চট্টগ্রাম-স্লোভেনিয়া সরাসরি জাহাজ চলাচলে বাড়বে রপ্তানি

17

নিজস্ব প্রতিবেদক

স্লোভেনিয়ার পোর্ট অব কোপারের সাথে চট্টগ্রাম বন্দরে সরাসরি কন্টেইনারবাহী জাহাজ চলাচলের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের লক্ষ্যে পোর্ট অব কোপারের একটি প্রতিনিধি দল বিজিএমইএ নেতৃবৃন্দের সাথে এক মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসানের আমন্ত্রণে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত দেশটির প্রতিনিধিদল গত মঙ্গলবার (২১ জুন) খুলশী বিজিএমইএ ভবনে এ সভায় তারা মিলিত হন।
বিজিএমইএর প্রথম সহ-সভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যকে বহির্বিশ্বে প্রতিযোগিতামূলক করার জন্য ট্রান্সশিপমেন্ট বন্দরসমূহের সময়ক্ষেপন ও জাহাজজট এড়ানো, সময় ও খরচ কমানোর স্বার্থে ইউরোপিয় ইউনিয়নসহ বিভিন্ন রপ্তানি দেশসমূহে পণ্য পাঠাতে সরাসরি জাহাজ চালু হলে মধ্য-পূর্ব ইউরোপে আমাদের পোশাক শিল্পের রপ্তানি আরো সম্প্রসারিত হবে। বর্তমানে বাংলাদেশের মোট রপ্তানির প্রায় ৫৫ শতাংশ ইউরোপিয় দেশসমূহে রপ্তানি হয়ে থাকে। বিজিএমইএর আমন্ত্রণে চট্টগ্রাম বন্দর কার্যক্রম পরিদর্শনে আসায় স্লোভেনিয়ার পোর্ট অব কোপারের প্রতিনিধিদলের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এ বিষয়ে বিজিএমইএর পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।
বিজিএমইএর সহ-সভাপতি রাকিবুল আলম চৌধুরী বলেন, কোভিড সংক্রমণ পরবর্তীতে বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দায় জাহাজ ও কন্টেইনার ভাড়া বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের রপ্তানির সক্ষমতা বজায় রাখার স্বার্থে ইউরোপের বিভিন্ন দেশের সাথে সরাসরি পণ্য পরিবহনের কোন বিকল্প নেই। স্লোভেনিয়ার পোর্ট অব কোপার-এর কমার্শিয়াল ডাইরেক্টর H.E. Mr. Mitja Dujc বলেন, বাংলাদেশ থেকে ইউরোপিয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে তৈরি পোশাকসহ বিপুল পরিমাণ পণ্য চালান বিভিন্ন ট্রান্সশিপমেন্ট বন্দরের মাধ্যমে রপ্তানি হচ্ছে। এতে বিপুল অর্থ ব্যয় সহ অতিরিক্ত সময় নষ্ট হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে পণ্য পরিবহনে স্লোভেনিয়ার পোর্ট অব কোপার-এর সাথে চট্টগ্রাম বন্দরের সরাসরি জাহাজ পরিচালনা করা হলে সময় ও অর্থ অনেকাংশে সাশ্রয় হয়ে রপ্তানি বাণিজ্যের সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং পূর্ব ও মধ্য ইউরোপে বাংলাদেশের সহিত রপ্তানি বাণিজ্যে বিশাল সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন হবে। সরাসরি পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে স্লোভেনিয়ার পোর্ট অব কোপার-এর পক্ষ থেকে সম্ভাব্য সকল সহযোগিতা প্রদানের আসওয়াস প্রদান করেন।