ক্লিক সম্মাননা পেলেন দুই প্রজন্মের ১২ গুণী

11

 

জেলা শিল্পকলা একাডেমির মুক্তমঞ্চে ক্লিক’র চট্টলার বীর ও তারুণ্যের কান্ডারি সম্মাননা অনুষ্ঠান উদ্যাপিত হয়েছে। বিজয়ের মাসের প্রথম দিন সন্ধ্যা ৬টার দিকে লাইফস্টাইল ও বিজনেস ম্যাগাজিন ক্লিক’র মোড়ক উন্মোচনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। ক্লিক’র প্রধান সম্পাদক নিয়াজ মোর্শেদ এলিটের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন সিএমপি কমিশনার কৃষ্ণ পদ রায়। বিশেষ অতিথি ছিলেন খাগড়াছড়ি জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহমুদা বেগম। ক্লিক’র সহকারী সম্পাদক আরাফাত রূপকের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য দেন ক্লিক সম্পাদক জালালউদ্দিন সাগর। অনুষ্ঠানে পাঁচ গুণীজনকে চট্টলার বীর ও সাত তরুণকে তারুণ্যের কান্ডারি সম্মাননা দেওয়া হয়।
চট্টলার বীর সম্মাননা প্রাপ্ত গুণীজন হলেন-একুশে পদকপ্রাপ্ত পিএইচপি ফ্যামেলি’র চেয়ারম্যান সুফি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটি’র উপাচার্য অধ্যাপক মুহাম্মদ সিকান্দার খান, শিশু সংগঠক ও নগর পরিকল্পনাবিদ প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এম এ সালাম, লেখক ও সাংবাদিক বিশ্বজিৎ চৌধুরী।
তারুণ্যের কাÐারি সম্মাননা পেয়েছেন-ডা. মো. জয়নাল আবেদীন মুহুরী, কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সৈয়দ শামসুল তাবরীজ, শিল্পোদ্যোক্তা রাশীদ মোহাম্মদ চৌধুরী, সাংবাদিক ঋত্বিক চৌধুরী নয়ন, ব্যবসায়ী মোহাম্মদ জালাল হোসেন, উদ্যোক্তা মানজুবা আইমান মার্জিয়া ও কামরুজ্জামান রুমান।
স্বাগত বক্তব্যে ক্লিক সম্পাদক জালালউদ্দিন সাগর বলেন, ২০১৫ সাল থেকে ক্লিক পরিবার চট্টলার বীর ও তারুণ্যে কান্ডারিদের সম্মাননা দিয়ে আসছে। এখন পর্যন্ত ৫২ গুণীজন চট্টলার বীর সম্মাননা পেয়েছেন।
প্রধান অতিথি সিএমপি কমিশনার কৃষ্ণ পদ রায় বলেন, ক্লিক পরিবারের এই আয়োজন তরুণ উদ্যোক্তাদের অগ্রসরতার অনুপ্রেরণা যোগাবে। পাশাপাশি যারা সাংস্কৃতিক অঙ্গনের সাথে আছেন তাঁদেরও।
সুফি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, জীবনের গভীরে বড় হওয়ার যে প্রতিভার বীজ তা ধার করা যায় না, তাকে দোকানে কিনতে পাওয়া যায় না। প্রত্যেক মানুষের জীবনের যে বীজ প্রথিত রয়েছে সেই বীজ ঘুমন্ত রয়ে গেছে। জীবনে বড় হতে হলে আমাদেরকে সেই ঘুমন্ত বীজ জাগ্রত করতে হবে।
অধ্যাপক মুহাম্মদ সিকান্দার খান বলেন, আমার স্বাস্থ্যগত কারণে আমাকে কেউ বীর বলবে না এবং এই বয়সে এসে আমাকে বীর সম্মাননা পাওয়ায় ক্লিক পরিবারকে চিরকৃতজ্ঞতা জানাই।
সাংবাদিক বিশ্বজিৎ চৌধুরী বলেন, যারা আমাকে বীর হিসেবে সম্মাননা দিয়েছেন আমি কৃতজ্ঞচিত্তে গ্রহণ করলাম এবং ভবিষ্যতে আমরা প্রত্যেকে নিজ দায়িত্বে এই পেশার কাজকে এগিয়ে নিয়ে যাব।
নিয়াজ মোর্শেদ এলিট বলেন, সবাই মরণোত্তর সম্মাননা দেয় কিন্তু আমরা উদ্যোগ নিয়েছিলাম চট্টলার বীর ও তারুণের কান্ডারি সম্মাননা দেওয়ার। ২০১৫ সাল থেকে শুরু করা এই সম্মাননা অনুষ্ঠান আপনাদের আন্তরিকতা ও ভালোবাসায় আজও বেঁচে আছে।
সম্মাননা প্রদান শেষে সৃজনশীল নৃত্য, ফ্যাশন শো’সহ নানান আয়োজনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় লাইফস্টাইল অ্যান্ড ফ্যাশন ম্যগিাজিন ক্লিক’র বর্ণাঢ্য এই আয়োজন। বিজ্ঞপ্তি