চসিক মেয়রকে টেরীবাজার ব্যবসায়ী সমিতির স্মারকলিপি প্রদান

7

টেরীবাজারের ব্যবসায়ীদের স্বার্থে টেরীবাজার মসজিদ, গণশৌচাগারসহ সব সমস্যা পরিদর্শন করে সমাধানের চেষ্টা চালানোর আশ্বাস দিয়েছেন চসিক মেয়র এম রেজাউল করিম চৌধুরী। ৭ এপ্রিল দুপুরে টেরীবাজার ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ স্মারকলিপি প্রদানকালে তিনি এসব কথা বলেন। মেয়র বলেন, টেরীবাজার এলাকায় যে লাইটিং এর সমস্যা রয়েছে তা আগামী দুই-তিনদিনের মধ্যে সমাধানের চেষ্টা চালিয়ে যাবো। এসময় উপস্থিত ছিলেন সমিতির সভাপতি আমিনুল হক, সিনিয়র সহ-সভাপতি বেলায়েত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আবদুল মান্নান।
সভাপতি আমিনুল হক বলেন, কোভিড-১৯ এর লকডাউনের কারণে টেরীবাজারসহ সকল ব্যবসায়ীরা অসহায় হয়ে পড়েছে। গতবছর ঈদে ব্যবসায়ীরা যে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তা এখনো কাটিয়ে উঠতে পারেনি। এখন যদি আবার লাকডাউনের যাতাকলে জড়িয়ে দেওয়া হয় তাহলে ব্যবসায়ীদের মরণ ছাড়া কোন উপায় নেই। কারণ এবারও ব্যবসা করার লক্ষ্যে লক্ষ লক্ষ কোটি টাকার মালামাল মজুদ করেছে। তাই ব্যবসায়ীরা যেন বেচা-কেনা করে বেঁচে থাকতে পারে, কিছুটা সময় ব্যবসা করার সুযোগ দিলে ব্যবসায়ীরা কিছুটা ঋণমুক্ত হতে পারবে।
সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান বলেন, টেরীবাজারের আওতাধীন যত দোকান রয়েছে সবারই বেচা-কেনা হয় পবিত্র ঈদকে সামনে রেখে। এখানে মূলত সবগুলো কাপড়ের দোকান যা পাইকারি মূল্যে ফেনী থেকে টেকনাফ পর্যন্ত ব্যবসায়ীরা এসে নিয়ে যায়। কিন্তুকোভিড-১৯ এর লাকডাউনের ধাক্কায় ২০২০ সালের ঈদে সময়ের লোকসান এখনো ব্যবসায়ীরা শোধ করতে পারেনি। আমরা মাহে রমজানের আগে দুই-একমাস ব্যবসা করি। তাই টেরীবাজারকে লকডাউনের আওতামুক্ত রাখা হোক। তাও যদি সম্ভব না হয় অন্তত সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ব্যবসা করার সুযোগ দিলে ব্যবসায়ীরা কিছুটা ক্ষতি থেকে রক্ষা পাবে। বিজ্ঞপ্তি