জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে মাতামুহুরী নদীর মৎস্যবৈচিত্র্য বিষয়ে সেমিনার

19

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা প্রকল্পের আওতায় বান্দরবান পার্বত্য জেলা অংশে ‘মাতামুহুরী নদীর মৎস্যবৈচিত্র্য’ শীর্ষক বিষয়ে গবেষণা পরিচালিত হয়। জানুয়ারি ২০২২ থেকে ডিসেম্বর ২০২২ পর্যন্ত মাতামুহুরী নদীর পার্বত্য অংশে পরিচালিত গবেষণাটি পরিচালনা করেন শিক্ষাক্যাডার কর্মকর্তা বিশিষ্ট মৎস্য গবেষক ড. মোহাম্মদ আরশাদ-উল-আলম। সম্প্রতি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনে আয়োজিত সেমিনারে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় স্নাতকোত্তর শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ বিন কাশেম সভাপতিত্বে গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করেন ড. আরশাদ। সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন ডিন (স্নাতকপূর্ব) ড. নাসিরুদ্দীন, ডিন (আর্টস) অধ্যাপক ড. ইকবাল হোসেন রুমি, ডিন (কমার্স) অধ্যাপক আবু দারদা, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধানগণ, শিক্ষক ও কর্মকর্তাবৃন্দ। গবেষণার ফলাফলে তিনি জানান, মাতামুহুরী নদী মৎস্যবৈচিত্র্যে অত্যন্ত সমৃদ্ধ। এই নদীর পার্বত্য অংশে ৯৫ প্রজাতির মিঠাপানির মাছ পাওয়া গেছে। যা অন্যান্য নদীর মৎস্যবৈচিত্র্যের তুলনায় বেশি। এই ৯৫ প্রজাতির মাছের মধ্যে ৮৯ প্রজাতি দেশীয় এবং থাই সরপুঁটিসহ ছয় প্রজাতির বিদেশি মাছ রয়েছে। ড. আরশাদ বলেন, আইইউসিএন রেডলিস্ট অব বাংলাদেশ ২০১৫-এ থ্রেটেন্ড তালিকাভুক্ত ৬৪ প্রজাতির মাছের ২৪ প্রজাতির থ্রেটেন্ড মাছ মাতামুহুরী নদীতে রয়েছে। আইইউসিএন তালিকার ডেটা ডেফিসিয়েন্ট তালিকার ‘বারিলিয়াস বারিলা’ (বারিলা), ‘বালিটোরা ব্রæসি’ (বালিটোরা), ‘এলিওট্রিস লিওটিয়া’ (ভূত বাইলা), ‘ওরাইজিয়াস ডানসিনা’ (কাগজি গুড়া) এই চার প্রজাতির ডেটা ডেফিসিয়েন্ট মাছের উল্লেখযোগ্যে জনসংখ্যা এই নদীতে রয়েছে। বিজ্ঞপ্তি