নগরীতে দুই রোহিঙ্গা নারীসহ গ্রেপ্তার ৫, ইয়াবা উদ্ধার

38

র‌্যাব, পুলিশ এবং মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের আলাদা অভিযানে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হয়েছেন এক দম্পতি ও দুই রোহিঙ্গা নারীসহ পাঁচজন। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে সাংবাদিক পরিচয়দানকারী এক ব্যক্তিও রয়েছেন। গতকাল রবিবার ভোর রাতে নগরীর এ কে খান গেট এলাকায় একটি বাসে তল্লাশি চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয় কামাল হোসেন (৩৮) ও তার স্ত্রী যুঁথি বেগমকে (২৫)। তারা মাদারিপুর সদর উপজেলার নয়ারচর এলাকার বাসিন্দা।
র‌্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক এএসপি মাশুকুর রহমান বলেন, রাতে চট্টগ্রাম থেকে চাঁদপুরগামী একটি বাসে তল্লাশি চালিয়ে কামাল ও যুঁথিকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তাদের সঙ্গে থাকা একটি ব্যাগে পাঁচ হাজার ৩০০ ইয়াবা পাওয়া যায়।
অন্যদিকে মাদক নিয়ন্দ্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে গ্রেপ্তার হন রোহিঙ্গা নারী ফাতেমা বেগম (৩৭) ও তৈয়বা খাতুন (২৪)। ফাতেমা টেকনাফের হোয়াইক্যং ও তৈয়বা লেদায় থাকেন।
অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম মেট্রো উপ-অঞ্চলের উপ-পরিচালক শামীম আহমেদ বলেন, তাদের আলাদা দুইটি দল স্টেশন রোড ও ফিরিঙ্গিবাজার থেকে দুই নারীকে গ্রেপ্তার করে।
একটি দল স্টেশন রোড এলাকা থেকে ৫০০ ইয়াবাসহ ফাতেমাকে এবং অপর দলটি ফিরিঙ্গিবাজার মেরিনার্স রোড থেকে দুই হাজার ৫০০ ইয়াবাসহ তৈয়বাকে গ্রেপ্তার করে।
শামীম বলেন, গ্রেপ্তার দুই নারী প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন তারা টেকনাফ থেকে ইয়াবা এনে চট্টগ্রাম ও ঢাকায় সরবরাহ করেন।
এদিকে ভোরে শাহ আমানত সেতুর গোল চত্বর থেকে রেজাউল করিম সরদার ওরফে শান্ত (৪০) নামে একজনকে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করে বাকলিয়া থানা পুলিশ। ওসি প্রণব চৌধুরী জানান, কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রাম আসা একটি বাসের যাত্রী ছিলেন রেজাউল। শাহ আমানত সেতু এলাকায় বাস থেকে নামার পর তার সন্দেহজনক আচরণের জন্য তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এসময় তিনি নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে পুলিশকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেন। পরে তার শরীর তল্লাশি করে এক হাজার ৪০০ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
রেজাউল নিজেকে দৈনিক নতুন সময় পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে পরিচয় দেন বলে জানান ওসি। রেজাউল মাদারীপুরের কালকিনী উপজেলার বাসিন্দা।