চট্টগ্রামের শীর্ষ নেতাদের চিঠি সিআরবিতে হাসপাতাল নয় দেরিতে হলেও অর্থবহ হোক

19

নগরীর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভুমি সিআরবিতে রেল কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিয়ে একটি বেসরকারি কোম্পানি হাসপাতাল নির্মাণ করতে যাচ্ছে-এমন খবরে চট্টগ্রামের সচেতন নাগরিকদের মাঝে তীব্র অসন্তোষ দেখা দেয়। প্রথমে এ নিয়ে ক্ষিণ প্রতিবাদ হলেও পরবর্তীতে হাসপাতাল নির্মাণের তোড়জোড় দেখে চট্টগ্রামের সর্বস্তরের নাগরিক সমাজ ব্যাপক আন্দোলন গড়ে তোলে‘ নাগরিক সমাজ চট্টগ্রাম’ নামের সংগঠনের গোড়াপত্তন করে এর ব্যানারে সিআরবি চত্বরে আন্দোলন সংগ্রাম শুরু হয়। আন্তর্জাতিক সমাজ বিজ্ঞানী প্রফেসর ড. অনুপম সেনকে সভাপতি ও প্রবীণ আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইব্রাহিম হোসেন বাবুলকে সাধারণ সম্পাদক করে গড়ে তোলা এ সংগঠনের অধিনে দীর্ঘ একবছর প্রায় আন্দোলন শেষে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে সিদ্ধান্তের কথা প্রকাশ্য ঘোষণা না হওয়া এবং কোন পদক্ষেপ দৃশ্যমান না হওয়ায় আন্দোলনকারী ও বিশিষ্টজনরা যখন কিছুটা উদ্বিগ্ন তখন চট্টগ্রামের সরকারি দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ ও জনপ্রতিনিধিরা রেলপথ মন্ত্রীর কাছে সরাসরি উপস্থিত হয়ে সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণ না করার অনুরোধ জানিয়ে চিঠি দেন। গত মঙ্গলবার রেলমন্ত্রী মো. নুরুল ইসলামের সঙ্গে দেখা করে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, তথ্য ও স¤প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এ চিঠি হস্তান্তর করেন । গণমাধ্যমে প্রকাশিত সূত্রে জানা যায়, চিঠিতে বলা হয়, আপনি জানেন প্রাচ্যের রানি হিসেবে খ্যাত সাগর, পাহাড়, নদীবেষ্টিত প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপার লীলাভূমি আমাদের চট্টগ্রাম। নান্দনিক সৌন্দর্যে ঘেরা এ নগরের রূপ মাধুর্যকে আরও সমৃদ্ধ করেছে চট্টগ্রামের ফুসফুস খ্যাত কেন্দ্রীয় রেলভবন তথা সিআরবি। ব্রিটিশ আমলে নির্মিত সিআরবি ভবনটি শুধু চট্টগ্রামেই নয়, পুরো দেশের মধ্যে স্থাপত্য শিল্পের এক অনন্য নিদর্শন। এখানে রয়েছে অসংখ্য রেইনট্রি। যেগুলোর কোনো কোনোটির বয়স পেরিয়ে গেছে শত বছরের বেশি। এটি ব্যস্ততম নগরী চট্টগ্রামের অক্সিজেন সরবরাহের উৎস হিসেবেও পরিচিত। স¤প্রতি এক গবেষণায় সিআরবিতে প্রায় ২২৫টি দুর্লভ প্রজাতির উদ্ভিদের সন্ধান পাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে চিঠিতে আরও বলা হয়, শতবর্ষী বৃক্ষরাজি, পাহাড়, টিলা ও উপত্যকায় ঘেরা বাংলাদেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্যমÐিত স্থান হিসেবে সিআরবি চট্টগ্রামের মানুষের মনে আলাদা স্থান করে নিয়েছে। এখানে বৃক্ষরাজির শীতল ছায়াতলে বিশেষ করে অনিন্দ্য সুন্দর শিরীষতলায় আয়োজিত হয় বাংলা নববর্ষ, বসন্ত উৎসব, রবীন্দ্র নজরুল জয়ন্তীসহ বাঙালির ইতিহাস ও ঐতিহ্যের অন্যান্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসমূহ। সিআরবিতে থাকা মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের সমাধির কথা চিঠিতে স্মরণ করে উল্লেখ করা হয়, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে প্রণীত ডিটেইল এরিয়া প্ল্যানে (ড্যাপ) এটিকে কালচারাল হেরিটেজ ঘোষণা করা হয়েছে। ৮টি নির্দেশনার উল্লেখ রয়েছে। ২০০৯ সালের ২৫ জানুয়ারি এটি গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়।
বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে সিআরবির কোনো অংশ ব্যবহার না করার নির্দেশনার কথা তুলে ধরে চিঠিতে বলা হয়, এখানে কোনো বহুতল ভবন নির্মাণ করা যাবে না। শুধু পর্যটকদের আকর্ষণ করতে পাখর অভয়ারণ্য, জাদুঘর, প্রজাপ্রতি উদ্যান প্রতিষ্ঠা করা যাবে। সবকিছু মিলিয়ে সিআরবি এখন চট্টগ্রামের সব মানুষের আবেগ ও ভালোবাসার জায়গায় পরিণত হয়েছে। এখানে হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোগটি সংশ্লিষ্ট গেজেটের সম্পূর্ণ লঙ্ঘন। বিষয়টিতে চট্টগ্রামের সর্বস্তরের মানুষ ভীষণভাবে কষ্ট পেয়েছেন। বর্তমানে হাসপাতাল স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়ায় চট্টগ্রামবাসী আশান্বিত হয়েছেন, স্বস্তির নিশ্বাস ফেলছেন। এ চিঠিতে চট্টগ্রামের ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, হুইপ সামসুল হক চৌধুরী, সংসদ সদস্য মাহফুজুর রহমান, মোছলেম উদ্দিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী, খাদিজাতুল আনোয়ার সনি উল্লেখযোগ্য সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীগণ স্বাক্ষর করেন। দেরিতে হলেও চট্টগ্রামের সরকারি দলের শীর্ষ নেতা ও জনপ্রতিনিধিদের এন উদ্যোগে আশাবাদী হয়ে উঠেছে নগরবাসী। সরকারের বিভিন্ন সূত্র যদিও আগে থেকে জানিয়েছে, সিআরবিতে হাসপাতাল হবে না, এ জন্য ফোজদারহাট এলাকায় রেলের জায়গা খোঁজা হচ্ছে। এরপরও ইঞ্জিনিয়ার মোশারফ হোসেনের মত রাজনৈতিক অভিভাবকের নেতৃত্বে এধরণের উদ্যোগ গুরুত্ববহণ করে। এটি নাগরিক সমাজের দীর্ঘ আন্দোলনের অভাবনীয় সফলতার আকেটি দিগন্ত উন্মোচিত করল। এ উদ্যোগ আন্দোলনকে আরো বেশি অর্থবহ করবে। হাসপাতাল হচ্ছে না, এ বিষয়টি আরো বেশি বিশ্বাস করার মত অবকাশ সৃষ্টি করবে। আমরা এমপি ও মন্ত্রীদের এমন উদ্যোগকে সবসময় স্বাগত জানাতে চাই। চট্টগ্রাম দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তর নগরী। দেশের অর্থনীতির প্রাণপ্রবাহ প্রধান সমুদ্র বন্দর এ চট্টগ্রামে। ব্রিটিশ শাসন আমল থেকে শুরু করে পাকিস্তান হয়ে স্বাধীন বাংলাদেশেও চট্টগ্রামের গুরুত্ব দিনের দিন বেড়েছে তবে উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে চট্টগ্রাম বরাবরই অবহেলিত ছিল। এর অন্যতম কারণ চট্টগ্রামের রাজনৈতিক নেতৃত্বের অনৈক্য এবং সমন্বয়হীনতা। এ অবস্থায় সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণ না করার দাবির প্রতি সরকারি দলের সংসদ সদস্য, মন্ত্রী, মেয়র এবং শীর্ষ নেতাদের সংহতি চট্টগ্রামবাসীকে আরো বেশি আশাবাদি কওে তুলেছে। আগামীতে চট্টগ্রামের সাগ্রিক উন্নযনে তাদেও এ ধরণের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে-এমনটি প্রত্যাশা চট্টগ্রামবাসীর।

চট্টগ্রামের শীর্ষ নেতাদের চিঠি
সিআরবিতে হাসপাতাল নয়
দেরিতে হলেও অর্থবহ হোক

নগরীর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভুমি সিআরবিতে রেল কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিয়ে একটি বেসরকারি কোম্পানি হাসপাতাল নির্মাণ করতে যাচ্ছে-এমন খবরে চট্টগ্রামের সচেতন নাগরিকদের মাঝে তীব্র অসন্তোষ দেখা দেয়। প্রথমে এ নিয়ে ক্ষিণ প্রতিবাদ হলেও পরবর্তীতে হাসপাতাল নির্মাণের তোড়জোড় দেখে চট্টগ্রামের সর্বস্তরের নাগরিক সমাজ ব্যাপক আন্দোলন গড়ে তোলে‘ নাগরিক সমাজ চট্টগ্রাম’ নামের সংগঠনের গোড়াপত্তন করে এর ব্যানারে সিআরবি চত্বরে আন্দোলন সংগ্রাম শুরু হয়। আন্তর্জাতিক সমাজ বিজ্ঞানী প্রফেসর ড. অনুপম সেনকে সভাপতি ও প্রবীণ আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইব্রাহিম হোসেন বাবুলকে সাধারণ সম্পাদক করে গড়ে তোলা এ সংগঠনের অধিনে দীর্ঘ একবছর প্রায় আন্দোলন শেষে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে সিদ্ধান্তের কথা প্রকাশ্য ঘোষণা না হওয়া এবং কোন পদক্ষেপ দৃশ্যমান না হওয়ায় আন্দোলনকারী ও বিশিষ্টজনরা যখন কিছুটা উদ্বিগ্ন তখন চট্টগ্রামের সরকারি দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ ও জনপ্রতিনিধিরা রেলপথ মন্ত্রীর কাছে সরাসরি উপস্থিত হয়ে সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণ না করার অনুরোধ জানিয়ে চিঠি দেন। গত মঙ্গলবার রেলমন্ত্রী মো. নুরুল ইসলামের সঙ্গে দেখা করে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, তথ্য ও স¤প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এ চিঠি হস্তান্তর করেন । গণমাধ্যমে প্রকাশিত সূত্রে জানা যায়, চিঠিতে বলা হয়, আপনি জানেন প্রাচ্যের রানি হিসেবে খ্যাত সাগর, পাহাড়, নদীবেষ্টিত প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপার লীলাভূমি আমাদের চট্টগ্রাম। নান্দনিক সৌন্দর্যে ঘেরা এ নগরের রূপ মাধুর্যকে আরও সমৃদ্ধ করেছে চট্টগ্রামের ফুসফুস খ্যাত কেন্দ্রীয় রেলভবন তথা সিআরবি। ব্রিটিশ আমলে নির্মিত সিআরবি ভবনটি শুধু চট্টগ্রামেই নয়, পুরো দেশের মধ্যে স্থাপত্য শিল্পের এক অনন্য নিদর্শন। এখানে রয়েছে অসংখ্য রেইনট্রি। যেগুলোর কোনো কোনোটির বয়স পেরিয়ে গেছে শত বছরের বেশি। এটি ব্যস্ততম নগরী চট্টগ্রামের অক্সিজেন সরবরাহের উৎস হিসেবেও পরিচিত। স¤প্রতি এক গবেষণায় সিআরবিতে প্রায় ২২৫টি দুর্লভ প্রজাতির উদ্ভিদের সন্ধান পাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে চিঠিতে আরও বলা হয়, শতবর্ষী বৃক্ষরাজি, পাহাড়, টিলা ও উপত্যকায় ঘেরা বাংলাদেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্যমÐিত স্থান হিসেবে সিআরবি চট্টগ্রামের মানুষের মনে আলাদা স্থান করে নিয়েছে। এখানে বৃক্ষরাজির শীতল ছায়াতলে বিশেষ করে অনিন্দ্য সুন্দর শিরীষতলায় আয়োজিত হয় বাংলা নববর্ষ, বসন্ত উৎসব, রবীন্দ্র নজরুল জয়ন্তীসহ বাঙালির ইতিহাস ও ঐতিহ্যের অন্যান্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসমূহ। সিআরবিতে থাকা মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের সমাধির কথা চিঠিতে স্মরণ করে উল্লেখ করা হয়, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে প্রণীত ডিটেইল এরিয়া প্ল্যানে (ড্যাপ) এটিকে কালচারাল হেরিটেজ ঘোষণা করা হয়েছে। ৮টি নির্দেশনার উল্লেখ রয়েছে। ২০০৯ সালের ২৫ জানুয়ারি এটি গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়।
বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে সিআরবির কোনো অংশ ব্যবহার না করার নির্দেশনার কথা তুলে ধরে চিঠিতে বলা হয়, এখানে কোনো বহুতল ভবন নির্মাণ করা যাবে না। শুধু পর্যটকদের আকর্ষণ করতে পাখর অভয়ারণ্য, জাদুঘর, প্রজাপ্রতি উদ্যান প্রতিষ্ঠা করা যাবে। সবকিছু মিলিয়ে সিআরবি এখন চট্টগ্রামের সব মানুষের আবেগ ও ভালোবাসার জায়গায় পরিণত হয়েছে। এখানে হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোগটি সংশ্লিষ্ট গেজেটের সম্পূর্ণ লঙ্ঘন। বিষয়টিতে চট্টগ্রামের সর্বস্তরের মানুষ ভীষণভাবে কষ্ট পেয়েছেন। বর্তমানে হাসপাতাল স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়ায় চট্টগ্রামবাসী আশান্বিত হয়েছেন, স্বস্তির নিশ্বাস ফেলছেন। এ চিঠিতে চট্টগ্রামের ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, হুইপ সামসুল হক চৌধুরী, সংসদ সদস্য মাহফুজুর রহমান, মোছলেম উদ্দিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী, খাদিজাতুল আনোয়ার সনি উল্লেখযোগ্য সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীগণ স্বাক্ষর করেন। দেরিতে হলেও চট্টগ্রামের সরকারি দলের শীর্ষ নেতা ও জনপ্রতিনিধিদের এন উদ্যোগে আশাবাদী হয়ে উঠেছে নগরবাসী। সরকারের বিভিন্ন সূত্র যদিও আগে থেকে জানিয়েছে, সিআরবিতে হাসপাতাল হবে না, এ জন্য ফোজদারহাট এলাকায় রেলের জায়গা খোঁজা হচ্ছে। এরপরও ইঞ্জিনিয়ার মোশারফ হোসেনের মত রাজনৈতিক অভিভাবকের নেতৃত্বে এধরণের উদ্যোগ গুরুত্ববহণ করে। এটি নাগরিক সমাজের দীর্ঘ আন্দোলনের অভাবনীয় সফলতার আকেটি দিগন্ত উন্মোচিত করল। এ উদ্যোগ আন্দোলনকে আরো বেশি অর্থবহ করবে। হাসপাতাল হচ্ছে না, এ বিষয়টি আরো বেশি বিশ্বাস করার মত অবকাশ সৃষ্টি করবে। আমরা এমপি ও মন্ত্রীদের এমন উদ্যোগকে সবসময় স্বাগত জানাতে চাই। চট্টগ্রাম দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তর নগরী। দেশের অর্থনীতির প্রাণপ্রবাহ প্রধান সমুদ্র বন্দর এ চট্টগ্রামে। ব্রিটিশ শাসন আমল থেকে শুরু করে পাকিস্তান হয়ে স্বাধীন বাংলাদেশেও চট্টগ্রামের গুরুত্ব দিনের দিন বেড়েছে তবে উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে চট্টগ্রাম বরাবরই অবহেলিত ছিল। এর অন্যতম কারণ চট্টগ্রামের রাজনৈতিক নেতৃত্বের অনৈক্য এবং সমন্বয়হীনতা। এ অবস্থায় সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণ না করার দাবির প্রতি সরকারি দলের সংসদ সদস্য, মন্ত্রী, মেয়র এবং শীর্ষ নেতাদের সংহতি চট্টগ্রামবাসীকে আরো বেশি আশাবাদি কওে তুলেছে। আগামীতে চট্টগ্রামের সাগ্রিক উন্নযনে তাদেও এ ধরণের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে-এমনটি প্রত্যাশা চট্টগ্রামবাসীর।