খাতুনগঞ্জে মিয়ানমারের পেঁয়াজ ঢুকেছে ২০ ট্রাক

60

মিয়ানমার থেকে আমদানি করা পেঁয়াজের ২০টি ট্রাক ঢুকেছে খাতুনগঞ্জে। প্রতি ট্রাকে পেঁয়াজ ছিল ১৪ টন করে। এর বাইরে চীন, মিশর ও তুরস্কের পেঁয়াজের সরবরাহও বেড়েছে পাইকারি বাজারে। পাশাপাশি ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) ট্রাকে ভোক্তা পর্যায়ে প্রতিকেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকা। বাজারে মিলছে নতুন ‘পেঁয়াজ পাতা’। সব মিলে চট্টগ্রামের পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের দাম নিম্নমুখী।
খাতুনগঞ্জের পেঁয়াজের বড় পাইকারি বিপণিকেন্দ্র হামিদউল্লাহ মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইদ্রিস বলেন, বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) মান ভেদে চীনা পেঁয়াজ ৭০-৮০ টাকা, মিশরের পেঁয়াজ ১১০-১১৫ টাকা ও মিয়ানমারের পেঁয়াজ ১৭০-১৮০ টাকা বিক্রি হয়েছে। মিয়ানমারের ২০ ট্রাক পেঁয়াজ ঢুকেছে খাতুনগঞ্জের আড়তে।
চট্টগ্রাম বন্দর, কাস্টম হাউস ও উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন শিল্প গ্রূপ ও ছোট আমদানিকারকদের আমদানি করা পেঁয়াজের চালান নিয়মিতই খালাস হচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দরে। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (রেফার) কনটেইনারে এসব পেঁয়াজ আসছে। দু-এক দিনের মধ্যে টিসিবির জন্য আনা সিটি গ্রূপের পক্ষে ২ হাজার ৫৫৬ টনের একটি পেঁয়াজের চালান খালাস হওয়ার কথা রয়েছে। ১০০ কনটেইনারে চালানটি আজ শুক্রবার বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছার কথা রয়েছে। ইতোমধ্যে আমদানিকারকের পক্ষে কাস্টমসসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলোর ছাড়পত্র সংগ্রহের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সাড়ে ৩৭ টাকা দরে প্রতিকেজি পেঁয়াজ টিসিবিকে হস্তান্তর করবে সিটি গ্রূপ।
চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপ-পরিচালক ড. আসাদুজ্জামান বুলবুল জানান, এবার সংকট শুরুর পর থেকে বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) পর্যন্ত ১ লাখ ১ হাজার ৭৪৬ টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতিপত্র (আইপি) ইস্যু করা হয়েছে। এর বিপরীতে ১৪ হাজার ৮৯ টন পেঁয়াজ খালাস হয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে। এর মধ্যে মিশর থেকে এসেছে ৫ হাজার ৮২৭ টন, চীনের ৩ হাজার ৬০৩ টন, মিয়ানমারের ১ হাজার ৩৪২ টন, তুরস্কের ২ হাজার ৩৬৬ টন, সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) ৪৩৭ টন ও পাকিস্তানের ৫১৪ টন পেঁয়াজ রয়েছে। বাকি পেঁয়াজগুলো পাইপলাইনে রয়েছে। খবর বাংলানিউজের
এদিকে, ব্যক্তি উদ্যোগে চট্টগ্রামে ট্রাকে করে প্রতিকেজি পেঁয়াজ ৪০ টাকায় বিক্রি শুরু করেছেন চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে ৬টি ট্রাকে আগ্রাবাদের চেম্বার হাউস থেকে পেঁয়াজ নিয়ে বিভিন্ন স্পটে বিক্রি শুরু করে। মাহবুবুল আলম বলেন, সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে ব্যক্তিগত উদ্যোগে খাতুনগঞ্জের পাইকারি বাজার থেকে পেঁয়াজ কিনে ভোক্তা পর্যায়ে ৪০ টাকায় বিক্রি করছি।