ধর্মের অনুশাসনগুলো মেনে চললে সমাজে শান্তি আসবে

37

মানুষ নিজ নিজ ধর্মের অনুশাসনগুলো মেনে চললে সমাজে শান্তি বিরাজ করবে বলে মন্তব্য করেছেন ভারতীয় দূতাবাসের সহকারী হাইকমিশনার অনিন্দ্য ব্যানার্জি। গতকাল সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে আয়োজিত আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। মাইজভান্ডারী ত্বরিকার প্রবক্তা সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাউজভান্ডারী (ক.) এর বার্ষিক ওরশ উপলক্ষে শাহানশাহ সৈয়দ জিয়াউল হক মাউজভান্ডারী ট্রাস্ট্রের উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন মাইজভান্ডারি একাডেমির সভাপতি ড.মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। সভায় আলোচক ছিলেন চট্টগ্রাম ইন্ডেপেন্ডেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড.মাহফুজুল হক চৌধুরী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পালি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড.জ্ঞানরত্ন মহাথেরো, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন আর্চডায়োসিসের আর্চবিশপ মডেস এম কস্তা সিএসসি। স্বাগত বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড.মোহাম্মদ জাফর উল্লাহ। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড.অঞ্জন চৌধুরীর সঞ্চালনায় সভার শুরুতে বিভিন্ন ধর্মীয় গ্রন্থ থেকে পাঠ করেন মাওলানা মোহাম্মদ মুজিবুল হক, ডা.বরুণ কুমার আচার্য্য বলাই, বীরু বংশা ভিক্ষু, রুবি পিনারো। হামদ পাঠ করেন হুমাউন রশিদ ফয়সাল।
অনিন্দ্য ব্যানার্জি বলেন, বাংলাদেশে বহু জাতি-গোষ্ঠীর বসবাস। সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম অধ্যুষিত হলেও এ দেশে আবহমানকাল থেকে জাতি, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষ মিলেমিশে পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রেখে জীবনযাপন করছে। অনেক স¤প্রদায় রয়েছে কিন্তু এ দেশে সকলে মিলেমিশে শান্তিতে বসবাস করে। সে হিসেবে বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির হাজার বছরের এক ঐতিহ্যকে ধারণ করে আছে। বাংলাদেশে আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষায় সকল ধর্মের অনেক মনিষী, অলি, যাজকরা অবদান রেখেছেন। তার মধ্যে বার আউলিয়ার পুণ্যভূমি চট্টগ্রামের ক্ষণজন্মা সাধক পুরুষ সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভান্ডারী অন্যতম। যিনি আজীবন মানবতাবাদী অসাম্প্রদায়িক চেতনা লালন করেছেন। আধুনিক বাংলাদেশে আন্তঃধর্মীয় সম্পর্কোন্নয়ন ও সম্প্রীতি সাধনে অনবদ্য ও অগ্রগণ্য ভূমিকা রেখেছেন তিনি। তার বার্ষিক ওরশে এমন আয়োজন তারই প্রমাণ দেয়। খবর বিজ্ঞপ্তির