জাতির অর্থনৈতিক উন্নয়নের মাইলফলক ঐতিহাসিক পদ্মাসেতু

6

এম. কামরুল হাসান চৌধুরী

বাংলাদেশের বৃহত্তম খর ¯্রােতা পদ্মা নদীতে সুস্বাদু ইলিশ প্রজননের জন্য শুধুমাত্র বহুকাল ধরে প্রসিদ্ধ ছিল বিশ্ব দরবারে। বাঙালির স্বপ্ন জয়ের দৃষ্টি নন্দন নির্মাণশৈলি স্থাপনা সমৃদ্ধ টেকসই বৃহত্তম সেতু নির্মাণের জন্য বিশ্ববাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে আরেকবার খ্যাতির স্বর্গ শিখরে আরোহন করবে বাঙালির ঐতিহাসিক পদ্মা নদী।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য সন্তান বীর কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার বীরত্ব গাঁথা সাফল্যের অবদানে বাঙালির স্বপ্নের পদ্মাসেতুর বাস্তবায়ন হল। জাতির অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জনের মাইলফলক রচনা করে সমৃদ্ধ হল বাংলাদেশ। বহুল আলোচিত পদ্মার বুকে ৬.১৫ কিলোমিটারের বিশাল সেতুর নির্মাণ কাজ সফল ভাবে বাস্তবায়ন করে স্বাধীন আত্মনির্ভরশীল জাতি হিসেবে অপ্রতিরোধ্য স্বপ্ন জয়ের গর্বিত বাংলাদেশের নাম বিশ্বের ইতিহাসে আরেকবার নতুন করে নাম লেখালেন বঙ্গবীর কন্যা শেখ হাসিনা। নানা উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়ে অধীর আগ্রহ নিয়ে সেই কাংখিত মাহেন্দ্রক্ষণের অপেক্ষায় ছিল সমগ্র জাতি। অবশেষে, সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে গত ২৫ জুন ২০২২ ইং শনিবার সকাল ১১.০১ টায় পদ্মাসেতুর দ্বার উন্মোচিত হল। বাঙালির বহু প্রত্যাশিত আশা আকাক্সক্ষার বাস্তব প্রতিফলন ঘটানো সেই শুভ যাত্রার মাহেন্দ্রক্ষণের মহোৎসব সরাসরি উপভোগ বিশ্ববাসী। উল্লেখ্য বিগত ২০০১ সালে ৪ জুলাই প্রথম পদ্মাসেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন দেশের তৎকালীন ও বর্তমান ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। স¤প্রতি দেশে নানা প্রতিক‚ল পরিবেশের কারণে দেশবাসীকে বারবার খুবই নাজুক পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে। বিশেষ করে বিগত সময়ে সীতাকুÐে বিএম কন্টেইনার ডিপোতে ভয়াবহ অগ্নিকাÐে জানমালের ব্যপক ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠার আগে সদ্য সিলেট বিভাগে একের পর এক বয়ে যাওয়া স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় সীমাহীন ক্ষয়ক্ষতিতে বিপর্যস্থ দুর্গত জনগণ। অপরদিকে দেশে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রীর ঊর্ধ্বগতিতে দিশেহারা নি¤œ ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষ। সবকিছু মিলিয়ে খুবই দুর্বিষহ জীবন যাপনে অতিবাহিত করছে সাধারণ জনগণ। এতকিছুর মাঝে জনগণের নিত্যনৈমত্তিক সকল দুঃখ, কষ্ট, বেদনা ভুলে গিয়ে আজ এক ঐতিহাসিক স্বপ্ন জয়ের হাতছানিতে উচ্ছ¡সিত দেশবাসী। ব্যপক উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়ে একাকার হেেয়ছে দেশবাসী। একটি স্বাধীন জাতির অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জন করতে নতুন দিগন্তের এক অনন্য সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়ে নব দিগন্তের সুচনা করতে যাচ্ছে ঐতিহাসিক পদ্মাসেতু। দেশের বৃহত্তম পদ্মা নদীর দুইধারে মাওয়া – জাজিরা প্রান্তের সীমানা সংযোগের উপর দিয়ে বয়ে চলা বিশাল এই সেতু নির্মাণের সুফলতায় দক্ষিণ বঙ্গের একুশ জেলার লাখ লাখ মানুষের কাছে ব্যাপক অর্থনৈতিক উন্নয়ন বিপ্লবের স্বপ্ন ছোঁয়ার হাতছানি দিচ্ছে। বিশেষ করে মুন্সিগঞ্জ, মাদারীপুর, শরীয়তপুর জেলা সমুহকে ঘিরে অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে উঠার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।এই অঞ্চলকে ঘিরে ইতিমধ্যে দেশের খ্যাতিমান অর্থনীতিবিদেরা বহু সম্ভাবনাময় উন্নয়ন সম্ভাবনার আশাবাদ ব্যক্ত করছেন।
১৯৭১ সালে দীর্ঘ নয় মাসের মুক্তি সংগ্রামের মাধ্যমে মহান স্বাধীনতা অর্জনের পর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন ছিল স্বাধীন জাতির অর্থনৈতিক মুক্তি লাভ করা। কিন্তু সদ্য স্বাধীন হওয়া একটি যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশের পুনর্গঠনের কাজে নিবেদিত ভাবে আত্মনিয়োগ করা একজন জাতির স্বপ্নদ্রষ্টা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে মাত্র তিন বছরের শাসনামলের খুবই কম সময়ের ব্যবধানে স্বাধীনতা বিরোধী কুচক্রী মহলের ইন্ধনে একদল বিপদগামী ঘাতকদের হাতে ১৯৭১ সালে ১৫ আগস্ট কালো রাত্রিতে নির্মমভাবে খুন হতে হন। মূলতঃ দুঃখজনকভাবে সেদিনই বঙ্গবন্ধুর জীবন্ত আত্মার সাথে জাতির অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জনের স্বপ্ন স্বাদের মৃত্যু ঘটে।
বস্তুতঃ তখন শুরু হয় দেশের এক শ্রেণির সুবিধাভোগী স্বার্থান্বেষী মহল ও স্বাধীনতা বিরোধী কুচক্রীদের পরস্পর আতাতের এক ষড়যন্ত্রমূলক শাসনকাল। জাতির ইতিহাসে স্থান করে দীর্ঘ প্রায় একুশ বছরের আরেক কালো অধ্যায়। পরবর্তীতে ১৯৯৬ সালে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সমৃদ্ধ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভানেত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকার মাত্র পাঁচ বছরের জন্য সর্বপ্রথম এক মেয়াদে ক্ষমতাসীন হন। তারপর দেশের উন্নয়নে তিনি ব্যাপক উন্নয়ন কাজ করার পাশাপাশি অধিকতর উন্নয়নের জন্য দীর্ঘমেয়াদি বেশকিছু বড় ধরনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেন। পদ্মাসেতু নির্মাণ পরিকল্পনা মূলত তারই একটি অংশ ছিল। প্রথম দফায় মাত্র পাঁচ বছরর জন্য রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা পালনকালের প্রায় শেষ সময়ে ৪ জুলাই ২০০১ ইং পদ্মাসেতুর স্থাপনের স্বপ্ন নিয়ে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন দেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরবর্তীতে আবারও ক্ষমতার পটপরিবর্তনের সাথে সাথে পদ্মাসেতু নির্মাণের ধারাবাহিকতা একেবারে বন্ধ হয়ে যায়।
প্রকৃতভাবে অনেক চড়াইউৎরাই পেরিয়ে ২০০৮ সালে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা সরকার পুনরায় ক্ষমতাসীন হওয়ার পর থেকে দীর্ঘমেয়াদে একাধারে ক্ষমতায় থাকার সুবাদে সারাদেশে আবারও শুরু হয়ে যায় ব্যাপক উন্নয়নযজ্ঞ । তারই ধারাবাহিকতায় শুরু করা হয় পদ্মাসেতুর নির্মাণ কাজ। কিন্তু শুরুতে সরকারকে বড় ধরনের ধাক্কা দেয় দেশের সর্ববৃহৎ সেতুর নির্মাণ কাজের প্রধান আর্থিক সহযোগী প্রতিষ্ঠান বিশ্বব্যাংক। ২০১১ সালের ১০ অক্টোবর বিশ্বব্যাংক পদ্মাসেতু নির্মাণে পরামর্শক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে সর্বপ্রথম বাংলাদেশের সাথে করা ঋণচুক্তি স্থগিত করে এবং পরবর্তীতে ২০১২ সালে ৩০ জুন তথাকথিত দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের অভিযোগ করে তাঁরা ১২০ কোটি ডলার ঋণচুক্তি সরাসরি বাতিল করে দেয়। পরপর জাপানের জাইকা এবং এডিবিসহ অন্য আর্থিক সংস্থা বড় অংকের ঋণ চুক্তি বাতিল করে দেয়। এতে আবারও স্থবির হয়ে পড়ে পদ্মাসেতুর নির্মাণ কাজ। বাংলাদেশের উন্নয়নের বিরুদ্ধে দাতা সংস্থাগুলোর তৎকালীন এই জঘন্য নেতিবাচক আচরণ দেখে বাঙালিরা হতবাক হয়ে যায়। পাশাপাশি এক ধরনের হতাশায় নিমজ্জিত হয়। অপরদিকে দেশি-বিদেশি একশ্রেণির ষড়যন্ত্রকারী দালান, কিছু সুশীল নামধারি ব্যক্তি ও গণমাধ্যমের দুর্নীতির অপবাদের আস্ফালনের স্বীকার হতে হয় বর্তমান ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ সরকারকে। বিশেষ করে দেশের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ও তাঁর সরকারকে দেশ- বিদেশে আস্থার সংকট ও গ্রহণ যোগ্যতা নিয়ে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ এর সম্মুখীন হতে হয়। কিন্তু এতকিছুর পরও দমে যাননি বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার থেকে দৃঢ় বিশ্বাসে বীরদর্পে এগিয়ে যান শেখ হাসিনা। তিনি দুর্নীতির ষড়যন্ত্র বের করতে দেশের সর্বোচ্চ সংস্থা দুর্নীতি দমন কমিশনকে সর্বশক্তি দিয়ে দ্রæত তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করতে নির্দেশ প্রদান করেন। কিন্তু প্রকৃত তদন্তে দেখা যায় পদ্মাসেতুতে দুর্নীতির কোন কিছুই ঘটেনি বরং পদ্মাসেতু বিরোধী এক শ্রেণির ষড়যন্ত্রকারীর আসল রহস্য বের হয়ে আসে! বিশ্ব ব্যাংক কে ভুল তথ্য দিয়ে ঋণ সহায়তা বন্ধ করেছিল। অপরদিকে কানাডার আদালতে ও পদ্মাসেতুর দুর্নীতির দায়ে মামলা হয়। সেই আদালত বিচার কার্যক্রমে বাদী ও বিবাদীর সাক্ষী ও তথ্য উপাত্তের উপর গভীর পর্যবেক্ষণ করে মিথ্যা অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় মামলাটি বাতিল করে দেয়। মূলতঃ এতে প্রমাণিত হয় দেশ ও সরকার বিরোধী এক শ্রেণির স্বার্থান্বেষী কুচক্রী মহল ভুল তথ্য দিয়ে বিশ্ব ব্যাংকের ঋণ চুক্তি বাতিল করে দিয়েছিল। কিন্তু সেদিন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা তাঁর অনঢ় অবস্থান থেকে সরে যাননি বলে বাঙালির স্বপ্নের পদ্মাসেতুর আজকের বাস্তবতা। সেই ২০১২ ইং ৮ জুলাই মহান জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে বঙ্গবীর কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এমপি দীপ্ত কন্ঠে ঘোষণা করেন নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতুর নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করার কথা। তিনি সেতু নির্মাণের জন্য সুদৃঢ় পদক্ষেপ গ্রহনের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি নির্দেশ প্রদান করেন। কিন্তু দুঃখজনকভাবে কথিত দুর্নীতির অভিযোগে নানা সমালোচনাকারী দেশের কিছু প্রাক্তন আমলা, অর্থনীতিবিদ ও সুশীল ব্যক্তি সেদিন আবারও নড়েচড়ে ওঠে নানা সংবাদ মাধ্যমে কড়া সমালোচনায় লিপ্ত ছিলেন। এসব কিছুতেও কোন কর্ণপাত না করে সেদিন সৎ সাহসীকতার অবিচল গতিতে পদ্মা নদীর বুকে স্বপ্নের সেতু তৈরির কাজে এগিয়ে যান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা।
ফলশ্রুতিতে ২০১৪ সালের ৪ নভেম্বর থেকে শুরু হয়ে যায় সেতু বাস্তবায়ন কাজ। স্বদেশী গর্বিত বিদ্যাপীঠ বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের তত্ত¡াবধানে দেশি-বিদেশি খ্যাতিমান প্রকৌশল বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে বিদেশি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইন্জিনিয়ারিং কোম্পানি (এমবিইসি) এর সাথে নির্মাণ কাজে চুক্তিবদ্ধ হয়। প্রকৃতিগত নানা জটিলতা কাটিয়ে সরমিলিয়ে প্রায় ৩০ হাজার ১৯৩ কৌটি টাকা ব্যয়ে দীর্ঘ প্রায় ৮ বছর দিনরাত নির্মাণ কাজ চালিয়ে দীর্ঘ প্রায় ৬.১৫০ কিলোমিটার এবং প্রস্থ ১৮.১০ মিটারের সেতুটির সর্বশেষ নির্মাণ কাজ ২২ জুন ২০২২ বুধবার মূল সফল ভাবে সমাপ্তি হয়। এখানে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বিষয় হলো যে পদ্মাসেতু নির্মাণে নদী শাসনের সুব্যবস্থাপনার দৃষ্টান্ত স্থাপন করা। অনেক চড়াইউৎরাই কণ্টকাকীর্ণ বন্ধুর পথ পাড়ি দিয়ে অবশেষে দেশের বৃহত্তম ঐতিহাসিক পদ্মাসেতু নির্মাণ বাস্তবায়ন করে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য সন্তান বঙ্গবীর কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা তাঁর বঙ্গপিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জাতির অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জনের অগ্রযাত্রায় মাইলফলক রচনা করেন।
বস্তুতঃ বাঙালি জাতির ইতিহাসের পাতায় সোনালী অক্ষরে রচিত হবে, বঙ্গবীর কন্যার বীরত্ব গাঁথা অবদানের স্বপ্নজয় পূরণ ২৫ জুন ২০২২ পদ্মাসেতুর দ্বার উন্মোচিত হয়ে গেল। সমগ্র জাতির ব্যাপক আশা আকাক্সক্ষার বাস্তব প্রতিফলন ঘটাল স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের ধারক ও বাহক বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও দেশরতœ প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকার।
সর্বোপরি জাতি হিসেবে আমরা গর্বিত বাঙালি এবং আত্মনির্ভরশীল ও সক্ষমতার দেশ হয়ে সফল সোনার বাংলাদেশের নতুন পরিচিত লাভ করেছে আজ বিশ্ব দরবারে। জাতিকে এই মহান মর্যাদায় অধিষ্ঠিতকারী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য গর্বিত সন্তান ও বঙ্গবীর কন্যা সফল মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে বাঙালি আপামর জনতার পক্ষ থেকে জানাই অপরিসীম ভালবাসাপূর্ণ হৃদয়জ স্যালুট। জয় বাংলা।
লেখক: প্রাবন্ধিক ও সমাজকর্মী