চন্দনাইশের আশ্রয়ন প্রকল্পের বাসিন্দরা সুখে নাই

11

চন্দনাইশ প্রতিনিধি

“আশ্রয়নের অধিকার শেখ হাসিনার উপহার” মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে তার কার্যালয়ের প্রকল্প-১ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের আওতায় চন্দনাইশ উপজেলার বৈলতলী, হাশিমপুর, দিয়াকুল, বরকল এলাকায় মাথা গোঁজার ঠাঁই ১২৬ পরিবারের। চলতি বছর জানুয়ারীতে হাশিমপুর লাল পাহাড়ে ৭০ পরিবার, গত ২০ জুন বৈলতলীতে ২৯, দিয়াকুলে ২২ পরিবার, বরকল ৫ পরিবারসহ ১২৬ পরিবার তাদের মাথা গোঁজার ঠাঁই পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফান্সের মাধ্যমে এসব ঘর আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করে উপকার ভোগীদের চাবি হস্তান্তর করেন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সরকারের নির্ধারিত নকশায় এ সকল স্থানে নির্মিত ঘরে বসবাস করছেন ১২৬ টি পরিবার। নতুন নির্মাণ করা আধাপাকা ঘরগুলো ২ কক্ষ বিশিষ্ট। বৈলতলী ও দিয়াকুলে ১০ পরিবারের জন্য ১টি করে সামার্সিবল টিউবওয়েল স্থাপন করা হয়েছে। হাশিমপুরের লাল পাহাড়ে ৭টি ব্যারাকে স্ল্যাভযুক্ত এসব ঘরে রান্নাঘরসহ সামনে টয়লেট রয়েছে। হাশিমপুরে ৭০ পরিবারে ঘরে ৬টি পরিবার আসা যাওয়াতে রয়েছে। ৬৪ পরিবারে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হয়েছে ১৫ দিন পূর্বে।
পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম প্রকৌশলী মো. আবু সুফিয়ান বলেছেন, মাত্র ৫৭০ টাকা জমা দিয়ে মিটার ও বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হচ্ছে। জমা টাকা দিতে সমস্যা হলে প্রতি মাসের বিলের সাথে ১০০ টাকা করে জমা দেয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। এ সকল ব্যারাকের ২/১ টিতে ছাঁদে এবং দেয়ালে হালকা ফাঁটল দেখা দিয়েছে।
পূর্বের বসানো টিউবওয়েল গুলোতে পানি না আসার কারণে ৭টি সামার্সিবল টিউবওয়েল স্থাপন করা হচ্ছে। ব্যারাকের উত্তর পাশে পাহাড় ভেঙ্গে পড়ার অবস্থায় রয়েছে। দক্ষিণ পাশে পাহাড়ের পানি নামতে গিয়ে ২টি ব্যারাকের পাশ থেকে মাটি সরে ঝুকিঁর্পূণ হয়ে পড়েছে। প্রকল্পগুলি পাহাড়ি এলাকায় হওয়ায় আশ্রিতাদের কয়েক মাইল অতিক্রম করে বাজার ও কর্মের সন্ধানে আসতে হয়। এসব এলাকায় কোন পুকুর, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ, দোকানপাট না থাকায় আশ্রয়ন প্রকল্পের বাসিন্দারা সমস্যায় রয়েছে বলে জানান।
এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া ইসলাম বলেছেন, আশ্রয়ন প্রকল্পের যেকোন সমস্যা থাকলে জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেয়া হবে।