ডেনমার্ককে হারিয়ে দ্বিতীয়বার শেষ ষোলোতে অস্ট্রেলিয়া

5

পূর্বদেশ ক্রীড়া ডেস্ক

বাঁচা-মরার লড়াইয়ে ডেনমার্ককে এক গোলে হারিয়ে কাতার বিশ্বকাপে শেষ ষোল নিশ্চিত করেছে অস্ট্রেলিয়া। গতকাল বাংলাদেশ সময় রাত ৯ টায় মাঠে নামে দু’দল। প্রথমার্ধে ডেডলক ভাঙ্গতে পারেনি কেউ। বিরতি থেকে ফিরে লিড নেয় অস্ট্রেলিয়া। ম্যাথু লেকির করা একমাত্র গোলে জয় পায় অস্ট্রেলিয়া। এই জয়ে নিজেদের ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মত শেষ ষোল নিশ্চিত করেছে সকারুরা।
আল জানুব স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমন-পাল্টা আক্রমণে খেলতে থাকে দু’দল। বেশ কয়েকটি গোলের সুযোগ তৈরী করে তারা। তবে গোল পেতে ব্যর্থ হয়। ম্যাচের ১৯ মিনিটে বাম দিক থেকে আক্রমণে যায় ডেনমার্ক। ডি বক্সে ঢুকে প্লেসিং শট করলেও তা দারুণ সেভে রক্ষা করেন অস্ট্রেলিয়ার গোলরক্ষক ম্যাথু রায়ান।
২৪ মিনিটে ফের গোছানো আক্রমণে যায় ডেনমার্ক। ডি বক্সের ভেতর থেকে জোড়ালো শট নিতে ব্যর্থ হয় আন্দ্রেয়াস স্কোভ ওলসেন। তার নেওয়া দুর্বল শট সহজেই নিজের গøাভসে নেন ম্যাথু রায়ান। ৩ মিনিট পর ফের আক্রমণে যায় ডেনমার্ক। বাম দিক থেকে বল নিয়ে ডি বক্সে ঢুকে ক্রস করেন রাসমাস ক্রিস্টেনসেন। তবে তাতে পা ছোঁয়াতে ব্যর্থ হলে গোল বঞ্চিত হয় ডেনমার্ক।
৩১ মিনিটের দিকে আক্রমণে ওঠে অস্ট্রেলিয়া। তবে তা থেকে সুবিধা করতে পারেনি তারা। এরপর দু’দল আরও বেশ কিছু আক্রমণ করে। তবে গোলের দেখা পায় না কোন দল। ম্যাচের ৪১ মিনিটে বাম দিক থেকে আবারও বল নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার ডি বক্সে ঢুকে রাসমাস ক্রিস্টেনসেন। তবে বক্সে কোন স্ট্রাইকার না থাকায় বল জালে জড়াতে ব্যর্থ হয় ডেনমার্ক। এরপর আরও কিছু আক্রমণ চালালেও ব্যর্থ হয়ে বিরতিতে যায় দু’দল।
বিরতি থেকে ফিরে গোলের লক্ষ্যে মরিয়া হয়ে খেলতে থাকে দু’দল। তবে গোল নামক সোনা হরিণটি কারো জালে ধরা দেয়নি। তবে অস্ট্রেলিয়ার রক্ষণকে বেশ ব্যস্ত রাখে ডেনমার্ক। মাঝে অস্টেলিয়া কিছু কাউন্টার অ্যাটাকে গেলেও গোছানো আক্রমণ পরিচালনা করে ডেনমার্ক।
তবে ম্যাচের ৬০ মিনিটে স্রোতের বিপরীতে গোলের দেখা পায় অস্ট্রেলিয়া। কাউন্টার অ্যাটাক থেকে একক প্রচেষ্টায় বল নিয়ে ডেনমার্কের ডি বক্সে ঢুকে যায় ম্যাথু লেকি। সেখান থেকে প্লেসিং শটে বল জালে জড়ান তিনি। লিড পায় অস্ট্রেলিয়া।
ম্যাচে পিছিয়ে পড়ে গোল শোধে মরিয়া হয়ে খেলতে থাকে ডেনমার্ক। অস্ট্রেলিয়ার রক্ষণে একাধিক আক্রমণ চালায় তারা। তবে গোল করতে ব্যর্থ হয় তারা। অন্যদিকে এসময় কাউন্টার অ্যাটাক নির্ভর ফুটবল খেলতে থাকে সকারুরা। ম্যাচের ৭৬ মিনিটে গোছানো আক্রমণ করলেও তা আটকে যায় অস্ট্রেলিয়ার ডিফেন্সে।