কালুরঘাটে হবে মুক্তিযুদ্ধের বিশেষ স্তম্ভ

10

নিজস্ব প্রতিবেদক

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত কালুরঘাটে মুক্তিযুদ্ধের বিশেষ স্মৃতিস্তম্ভ করার ঘোষণা দিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের প্রথম অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।
এ বিষয়ে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, জেলা প্রশাসক সম্মেলনে আমাদের মন্ত্রণালয়ের দুইটি প্রস্তাব ছিল। একটি হলো চট্টগ্রামের কালুরঘাটে মুক্তিযুদ্ধের বিশেষ স্মৃতিস্তম্ভ করা। কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে প্রথম বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করা হয়। এ কারণে সেখানে একটি স্মৃতিস্তম্ভ করা হবে। জেলা প্রশাসকদের বলেছি কোথাও জায়গা পাওয়া গেলে একটি স্মৃতিস্তম্ভ করা হবে।
মন্ত্রী বলেন, আমি এর আগে যখন চট্টগ্রামে গিয়েছিলাম, তখন জেলা প্রশাসক চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের কাছাকাছি কাট্টলি এলাকায় একটি জায়গা দেখিয়েছিলেন। তখন আমি বলেছিলাম কাগজপত্র পাঠিয়ে দিলে ইনশাআল্লাহ সেখানেও মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক স্থান হিসেবে স্মৃতিস্তম্ভ করবো। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে দুইটি প্রস্তাব রেখে আসছি। এরমধ্যে একটি হচ্ছে- ভূমির সাব রেজিস্ট্রি অফিস আইন মন্ত্রণালয়ের অধীন আছে। সেটার এলোকেশন অব বিজনেস পরিবর্তন করে ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীন আনলে ভালো হয়। কারণ সাব-রেজিস্ট্রির কার্যক্রম ভূমি অফিসের রিলেটেড। যদি ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীনে আসে তাহলে কাজে গতি আসবে। অপর প্রস্তাবটি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কাছে। সেটা হলো- আমরা যেসব জিনিসপত্র কিনি তার জন্য ভ্যাট দিতে হয়। সেটা দোকানদার রাখে। কিন্তু দোকানদার সেটা ঠিকমতো দেয় কি না সে বিষয়ে আমার সন্দেহ হয়। আর জেলা-উপজেলা, ইউনিয়ন ও গ্রামের দোকান থেকে যেসব পণ্য কিনি, তখন যে ক্রয় রশিদ দেওয়া হয় সেটা হাতে লেখা থাকে। এর ফলে রাজস্ব আদায়ে কিছু সমস্যা হয়। এজন্য সব দোকানে ইএফটি মেশিন সরবরাহ করার প্রস্তাব দিয়েছি। যাদের কেনার সামর্থ্য নেই তাদের যেন সরকার লোন দেয়।
এ বিষয়ে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট শাখায় যোগাযোগ করা হলে এখনও কোনো কাগজপত্র আসেনি বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।