চসিক এলাকার মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা

12

 

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ শহীদুল আলম বলেছেন, চট্টগ্রামে মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত দুর্বল। সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে পরিবেশ সম্মত উপায়ে মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় কোন প্রতিষ্ঠান এখানে গড়ে উঠেনি। তিনি বলেন, কোভিড-১৯ মহামারির কারণে সংক্রমণজনিত বর্জ্যরে পরিমাণ বৃদ্ধি নগরবাসীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই নগরবাসীর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় চসিক ও জাইকার অর্থায়নে বর্জ্য ইন্সেনেরেটর বসানোর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। কিন্তু ইন্সেনেরেটর ব্যবস্থাপনার কার্যক্রম বাস্তবায়নে সকলের সমন্বিত প্রয়াস প্রয়োজন। মেডিকেল বর্জ্য সংগ্রহ, পরিবহন, পৃথকিকরণ ও সংক্রমিত বর্জ্য ভষ্মিভূতকরণের মাধ্যমে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে এই প্রক্রিয়ায় সামিল হয়ে পরিবেশ সুরক্ষায় এগিয়ে আসার আহব্বান জানান। গত মঙ্গলবার দুপুরে টাইগারপাসস্থ নগর ভবনে সম্মেলন কক্ষে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকার মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। জাইকার ডেপুটি টিম লীডার প্রকৌশলী মো. গোলাম সারোয়ার’র সঞ্চালনায় এতে আরো বক্তব্য রাখেন জাইকার এসডবিøউএম প্রজেক্টের টিম লিডার মাসহিরো সাইতো, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের সহকারি পরিচালক মো. সাজ্জাদ হোসেন চৌধুরী, পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম মহানগরের উপ-পরিচালক মিয়া মাহমুদুল হক, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সুব্রত কুমার চৌধুরী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক ডা. কামরুল আজাদ, এডিসি ট্রাফিক(দক্ষিণ) মো. রইস উদ্দিন, সিভিল সার্জন অফিসের প্রতিনিধি ডা. মো. ওয়াজেদ চৌধুরী, ডিএসকে’র প্রকল্প ব্যবস্থাপক আরেফাতুল জান্নাত, বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়গনেষ্টিক সমিতির সমন্বয়কারী অসিত দে, চট্টগ্রাম সেবা সংস্থার ম্যানেজার মো. ইসমাইল, চসিক তত্ত¡াবধায়ক প্রকৌশলী(যান্ত্রিক) সুদীপ বসাক, নগর পরিকল্পনাবিদ আব্দুল্লাহ আল ওমর, উপ-প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মোরশেদুল আলম চৌধুরী প্রমুখ। তিনি আরো বলেন, নগরীর হালিশহর টিজিতে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে পরিবেশ বান্ধব ও ধোঁয়াবিহীন ইন্সেনেরেটর বসানো হবে। চসিক ও পরিবেশ অধিদপ্তরের মনিটরিং কমিটি নিয়মিত এর তদারকী করবে। জাইকার টিম লীডার মাশাহিরো সাইতো বলেন, নগরীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে জাইকা চসিকের সাথে ২০১৭সাল থেকে কাজ করে যাচ্ছে। আধুনিক বিশ্বে থ্রি আর বা রি-সাইকেল, রি-ডিউস ও রি-ইউস এ তিন পদ্ধতিতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে ইন্সেনেরেটর স্থাপনের মাধ্যমে চট্টগ্রামে পাইলটিং প্রোগ্রাম গ্রহণ করা হয়েছে। এই প্রোগ্রাম সফল হলে সারাদেশে কর্পোরেশনগুলোতে এই কর্মসূচী গ্রহণ ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করার পরিকল্পনা আছে বলে তিনি জানান।