নগর ও উপজেলায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫ লক্ষাধিক মানুষ

32

গত সোমবার রাত থেকে বৃষ্টি না হওয়ায় সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। কমতে শুরু করেছে নদীর পানি। গত পাঁচ জুলাই থেকে ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় চট্টগ্রাম মহানগরসহ ১৪ উপজেলার নি¤œাঞ্চল প্লাবিত হয়। এতে ৫ লক্ষ ২৮ হাজার ৭২৫ জন মানুষ প্রত্যক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। গতকাল বুধবার চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, টানা বর্ষণের ফলে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন চারটি ওয়ার্ড ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাছাড়া জেলার ১০টি পৌরসভা এবং ১৪৩টি ইউনিয়নে পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় ৯৬০টি বাড়ি সম্পূর্ণ এবং ৬৩৫টি বাড়ি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গত ১৩ জুলাই চট্টগ্রাম মহানগরের তিনটি স্থানে পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে। এতে ২ জন আহত হয়। উল্লেখ্য, জেলা প্রশাসনের তৎপরতায় পাহাড়ধসের পূর্বে পাঁচ হাজার মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্র এবং নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়েছিলো। তা নাহলে বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখিন হতো মহানগরের জনগণ। চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলা থেকে প্রাপ্ত তথ্য জানা যায়, সাতকানিয়া, চন্দনাইশ, রাউজান ও ফটিকছড়ি এলাকার পানি কমেছে। সাঙ্গু, হালদা ও কর্ণফুলীর পানি বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
চট্টগ্রামের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মো. দেলোয়ার হোসেন পূর্বদেশকে জানান, চট্টগ্রামে বন্যার সার্বিক পরিস্থিতি উন্নতির দিকে। এ পর্যন্ত দুর্যোগ মন্ত্রণালয় থেকে প্রাপ্ত বরাদ্দ হতে জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে ৬৪৬ মেট্রিক টন চাল, নগদ ১৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা এবং পাঁচ হাজার ৭৬০ প্যাকেট শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সিভিল সার্জন এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় ২৮৪টি মেডিকেল টিম সেবা দিচ্ছে এবং পর্যাপ্ত ঔষধ সামগ্রী সরবরাহ করা হয়েছে।