের লোভ সামলাতে পারছেন না।
রাঙামাটি পর্যটন হলিডে কমপ্লেক্সের ব্যবস্থাপক সৃজন বিকাশ বড়ুয়া বলেন, ‘আমরা চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে নোটিশ দিয়েছি। তা অমান্য করে পর্যটকরা সেতু দিয়ে চলাচল করছেন। কেউ যদি নিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করে, তাতে দুর্ঘটনার দায়ভারও তার’।
কর্ণফুলী জল বিদ্যুৎকেন্দ্রের ব্যবস্থাপক এটিএম আব্দুজ্জাহের বলেন, ‘গত বুধবার থেকে কাপ্তাই বাঁধের ১৬টি জল-কপাট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে কাপ্তাই হ্রদে পানির উচ্চতা ১০৬ দশমিক ৪ এমএসএল’।