কাপ্তাই হ্রদ খননে সমন্বয়হীনতার অভিযোগ

2

রাঙামাটি প্রতিনিধি

কাপ্তাই হ্রদে বিভিন্ন নৌপথ খনন করা হচ্ছে। অপরিকল্পিত ও বিক্ষিপ্তভাবে এ কাজ চলার অভিযোগ এনে এতে জেলা প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করার দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল যাত্রী পরিবহন সংস্থা রাঙামাটি অঞ্চলের নেতৃবৃন্দ।
গতকাল দুপুরে রাঙামাটি শহরে সংস্থার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান তারা। এসময় লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল যাত্রী পরিবহন সংস্থা রাঙামাটি অঞ্চলের চেয়ারম্যান মঈন উদ্দিন সেলিম। আরো বক্তব্য রাখেন সাবেক সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন, মো. নাজিম উদ্দিন, আব্দুল্লাহ আল মামুন প্রমুখ।
নিজাম উদ্দিন বলেন, ‘বিশেষ ভৌগোলিক অবস্থার কথা বিবেচনায় না নিয়ে সমতলের নদী খননের মতোই কাজ করা হচ্ছে। আবার খনন করা সেই পলিমাটি কাপ্তাই হ্রদেই ফেলা হচ্ছে। এতে নৌ-পথগুলি ভরাট হয়ে শুষ্ক মৌসুমের কয়েকমাস আগে থেকেই নৌ চলাচল বন্ধ হয়ে মানুষকে বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে। এছাড়া পানিস্বল্পতার কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। হ্রদে মাছের যোগানও কমে যাচ্ছে। আমরা চাই সুষ্ঠু নৌ-চলাচলের স্বার্থে বিভিন্ন প্রশাসনের সমন্বয়ে ৬টি নৌপথ পরিকল্পিতভাবে খনন করা হোক।’
নাজিম উদ্দন বলেন, ‘ঢাকা থেকে টেন্ডার করে কাজ করা হচ্ছে। কিন্তু মাঠের বাস্তবতা ভিন্ন। খননকাজে জেলা প্রশাসনের সাথে কোন সমন্বয় নেই। এগুলো রাঙামাটিবাসীর কোন কাজে আসবে না। আমাদের মূল দাবি হচ্ছে জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে সমন্বয় করার।’
মঈন উদ্দিন সেলিম বলেন, ‘সমন্বয় না করে খননকাজ করছে একেকটা ডির্পাটমেন্ট। কে কী কাজ করছে কেউ জানে না। আমাদের দাবি হচ্ছে, জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে যত সংস্থা কাপ্তাই লেকের সাথে জড়িত, তাদেরকে নিয়ে কাজগুলো করুক। ৬টি উপজেলায় আমরা ১০-১২টি পয়েন্ট নির্ধারণ করেছি, এগুলো ড্রেজিং করা হলে রাঙামাটির মানুষ যাত্রী পরিবহন ও পণ্য পরিবহন সারা বছরই করতে পারবে।’