জেলে থাকলেও বিনিয়োগ ও জমা বেড়েছে টিনুর

38

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের এক বছর আগে (গত বছরের ফেব্রæয়ারি) জমা দেয়া হলফনামায় নিজ নামে ৯০ হাজার টাকা থাকার তথ্য দিয়েছিলেন আলোচিত মো. নুর মোস্তফা টিনু। দেড় বছরের মাথায় গত সোমবার নির্বাচন কমিশনে জমা দেয়া হলফনামায় নগদ টাকা বাড়েনি বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। তবে গত দুই বছরে বেশিরভাগ সময় কারাবন্দি থাকলেও ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, সঞ্চয়পত্রে ও স্থায়ী আমানতে বিনিয়োগ বেড়েছে।
হলফনামা পর্যালোচনায় দেখা যায়, কাউন্সিলর প্রার্থী নুরুল মোস্তফা টিনুর শিক্ষাগত যোগ্যতা দাখিল। বর্তমানে দুটি মামলা চলমান থাকলেও পূর্বের তিনটি মামলা থেকে খালাস ও অব্যাহতি পেয়েছেন। যারমধ্যে দুটি অস্ত্র আইনের মামলা। পেশায় ব্যবসায়ী এই প্রার্থীর উপর নির্ভরশীলদের কোনো আয় না থাকলেও নিজের ব্যবসা খাতে আড়াই লক্ষ টাকা এবং ফার্ম থেকে লভ্যাংশ বাবদ বাৎসরিক দেড় লক্ষ টাকা আয় আছে। দেড় বছর আগে ব্যবসা খাতে আয় ছিল দেড় লক্ষ টাকা ও ফার্ম থেকে লভ্যাংশ ছিল এক লক্ষ ২০ হাজার টাকা।
অস্থাবর সম্পদের মধ্যে নিজ নামে নগদ আছে ৯০ হাজার টাকা। দেড় বছর আগেও একই অংকে নগদ টাকা ছিল। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা আছে ৭ লক্ষ ১০ হাজার টাকা। যা দেড় বছর আগে ছিল ১ লক্ষ ৫৪ হাজার ৭৭৭ টাকা। সঞ্চয়পত্র ও স্থায়ী আমানতে বিনিয়োগ ২৪ লক্ষ ৫৫ হাজার ৩২৮ টাকা। দেড় বছর আগে বিনিয়োগ ছিল ১৭ লক্ষ ৩৯ লক্ষ ৯৮৫ টাকা। স্ত্রীর নামে স্বর্ণ আছে ১৫ তোলা, নিজ নামে কিছু আসবাবপত্র ও ইলেকট্রনিক সামগ্রী আছে।
স্থাবর সম্পদের মধ্যে কৃষি ও অকৃষি জমি, দালান, আবাসিক/বাণিজ্যিক, বাড়ি/এপার্টমেন্ট, চা বাগান, রাবার বাগান, মৎস্য খামার না থাকলেও কেডিএনআই ডিস নেটওয়ার্কে ১০ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ আছে। যার অর্ধেক শেয়ারের মালিক কাউন্সিলর প্রার্থী টিনু। কোনোরূপ দায়-দেনা না থাকা এই প্রার্থী চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশ নির্বাচনের আগে থেকেই জেলে ছিলেন। মাঝখানে জামিনে আসলেও এখনোও জেলে আছেন নুর মোস্তফা টিনু।