গ্যাসের বৈধ গ্রাহকদের হয়রানী বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ চাই

20

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে নগরীর ডবলমুরিং থানা এলাকায় প্রবল বর্ষণে পাওয়ার হাউজের পার্শ্বে দেওয়াল ধসে প্রায় ১১/১২ জন লোক নিহত হয়। এই ঘটনার পর রেলওয়ের টনক নড়ে। পত্রিকার সংবাদ প্রকাশ, মাইকিং, প্রত্যেক বছরে নোটিশ দিলেও প্রায় ১৪ বছর ভূমিদস্যুরা সম্পূর্ণ বে-আইনীভাবে ভাড়া ঘর নির্মাণ করে অবৈধ আয় করলেও রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ তাদেরকে উচ্ছেদ করে নাই। গত বছর ডিসেম্বর মাসে জোর ডেবার দক্ষিণ-পশ্চিম পার্শ্বে সামান্য উচ্ছেদ অভিযান চলে। এরপর যাহাই কদু তাহাই লাউ। একইভাবে গ্যাস সরবরাহের বেলায়ও। যুগ যুগ ধরে বৈধভাবে গ্যাস কোম্পানী থেকে অনুমতি নিয়ে গ্রাহক হয়ে বিল পরিশোধ করে আসলেও এক শ্রেণির দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা, কর্মচারী গ্রাহকদের সাথে অসদাচরণ করে নানারকম হয়রানি করে আসছে। অন্যদিকে অবৈধ গ্রাহকরা ওইসব কর্মকর্তা-কর্মচারীদের টুপাইচ দিয়ে যেনতেনভাবে গ্যাস ব্যবহার করছে।
সম্প্রতি একজন মুক্তিযোদ্ধার সাথে এমনটি আচরণের খবর পাওয়া গেছে। কোনরকম যৌক্তিক কারণ ছাড়া গ্যাস লাইন বন্ধ করে দিলে ওই মুক্তিযোদ্ধা গ্যাস কর্তৃপক্ষের অফিসে গিয়ে তা জানতে চাইলে তাকে অফিসে ঢুকতে দেয়া হয়নি। যা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমি গ্যাস কোম্পানিতে লুকায়িত স্বাধীনতা বিরোধী দুনীর্তিবাজদের কঠোর আইনের আওতায় এনে বিচার করার জোর দাবি জানাচ্ছি।
গ্যাস গ্রাহকদের পক্ষে
আমিনুল হক
পাহাড়তলী, চট্টগ্রাম