জেএম সেন হলে রাস উৎসবে মনোমুগ্ধকর সঙ্গীতানুষ্ঠান

38

শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী উদ্যাপন পরিষদ বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির তত্ত¡াবধানে ও কেন্দ্রীয় রাস উৎসব উদ্যাপন পরিষদ আয়োজিত ঐতিহ্যবাহী জেএমসেন হল প্রাঙ্গণে রাস উৎসবে মনোমুগ্ধকর সঙ্গীতানুষ্ঠান গত ১১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হয়। ১ম পর্বে সঙ্গীত পরিবেশন করেন- ত্রপা দত্ত, অমি চক্রবর্তী, পুষ্পিতা চক্রবর্তী, নিঝুম বড়–য়া, অভিষেক আইচ শুভ, অঙ্কিতা আচার্য্য, রক্তিম ধর, সোমা শীল, শুক্লা পাল কনিকা, অর্পা দে, লিটন মিত্র, মৌসুমী চৌধুরী। ২য় পর্বে সঙ্গীত পরিবেশন করেন- পূরবী চক্রবর্তী, ঊষা আচার্য্য, শীলা চৌধুরী, রুবেল চৌধুরী, পাঁপড়ি ভট্টাচার্য্য, আনিকা চৌধুরী, উৎপল মল্লিক, অপু বর্মন, কাজল দত্ত, শিউলী মজুমদার। নৃত্য পরিবেশন করেন নবনিতা দে। একে একে শিল্পীরা পরিবেশন করেন অনন্যা সোমা ‘জয় জয় গোপাল গোবিন্দ বনমালী’…, অর্পা দে- ‘রায় জাগো গো জাগো শ্যামের…’ পাঁপড়ি ভট্টাচার্য- ‘বনমালী গো তুমি পরজনমে…’, শিউলী মজুমদার- ‘আমি অপার হয়ে বসে আছি…’, মৌসুমী চৌধুরী- ‘বৃন্দাবন বিলাসিনী রায়…’। এছাড়া ‘ছেড়ে দিলে সোনার গৌর…’, ‘গোপালকে দঁড়ি বেঁধে রাখিসনে…’, ‘শ্যামের বাঁশি বাজে কোন সে…’, ‘জয় রাধে রাধে কৃষ্ণ কৃষ্ণ…’, ‘সখি আমি না হয় মান…’, ‘কে আনিল রে…’ এসব গানে দর্শকদের আনন্দে মাতিয়ে রাখেন শিল্পীরা।
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, ধর্মীয় উৎসব মানুষে মানুষে সম্প্রীতির বন্ধন সুদৃঢ় করে। প্রত্যেক ধর্মের মূল মন্ত্র মানবতার কল্যাণে কাজ করা দেশপ্রেমে এগিয়ে যাওয়া। ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চললে সমাজে বিরাজমান সকল অনাচার দূর হয়ে যাবে। মনুষ্যত্ব অর্জন ছাড়া মানুষের জীবনে সার্থকতা আসে না। তিনি বলেন, জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খৃস্টান সকল স¤প্রদায়কে সাথে নিয়ে এদেশকে শান্তি ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
এরপর শ্রীশ্রী রাস উৎসব উদযাপন পরিষদের আহবায়ক বাবুল ঘোষ বাবুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ধর্ম মহাসম্মেলনে মঙ্গলপ্রদীপ প্রজ্বালন করে উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম রামকৃষ্ণ সেবাশ্রমের সাধারণ সম্পাদক শ্রীমৎ স্বামী শক্তিনাথানন্দজী মহারাজ। আশীর্বাদক ছিলেন শ্রীমৎ স্বামী ল²ী নারায়ণ কৃপানন্দ পুরী মহারাজ।
মহান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রামস্থ ভারতীয় সহকারি হাই কমিশনারের সেকেন্ড সচিব শুভাশীষ সিনহা। বিশেষ অতিথি ছিলেন জন্মাষ্টমী উদ্যাপন পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সুজিত কুমার বিশ্বাস, পরিষদের সাবেক সভাপতি ও রাউজান পৌর মেয়র দেবাশীষ পালিত, বর্তমান কেন্দ্রীয় সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা গৌরাঙ্গ দে, সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. তপন কান্তি দাশ, অ্যাড. চন্দন তালুকদার, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক বিমল কান্তি দে, পরিষদের কার্যকরি সভাপতি ডা. মনোতোষ ধর, পরিষদ নেতা শিল্পপতি অলক দাশ, পরেশ চৌধুরী, চন্দন দাশ, লায়ন আশীষ কুমার ভট্টাচার্য, লায়ন তপন কান্তি দাশ, প্রকৌশলী আশুতোষ দাশ, সাধন চৌধুরী, ডা. বিধান মিত্র, রতন আচার্য্য, আশীষ চৌধুরী, শ্রীপ্রকাশ দাশ অসিত, রতœাকর দাশ টুনু, ঝুন্টু চৌধুরী, ডা. কথক দাশ, পান্না পাল, কানু রাম দে, রুমকী সেনগুপ্ত প্রমুখ। ধর্মীয় আলোচক ছিলেন ধর্মতত্ত¡বিদ অধ্যাপক স্বদেশ চক্রবর্তী, শচীনন্দন গোস্বামী, লায়ন পিন্টু দাশগুপ্ত, অধ্যাপক রূপন ধর। সঞ্চালনায় ছিলেন রাস উৎসব উদযাপন পরিষদের যুগ্ম আহবায়ক গৌতম পালিত টিকলু। শুরুতে পবিত্র গীতাপাঠ করেন পলাশ কান্তি নাথ রণী।