ক্লাবগুলো যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীনেই থাকা উচিত : রাসেল

38

স¤প্রতি ক্রীড়া ক্লাবগুলোতে ক্যাসিনো ব্যবসার অভিযোগ ও প্রমান পাওয়ায় এসব ক্লাবের জবাবদিহিতার আওতায় রাখতে চায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রনালয়। ক্রীড়া ক্লাব নিবন্ধনসহ সব ধরনের নজরদারির সুযোগ চায় এ মন্ত্রণালয়। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল সাংবাদিকদের জানান, ক্রীড়া ক্লাবগুলো যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীনেই থাকা উচিত।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ক্রীড়া ক্লাবগুলোতেও ক্যাসিনো ব্যবসা থাকা দুঃখজনক। ক্লাবগুলো ক্রীড়া মন্ত্রণালয় অধিভুক্ত নয় বলে তাদের ওপর নজরদারি করার সুযোগ নেই। তবে সময় এসেছে আইন পরিবর্তনের।
তিনি ক্যাসিনো ব্যবসায় জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করে বলেন, আমি এ ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই। যারা ক্যাসিনো ব্যবসায় জড়িত তাদের আইনের আওতায় নিয়ে এসে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। ক্রীড়া ক্লাবগুলো ক্যাসিনো ব্যবসা জড়িত হওয়ায় ক্রীড়াঙ্গনের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়েছে বলেও মনে করেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।
তিনি আরো জানান, রাজধানীর বেশিরভাগ ক্লাব লিমিটেড কোম্পানী হওয়ায়, এগুলোর ওপরে নজরদারি করার এখতিয়ার নেই যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের। আগামীতে যাতে তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা যায় সেই আইনি অধিকারের তাগিদ দিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। এর আগে বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী পালন উপলক্ষ্যে বিভিন্ন ফেডারেশনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে পর্যালোচনা সভা করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। ওই সভায় ৮৯টি ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এরমধ্যে ৩৯টি আন্তর্জাতিক, বাকিগুলো জাতীয়। এরজন্য বাজেট ধরা হয়েছে ৩০৬ কোটি টাকা। রাষ্ট্রীয় তহবিল ও স্পন্সরদের সমন্বয়ে উক্ত কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।