তারাশঙ্করের ‘কবি’ : একটি জীবন ঘনিষ্ঠ উপন্যাস

28

উপন্যাস বাংলা সাহিত্যের আধুনিককালের সৃষ্টিকর্ম। যার মধ্যে উঠে এসেছে আধুনিক সময়ের জটিল ও দ্বন্দ্বমুখর জীবনের চালচিত্র। একজন সৃজনশীল মানুষ যেমন তার চারিদিকের পরিবেশে থেকে বড় হয়, তেমনি একটি সফল উপন্যাসও সেই পরিবেশের মধ্যে লালিত হয় দীর্ঘকাল ধরে। সেরকম একটি সার্থক উপন্যাস হলো তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের (১৮৯৮-১৯৭১) ‘কবি’।
কল্লোল যুগের সাহিত্যিক হয়েও তারাশঙ্কর সে যুগে ব্যতিক্রমধর্মী প্রতিভার অধিকারী ছিলেন। তাঁর উপন্যাসের সংখ্যা প্রায় ৫৭টি। সব সাহিত্যবোদ্ধারা মনে করেন ‘কবি’ এসব উপন্যাসের শীর্ষবিন্দু। এ উপন্যাসে তারাশঙ্কর জীবনকে ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখার চেষ্টা করেছেন। এক্ষেত্রে তাঁর জীবনদৃষ্টির পরিবর্তনও লক্ষ্য করা যায়।
একজন অন্ত্যজ শ্রেণির মানুষকে নিয়ে এই উপন্যাসের কাহিনী গড়ে উঠেছে। যার নাম নিতাই। দুর্র্ধষ অপরাধপ্রবণ ডোমবংশে নিতাইয়ের জন্ম যেন গোবরে পদ্মফুল। বংশলতিকার আশ্চর্য ব্যতিক্রম এই নিতাই জীবনে কোন অপরাধ করেনি। উপরন্তু শিক্ষা ও সঙ্গীতের প্রতি তার আন্তরিক আগ্রহ রয়েছে। সে অল্প পড়াশোনা করেছে। কোন রকমে পড়তে ও লিখতে জানে। এইটুকু সম্বল নিয়ে সে তার বাড়ি থেকে বিতাড়িত হয়। বলতে গেলে অনুকূল পরিবেশ না পেয়ে অনেকটা নিজের ইচ্ছায় বাড়ি ছাড়া হয়। তারপর স্বেচ্ছায় সে ক্রমে কবি দলের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে পড়ে। প্রথম প্রথম সে ভালো গাইতে পারতো না। বহু লোকের ব্যঙ্গোক্তি সহ্য করে সে নিজেকে প্রকাশ করতে সাহসী হয়ে উঠে। একাগ্র অভিনিবেশ আর আন্তরিক নিষ্ঠা দ্বারা সে তার প্রতিভাকে বিকশিত করেছে। নিতাইয়ের একটি নরম,সংবেদনশীল মন ছিল। ফলে কবিত্বশক্তি বিকশিত হওয়ার সাথে সাথে তার জীবনে প্রেমেরও আবির্ভাব ঘটে। প্রথম একটি গানের আসরে ঠাকুরঝি তার প্রতি অনুরাগী হয়ে উঠে। ধীরে ধীরে নিতাইয়ের প্রতি আকর্ষণ বাড়তে থাকে। নিতাইয়ের প্রতিভা দেখে ঠাকুরঝি মুগ্ধ। তার সুপ্ত প্রতিভাকে সবার সামনে তুলে ধরতে ঠাকুরঝির অনুপ্রেরণা দেখে নিতাই আশ্চর্য হয়েছে। ঠাকুরঝি অপরের বিবাহিতা স্ত্রী হওয়া সত্ত্বেও নিতাইয়ের প্রতি গভীরভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে। নিতাইয়ের মনে হলো- তার মনের মধ্যে এতদিনের যে অতৃপ্ত বেদনা ছিল তা ক্রমশ নিঃশেষ হতে শুরু করেছে। ঠাকুরঝি এত সুন্দরী না। তবুও নিতাইয়ের মনে হলো ‘সে যেন সঞ্চরমান দিগন্তে কাশফুলের শীর্ষবিন্দু’।
নিতাইয়ের এই বর্ণনায় একটি কাব্যিক ব্যঞ্জনা পরিলক্ষিত হয়। ‘ঠাকুরঝি তার কাছে গৃহের বাইরের অপূর্ব সৌন্দর্যের মতো আকর্ষণীয়। তাদের প্রেমে একটি নিষ্কলুষতার ভাব আছে। যা বাইরের পরিবেশকে একটি গদ্বাণিমুক্ত প্রাত্যহিক জীবনের চলমানতাকে প্রকাশ করেছে। ফলে দুজন একটি বিন্দুতে মিলিত হবার ঐকান্তিক প্রচেষ্টা চালিয়েছে। অথচ নিয়তি ও সামাজিক বন্ধন সে প্রচেষ্টার অন্তরায়।’
নিতাইয়ের জীবনে দ্বিতীয় প্রেমেরও আবির্ভাব ঘটে নাটকীয়ভাবে। ঝুমুর দলের নর্তকী বসন্ত তার দ্বিতীয় প্রেমিক। সে ঠাকুরঝির সম্পুর্ণ বিপরীত। নিতাই সেই কঠিন হৃদয়ের মেয়েটির প্রতিও আকর্ষণ বোধ করে। মূলত সব নতুনের প্রতি মানুষের আকর্ষণ বোধ বেশি। নিতাই তার প্রতিনিধিমাত্র। নিতাই ঠাকুরঝির প্রেমে পড়ার আগে কোন নারীর সংস্পর্শ পায়নি। আবার বসন্তকে দেখার পর তার মনে হল এরকম নারী হতেই পারেনা। বসন্তের কাঠিন্যের মধ্যে যে সৌন্দর্য লুকিয়ে আছে তা ঠাকুরঝির সৌন্দর্যের চেয়ে ভিন্ন। ফলে নিতাই বসন্তের মাঝে অন্যরকম সৌন্দর্যের সন্ধান পেয়েছে।বসন্তকে দেখার পর নিতাইয়ের কবিত্বশক্তির পরিবর্তন হয়েছে। সহজ, সরলতা পরিহার করে সে এখন অনাবিল আনন্দ বিতরণের চেষ্টা করে। কারণ বসন্ত তাকে শিখিয়েছে কেবল সহজ ভাষায় গান গাইলে চলে না, তার মধ্যে কিছু আদি রস থাকা প্রয়োজন। তবেই আসর চাঙ্গা হয়ে জমে উঠবে। তাই নিতাই আসরের অবস্থা বুঝে উত্তেজক খেউড় রসের আমদানি করে। ইদানিং আসরে যাবার পূর্বে সে কিছুটা মদ্যপানও করে যায়। না হলে বসন্তের ভাষায় আসর নিরানন্দ থেকে যায়, জমে উঠে না। এভাবে কিছুদিন বসন্ত সান্নিধ্য কাটিয়ে কঠিন রোগে বসন্ত মারা গেলে নিতাই সন্ন্যাসীবেশে নিজ গ্রামে বন্ধু রাজনের কাছে ফিরে আসে। গ্রামে এসে শুনতে পায় ঠাকুরঝির মৃত্যু সংবাদ। এভাবে বিশাল কাহিনী ধীরে ধীরে ছোট হয়ে সাগর থেকে একেবারে শুষ্ক মরাখালে পরিণত হয়। কাহিনী তৈরির এমন চমৎকার কৌশল পাঠক হয়তো এর আগে খুব কম দেখেছে।
চরিত্র নির্মাণে তারাশঙ্কর “কবি” উপন্যাসে সংযমের পরিচয় দিয়েছেন বলে অনেক সাহিত্য সমালোচক মনে করেন। কারণ তাঁর অন্যান্য উপন্যাসের চেয়ে এই উপন্যাস বিভিন্ন কারণে ব্যতিক্রম। কাহিনীর বর্ণনাতে এই সত্য ধরা পড়ে। উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র নিতাই। নিতাইয়ের পূর্বপুরুষরা চুরি ডাকাতি করতো। অনেক সময় অন্যকেউ মনে করে নিজের আত্মীয়- স্বজনকেও নির্মমভাবে হত্যা করতো। নিতাই এসব পছন্দ করতো না বলে সমাজ -পরিবার থেকে বিতাড়িত হয়। সৎ,বিনয়ী ও নিষ্ঠাবান নিতাই অনেক কষ্ট করে কবিয়াল দলে যোগ দেয়। কবিয়াল স্বীকৃতি পাওয়ার পর সে জীবনের গভীর অনুভূতি প্রেমের সন্ধান পায় ঠাকুরঝির মাঝে। নিতাইয়ের জীবন ছিল আনন্দহীন অতৃপ্তিতে ভরা। ঠাকুরঝির মাঝে সে তৃপ্তি আত্মতৃপ্তির সন্ধান পেয়েছিল। তাই নিতাইয়ের মনে হতো ঠাকুরঝির গায়ের রঙ কালো, তবে তাতে লাবণ্য আছে। লেখকের বর্ণনায় –
“ঠাকুরঝি কালো। তবে সেই কালোর মধ্যে লাল আভা মাখা। ঠাকুরঝির মুখের কালো রঙে লাল আভা দেখা যায় না। তবু তাহার লজ্জার গাঢ়তা বোঝা যায়।”
নিতাই এই শ্যামাঙ্গীর প্রেমে পাগল। ঠাকুরঝির কথা মাথায় রেখে সে মনে মনে গান বান্দে –
“কালো যদি মন্দ তবে কেশ পাকিলে কাঁদো কেনে?
কালো কেশে রাঙ্গা কুসুম হেরেছ কি নয়নে?”
ঠাকুরঝিও নিতাইকে ভলোবাসে। তবে ভয়ও হয়। কারণ সে অন্যজনের বিবাহিতা স্ত্রী। রাজনের ঘরে আসা যাওয়ার সময় নিতাইয়ের সাথে কেবল দুএকটি কথা ও দৃষ্টি বিনিময় ঘটে। প্রেমের শুরু এভাবে। তবে নিতাই ঠাকুরঝিকে যেদিন প্রথম স্পর্শ করেছিল সেদিন “সলজ্জ হাসিতে ঠাকুরঝির কাঁচা মুখখানি রৌদ্রের ছটায় কচি পাতার মত ঝলমলে হইয়া উঠিয়াছিল। তখন তাহার রুক্ষ কালো চুল লাল কৃষ্ণচূড়া পরিপূর্ণ গৌরবে আকাশের তারার মত জ্বলিতেছে”।
নিতাইয়ের দ্বিতীয় প্রেমিক বসন্ত ছিল ঠাকুরঝির বিপরীত। সে ছিল সাহসী, চঞ্চল, অশান্ত। কোন কিছুকে সে গ্রাহ্য করে না। কোমল ভাষা তার অজানা। সে স্থুল ভাষায় কথা বলে। পুরুষের মত মদ্য পান করে। খেমটা নাচের আসরকে পরিপূর্ণ করবার জন্যে অশালীন অঙ্গভঙ্গি করে। বিশেষভাবে অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সঞ্চালন করে। তবুও নিতাই তাকে ভালোবাসে। কারণ তার কবিমনে কেবল প্রেমই বড়, অন্য কিছু নয়। তাই তাকে বলতে শোনা যায় –
“তোমার চোখে জল দেখিলে সারা ভুবন আঁধার দেখি
তুমি আমার প্রাণের অধিক জেনেও তাহা জানি নাকি”।
‘কবি’ উপন্যাসের রাজন চরিত্রটি বেশ মজার। সে নিতাইয়ের বন্ধু। আবার অনেকটা অভিভাবকের মতো। নিতাইয়ের কবি হয়ে উঠার পেছনে ঠাকুরঝির পাশাপাশি রাজনেরও দারুণ উৎসাহ ছিল। রাজন হাসিখুশি একজন মানুষ। সরল মনে সে সবার মন জুগিয়ে চলতে পছন্দ করে। পেশায় সে সামান্য রেল স্টেশনের পয়েন্টসম্যান হওয়া সত্তে¡ও মনে আনন্দ নিয়ে বেঁচে থাকার চেষ্টা করতো। বাংলা -হিন্দি মিশ্রিত ভাষায় সে কথা বলে। সে নিতাইয়ের সুখ দুঃখের অন্যতম সাথী। নিতাই যখন একসময় রেল স্টেশনে কুলিগিরী করতো তখন রাজন তাকে বলে- কবি মানুষের কী কুলিগিরি সাজে? এভাবে সে নিতাইকে তার যোগ্যতার কথা স্মরণ করে দিয়ে সম্মান জানাতো। এছাড়া যুবরাজ, বণিক, মাতুল, বিপ্রপদ ও রাজনের স্ত্রী প্রভৃতি চরিত্র এই উপন্যাসে নিতাইয়ের সঙ্গী হয়েছে। এসব চরিত্র নির্মাণে তারাশঙ্কর যে যথেষ্ট কৃতিত্বের পরিচয় দিয়েছেন তাতে কোন সন্দেহ নেই।
‘কবি’ উপন্যাসের এটি বড় কৃতিত্ব। কেননা চরিত্রের জটিল রূপের মধ্যে সমাজ বাস্তবতার ছবিটি স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।
চমৎকার বর্ণনায় রাঢ় অঞ্চলের জীবন ও প্রকৃতিকে তারাশঙ্কর এই উপন্যাসে জীবন্ত করে তুলেছেন। একটি সমাজে বেঁচে থাকতে হলে মানুষকে কত রকম ঘটনার সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হয় তার নিখুঁত চিত্র পাওয়া যায় ‘কবি’ উপন্যাসে। নিতাই সমাজে সংগ্রাম করে টিকে থাকা নানা মানুষের অন্যতম প্রতিনিধি। নিয়তির হাতে নিজেকে সঁপে দেওয়া অসহায় গরীব সামাজিক জীব সে। অথচ সমাজে কেউ তার আপন নয়। তার মনে কেবল একটাই দুঃখ – ভালোবাসার অতৃপ্তি। ছোট্ট এই জীবনে ভালোবাসার গভীরতা বোঝা যায় না। সাধও মিটে না। নিতাইয়ের সে বেদনা যেন সব সময়ের, সব কালের। তাই তাকে বলতে শুনি-
“এই খেদ আমার মনে
ভালবেসে মিটলনা সাধ, কুলাল না এ জীবনে
হায়, জীবন এত ছোট কেনে?
এ ভুবনে?”
লেখক অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে নিতাইয়ের কবিত্ব শক্তিকে প্রাধান্য দিতে গিয়ে তাকে বিকশিত হওয়ার পথে সহায়তা করেছেন। আর বসন্ত, ললিতা,মাসী ও পুরুষ শিল্পীরা নিতাইকে একেবারে কবি বানিয়ে ছেড়েছে।
প্রকৃতি বর্ণনা যেকোন উপন্যাসের অন্যতম অনুষঙ্গ হয়ে ধরা দেয়। এই উপন্যাসেও লেখক প্রকৃতি বর্ণনায় অসাধারণ পান্ডিত্যের পরিচয় দিয়েছেন। ঠাকুরঝির প্রেমে পড়লে নিতাইয়ের মনের অবস্থা কেমন হয়েছিল, তা লেখক প্রকৃতি বর্ণনার মাধ্যমে তুলে ধরে এক প্রতীকী ব্যঞ্জনার সৃষ্টি করেছেন।
“ফাল্গুনের দ্বিপ্রহরের দিকচক্রবাল ধূলার আস্তরণে ধূসর হইয়া উঠিয়াছে। বাতাস উতলা হইয়াছে, সেই উতলা বাতাস ধূলা উড়াইয়া লইয়া বহিয়া যায়, যেন দূরের নদীর প্রবাহের মত। নিতাইয়ের মন এখনও তেমনি চঞ্চল।” চরিত্রের মনের অবস্থা বোঝাতে প্রকৃতির এমন বর্ণনা সত্যিই অসাধারণ।
‘কবি’ উপন্যাসের অভিনবত্ব হচ্ছে সংলাপগুলো আদি-অন্ত কাব্যিক। কবিতার পঙক্তির আদিপত্যের কারণে কখনো কখনো একে কাব্যোপন্যাস বলে মনে হয়। এই উপন্যাস পড়ে এটা মনে হতে পারে- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় একজন বড়মাপের ঔপন্যাসিক শুধু নন, একজন সচেতন কবিও। উপন্যাসে নিতাইয়ের রচিত এবং মুখে মুখে বর্ণিত কবিতাগুলো সেই প্রমাণ বহন করে। কবিতার পঙক্তিতে উপন্যাসের কাহিনী আরো বেশি গতিশীল হয়েছে এবং জীবন ঘনিষ্ঠ মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণে অপূর্ব পরিণতি লাভ করেছে।
পরিশেষে আমরা বলতে পারি, ‘কবি’ তারাশঙ্করের একটি ভিন্নস্বাদের ও ভিন্ন আঙ্গিকের উপন্যাস। সময়ের ইতিহাসকে পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে, তৎকালীন সমাজ বাস্তবতা নিয়ে এধরনের উপন্যাস বেশি রচিত হয়নি। বিষয় বৈচিত্র্য আর প্রকাশভঙ্গির অভিনবত্বে ‘কবি’ নিঃসন্দেহে একটি অনন্য অসাধারণ সাহিত্যকর্ম। ভাষার ওজস্বিতায়, বুদ্ধিদীপ্ত সংলাপ রচনায়, মনস্তাত্তি¡ক বিশ্লেষণে ও কাব্যিক প্রকাশভঙ্গিতে তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় আমাদের গভীর অভিনিবেশ দাবি করেন।

তথ্যসূত্র

১। শ্রী শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়, বঙ্গসাহিত্যে উপন্যাসের ধারা
২। শিশিরকুমার চট্টোপাধ্যায়, উপন্যাস পাঠের ভূমিকা
৩। সরোজ বন্দ্যোপাধ্যায়, বাংলা উপন্যাসের কালান্তর
৪। নাজমা জেসমিন চৌধুরী, বাংলা উপন্যাস ও রাজনীতি
৫। উজ্জ্বলকুমার মজুমদার (সম্পাদিত)
তারাশঙ্করঃ দেশকাল সাহিত্য।