কাস্টমসের দুই কর্মকর্তাসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা

10

নিজস্ব প্রতিবেদক

জাল কাগজ তৈরি করে কর ফাঁকি দিয়ে আত্মসাতের অভিযোগে দুই কাস্টমস কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল বুধবার দুদক চট্টগ্রাম জেলা সমন্বিত কার্যালয়-১ এর উপ-পরিচালক মো. আবু সাঈদ বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলায় দুই কাস্টমস কর্মকর্তা ছাড়াও দুই সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট মালিককে আসামি করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ২৪ লাখ ৩৩ হাজার ৫০২ টাকা কর ফাঁকির অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযুক্ত দুই কাস্টমস কর্মকর্তা হলেন সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলাম মোল্ল্যা ও রাজস্ব কর্মকর্তা নাছির উদ্দিন মাহমুদ খান। অপরদিকে দুই সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট মালিক হলেন নেপচুন ট্রেডিং এজেন্সির মালিক ইকবাল হোসেন মজুমদার এবং বনলতা শিপিং এজেন্সির মালিক আব্দুল মান্নান চৌধুরী।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ২০১৬ সালের ১৫ ডিসেম্বর থেকে ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসে আসামিরা পরস্পরের যোগসাজশে অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ করে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে প্রতারণা ও জালিয়াতির জন্য জাল কাগজপত্র তৈরি ও ব্যবহার করেন। নিজেরা লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যে ও অন্যকে লাভবান করার অসৎ উদ্দেশ্যে সরকারি ২৪ লাখ ৩৩ হাজার ৫০২ টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে আত্মসাৎ করার দায়ে তাদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হলো।
মামলার বাদী দুদক কর্মকর্তা আবু সাইদ বলেন, ট্যাক্স ফাঁকি দিয়ে আত্মসাতের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে প্রাথমিকভাবে দুই কাস্টমসর্ কর্তা ও দুই সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের মালিকের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মামলাটি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তকালে এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জিপিও’র টাকা আত্মসাৎ, দুদকের মামলা
ভুয়া জমা দেখিয়ে চট্টগ্রাম জিপিও’র সাড়ে তিন কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল বুধবার সকালে দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম-১ এ মামলাটি দায়ের করেন দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক মো. নাছরুল্লাহ হোসাইন।
মামলায় আসামিরা হচ্ছেন, বাঁশখালীর রফিকুল ইসলাম, হাটহাজারীর ফরহাদাবাদ এলাকার বাদশা মিয়া বাচ্চুর স্ত্রী শামীম (৫৬) এবং ছেলে ওয়াহিদুল আলম (৩৪), বাঁশখালীর আহমেদ নূর (৩৫), তার স্ত্রী মশহুদা বেগম (২৪) এবং চান্দগাঁওয়ের নেজাম উদ্দীনের স্ত্রী তসলিমা বেগম নার্গিস।
মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে জিপিও’র অজ্ঞাত কর্মচারীদের যোগসাজশে প্রতারণা ও জাল কাগজ তৈরি করে বিভিন্ন হিসেবে ভুয়া টাকা জমা দেখিয়ে সরকারি ৩ কোটি ৭৮ লাখ ৩৯ হাজার ২৫০ টাকা উত্তোলন করে আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়।