চুক্তির টাকা নিয়েও শিডিউল দেননি শাকিব খান!

6

নির্ধারিত পারিশ্রমিক নিয়েও শিডিউল না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শাকিব খানের নামে। ঢালিউড সুপারস্টারের নামে এ অভিযোগ ‘নাম্বার ওয়ান শাকিব খান’খ্যাত নির্মাতা বদিউল আলম খোকনের। শাকিব খানকে নিয়ে এই নির্মাতার ‘প্রিয়া আমার প্রিয়া’, ‘নিঃশ্বাস আমার তুমি’, ‘ভালোবেসে মরতে পারি’, ‘একবার বলো ভালোবাসি’, ‘বস নম্বর ওয়ান’, ‘মাই নেম ইজ খান’, ‘নিষ্পাপ মুন্না’, ‘ডন নম্বর ওয়ান’, ‘হিরো; দা সুপারস্টার’, ‘রাজা বাবু’সহ ডজনেরও বেশি হিট সিনেমা উপহার দিয়েছেন। এরই ধারাবাহিকতায় নতুন সিনেমা ‘নীল দরিয়া’-তে অভিনয়ের জন্য চূড়ান্ত করেন শাকিব খানকে। সে সময় পারিশ্রমিক বাবদ ৪০ লাখ টাকা পরিশোধ করা হয় শাকিব খানকে। চুক্তি অনুযায়ী শুটিং শিডিউল ছিল ২০ জুলাই থেকে। কিন্তু নির্মাতার দাবি, তার নতুন সিনেমা ‘নীল দরিয়া’-তে অভিনয়ের জন্য পারিশ্রমিকের ৪০ লাখ টাকা অগ্রিম দেওয়া হয় শাকিব খানকে। কিন্তু ‘প্রিয়তমা’ সিনেমা হিট হওয়ার পরই নিজের পারিশ্রমিক বাড়িয়ে দিয়েছেন শাকিব খান। তিনি আরও ৬০ লাখ টাকা দাবি করছেন। মাস কয়েক আগেও শাকিব খানের পারিশ্রমিক ছিল ৩৫-৫০ লাখ টাকার মধ্যে। কিন্তু ‘প্রিয়তমা’ সিনেমাটির সাফল্যের পর পারিশ্রমিক ১ কোটি টাকা চাচ্ছেন ঢালিউডের এই শীর্ষ তারকা। মূলত এ কারণেই আটকে যায় ‘নীল দরিয়া’ সিনেমার শুটিং। স¤প্রতি গণমাধ্যমে বদিউল আলম খোকন বলেন, পারিশ্রমিক হিসেবে নেওয়া ৪০ লাখ টাকা ইতোমধ্যেই প্রযোজককে ফেরত দিয়েছেন শাকিব খান। আগের নির্ধারণ করা পারিশ্রমিকে এখন আর কাজ করতে চাচ্ছেন না তিনি। তাকে নিয়ে এখন কাজ করতে হলে মোট এক কোটি টাকা দিতে হবে। কিন্তু আমরা সেটা দিতে পারছি না। তাই কাজটি আর হচ্ছে না। আক্ষেপের সুরে পরিচালক আরও বলেন, বর্তমানে নতুন কোনো সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হতে এক কোটি বা দুই কোটি টাকা নিতেই পারেন শাকিব খান। এটা একান্তই তার ব্যক্তিগত ব্যাপার। কিন্তু আমরা তো তাকে আগের পারিশ্রমিকেই সিনেমার জন্য চূড়ান্ত করেছিলাম। এখন তিনি আমাদের কাছে এটা দাবি করতে পারেন না। তার নৈতিকতার মধ্যে এটি পড়ে না। কমিটমেন্ট ঠিক না থাকলে তো হবে না। এটা ভীষণ অন্যায়।