জেএসইউএস স্কুল পরিদর্শনে বিএনএফই ডিজি

4

 

সরকার শিক্ষায় দ্বিতীয় সুযোগ দেওয়ায় ঝরে পরা শিশুদের শিক্ষায় অন্তর্ভুক্ত হওয়া সম্ভব হয়েছে। পঞ্চম শ্রেণি পাশ করার পর ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হওয়ার মাধ্যমে তারা মূল স্রোতধারার শিক্ষায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারবে। এ সুযোগটি না পেলে হয়তো অনেক শিশুই শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত হতো। উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর (বিএনএফই) মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. আতাউর রহমান চট্টগ্রাম মহানগরীর ঝরে পড়া শিশুদের নিয়ে সরকারের উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো ও ব্র্যাকের সহযোগিতায় যুগান্তর সমাজ উন্নয়ন সংস্থা (জেএসইউএস) কর্তৃক বাস্তবায়িত আউট অব স্কুল চিলড্রেন (ওওএসসি) পাইলট প্রকল্পের আওতায় কর্মজীবী ও ঝরে পড়া শিশুদের অংশগ্রহণে নগরীর কোরবানীগঞ্জস্থ বলুয়ারদীঘি উপানুষ্ঠানিক বিদ্যালয় পরিদর্শনকালে এ মন্তব্য করেন। তিনি বিদ্যালয়ের পরিবেশের পাশাপাশি শিশুদের আনন্দঘন মনোভাব দেখে তাদের সাফল্য কামনা করেন।
গত ১৭ অক্টোবর সকালে বলুয়ারদীঘি উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনের পাশাপাশি তিনি নগরীর ঝাউতলাস্থ তালতলা ও আরেফিন নগর উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ও পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো’র উপপরিচালক (প্রশাসন, অর্থ ও লজিস্টিক) রিপন কবির লস্কর, ব্র্যাক এডুকেশন প্রোগ্রামের ডিরেক্টর সাফি রহমান খান, জেলা উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো’র সহকারী পরিচালক জুলফিকার আমিন, জেএসইউএস নির্বাহী পরিচালক ইয়াসমীন পারভীন, ব্র্যাক ওওএসসি প্রকল্পের চিফ অব পার্টি মাহামুদ হাসান, ওওএসসি পাইলট প্রকল্পের চিফ অব পার্টি মাসুম বিল্লাহ, প্রোগ্রাম ম্যানেজার হাসানুজ্জামান, রিজিওনাল ম্যানেজার মাহাবুব হোসেন খান, জেএসইউএস এসসিই প্রকল্পের ফিল্ড কো-অর্ডিনেটর মুনজিলুর রহমান এবং প্রকল্প সংশ্লিষ্ট ফিল্ড অফিসারবৃন্দ। জেএসইউএস নগরীর সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ৯৫টি শিখন কেন্দ্র পরিচালনা করছে। এসব কেন্দ্রে ২৮৫২ জন ঝরে পড়া ও প্রান্তিক পর্যায়ের শ্রমজীবী শিশু শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পাচ্ছে। বিজ্ঞপ্তি