চট্টগ্রামে যান্ত্রিক যানবহনের ৭৯ শতাংশ মোটরসাইকেল

8

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া আড়াই হাজার কোটি টাকার প্রকল্পসহ চলমান বিভিন্ন মেগা প্রকল্পে চট্টগ্রাম শহরের সড়ক যোগাযোগখাত উন্নতির স্বর্ণশিখরে পৌঁছে যাচ্ছে। তবে সড়ক যোগাযোগকে নিরাপদ করতে জনসচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। গত ২১ মে চট্টগ্রামে নিরাপদ সড়ক নিশ্চিতে সাংবাদিকদের ভূমিকা শীর্ষক কর্মশালায় সমাপনী বক্তব্যে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম এসব কথা বলেন। বøমবার্গ ফিলানথ্রপিস ইনিশিয়েটিভ ফর গেøাবাল রোড সেফটির (বিআইজিআরএস) আওতায় চসিক ও ভাইটাল স্ট্র্যাটেজিস এ কর্মশালার আয়োজন করে। কর্মশালায় সড়ক নিরাপত্তার ঝুঁকি এবং সেগুলো প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিআইজিআরএসের চট্টগ্রাম সার্ভিলেন্স কোঅর্ডিনেটর কাজী সাইফুন নেওয়াজ। তিনি বলেন, বিআরটিএর হিসাবে চট্টগ্রামে যান্ত্রিক যানবহনের ৭৯ শতাংশ মোটরসাইকেল। তাই নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে হলে মোটরসাইকেল আরোহীদের হেলমেট ব্যবহার বিষয়ে জোর দিতে হবে। একইসঙ্গে শহরের ভেতরে যানবাহনের গতি নির্ধারণ করে দিতে হবে। কর্মশালায় রোড ডিজাইন বিষয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিআইজিআরএসের চট্টগ্রাম ট্রান্সপোর্ট কোঅর্ডিনেটর মাহিয়াত হাসনা। তিনি বলেন, শহরের সড়কগুলো পথচারী বান্ধব করতে হবে। সেই সঙ্গে সাইকেল লেন এবং উন্নত গণপরিবহন নিশ্চিত করতে হবে। সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের ভূমিকা নিয়ে আলোকপাত করেন সাংবাদিক শাহনাজ শারমিন। তিনি বলেন, গণমাধ্যমকর্মীদের রোড ক্র্যাশ প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়ে প্রতিবেদন করা উচিত। সড়ক নিরাপত্তার ঝুঁকিগুলো তুলে ধরে নীতিনির্ধারকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারেন তারা। কর্মশালার উদ্বোধন করেন চসিকের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মুনিরুল হুদা। উপস্থিত ছিলেন চসিকের তত্ত¡াবধায়ক প্রকৌশলী শাহীন-উল ইসলাম চৌধুরী, জনসংযোগ ও প্রটোকল কর্মকর্তা আজিজ আহমদ।