দ্রুত সংক্রমণেও মনোবল হারানোর অবকাশ নেই

10

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেছেন, করোনাজনিত কোভিড-১৯ সংক্রমণ অতিদ্রুত হারে বৃদ্ধির ফলে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ের চিকিৎসা সেবা কেন্দ্রগুলোতে ঠাঁই নেই অবস্থা। এই পরিস্থিতি উদ্বেগজনক ও অস্বস্তিকর। উদ্ভূত এই পরিস্থিতি সামাল দিতে চসিকের ব্যবস্থাপনায় নগরীর গুরুত্বপূর্ণ স্থান লালদীঘি পাড়ে লাইব্রেরি ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ভবনে স্থাপিত ৫০ শয্যাবিশিষ্ট আইসোলেশন সেন্টারের যাত্রা শুরু হলো।
তিনি গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে চসিক পরিচালিত আইসোলেশন সেন্টারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব বলেন। তিনি আরো বলেন, সংক্রমণের দ্রুত বিস্তার সত্ত্বেও দিশেহারা হওয়া বা মনোবল হারানোর অবকাশ নেই। করোনার প্রথম থাবায় অনেক উন্নত দেশ হিমশিম খেলেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদক্ষ নেতৃত্ব ও দূরদর্শিতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখা সম্ভব হয়েছিল এবং অনেক উন্নত দেশের আগেই এ দেশে করোনা প্রতিরোধক টিকার প্রথম ডোজ প্রয়োগ নিশ্চিত করা হয় এবং ৮ এপ্রিল থেকে দ্বিতীয় ডোজ প্রয়োগ শুরু হতে যাচ্ছে। এই সাফল্য ও অর্জন আশা জাগানিয়া। আমাদের মনে-প্রাণে এই বিশ্বাস রাখতে হবে যে, আমরা কখনো জীবন ও জীবিকার ছন্দ হারাবো না। আমরা যুদ্ধে বিজয়ী জাতি তাই করোনা যুদ্ধেও কিছুতেই হারতে পারি না।
আপাতত ৫০ শয্যাবিশিষ্ট আইসোলেশন সেন্টারটি চালু হলেও পরিস্থিতি বিবেচনায় এটি সম্প্রসারিত হবে এবং চিকিৎসক ও জনবল বাড়ানো হবে বলে মেয়র জানান। এছাড়া আরো কয়েকটি আইসোলেশন সেন্টার ও ফিল্ড হাসপাতাল গড়ে তোলার কথাও তিনি জানান।
৫০ শয্যাবিশিষ্ট এই আইসোলেশন সেন্টারটিতে আক্রান্তদের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দেয়া হবে। এখানে নিয়োজিত ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদেরকে সামাজিক ও মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে সেবা প্রদানের আহব্বান জানা সিটি মেয়র।
চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মুহাম্মদ মোজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন প্যানেল মেয়র মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, কাউন্সিলর আবুল হাসনাত মোহাম্মদ বেলাল প্রমুখ।