‘নবাব সিরাজউদ্দৌলার বংশধর’ রাউজানে

43

রাউজান প্রতিনিধি

রাউজানে নবাব সিরাজউদ্দৌলার বংশধর দাবি করে নবাব সৈয়দ মাহদী মর্তুজা আলীউদ্দৌলা খাঁ নামের এক ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইতিমধ্যে ব্যাপক ভাইরাল হয়েছেন। দূরদূরান্ত থেকে তাই রাউজান পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের রাজুর কলোনিতে অনেকেই দেখতে আসছেন তাকে। তার পরনের পোষাক, সাজসজ্জা এবং তলোয়ার সহ নানা ধরনের প্রমাণ নিয়ে তিনি দাবি করছেন- তিনি নবাব সিরাজউদ্দৌলার ১১তম বংশধর। এ সমস্ত পোষাক এবং সরঞ্জাম বংশপরম্পরায় সংরক্ষণ করেছেন তার পূর্ব পুরুষেরা। ফারসি ভাষায় লিখিত এক চিরকুটে তার বংশগত তালিকা রয়েছে নবাব সিরাজউদ্দৌলা পর্যন্ত। যা তার পিতা সৈয়দ হাফেজ আবদুল্লাহ আলী আকবরউদ্দৌলা খাঁ বাংলায় অনুবাদ করেছেন বলে তিনি জানান।
তবে এ বিষয়টি এখনও শুধুমাত্র তিনিই দাবি করছেন। তিনি গণমাধ্যমের সাহায্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারের উচ্চপদস্থ ব্যক্তিবর্গের দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। বর্তমানে তিনি পরিবার সহ প্রায় না খেয়ে আর্থিক অনটনে দিনাতিপাত করছেন। তার চাওয়া শুধুমাত্র স্বীকৃতি এবং খেয়ে পড়ে বেঁচে থাকার মত পুনর্বাসন।
এ বিষয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, চট্টগ্রামের বুকে বিপ্লবী মাস্টারদা সূর্যসেন সহ বহুগুণীর জন্ম এবং বসবাস ছিল, বসবাসসূত্রে নবাব সিরাজউদ্দৌলার বংশধর থাকাটাও অস্বাভাবিক বা অস্বীকার করার মতও নয়। তবে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্ত করে দেখা উচিত। এ নিয়ে রাউজান পৌরসভার মেয়র জমির উদ্দিন পারভেজ বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডে বসবাস করে আসছেন এবং তিনি দাবি করেছেন তিনি নবাব সিরাজউদ্দৌলার বংশধর, তবে এ বিষয়টি সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ তদারকি করে দেখে তার, ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।