কর্ণফুলীর ৩ চেয়ারম্যান প্রার্থীসহ সকলের বৈধ

5

পটিয়া প্রতিনিধি

পটিয়ার ছনহরা ইউনিয়নে ঋণ খেলাপির অভিযোগে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ দলীয় নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মামুনুর রশিদ রাসেলের মনোনয়ন বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন। অপরদিকে কর্ণফুলী উপজেলার চরপাথরাঘাটায় ৩ চেয়ারম্যান প্রার্থীসহ ৫৭ প্রার্থীর সকলের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়ন যাচাই বাছাই শেষে এসব সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
জানা গেছে, ছনহরা ইউনিয়নে নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা শামসুল আলম গত ২৫ মার্চ মারা যান। তাই উপ-নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের দলীয় মনোনয়ন পান তার ছেলে মামুনুর রশিদ রাসেল। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ডের ঋণ খেলাপির দায়ে মামুনুর রশিদ রাসেলের মনোনয়ন বাতিল করা হয়। যাচাই বাছাইয়ে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী আবদুর রশিদ দৌলতী, মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন ও মোহাম্মদ জাহেদুল হকের প্রার্থীতা বৈধ ঘোষণা করা হয়। তবে ব্যাংকে হিসাব না খোলায় মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনকে নির্বাচন কর্মকর্তা সময় বেধে দিয়েছেন।
অপরদিকে কর্ণফুলীর চরপাথরঘাটায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মোহাম্মদ সেলিম হক, স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক চেয়ারম্যান ছাবের আহমদ ও মনির আহমদ এবং ৯টি ওয়ার্ডের ৪১ জন সাধারণ সদস্য এবং ৩টি ওয়ার্ডের সংরক্ষিত আসনের ১৩ জনসহ সর্বমোট ৫৭ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুল শুক্কুর।
পটিয়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আরাফাত আল হোছাইনী জানান, ঋণ খেলাপীর কারণে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মামুনুর রশিদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। এ বিষয়ে মামুনুর রশিদ রাসেল জানান, ‘একটি ক্রেডিট কার্ডের ঋণ খেলাপীর অভিযোগে আমার মনোনয়ন পত্র বাতিল করা হয়েছে। ঋণগুলো ইতোমধ্যে পরিশোধ করা হয়েছে। এ বিষয়ে আমি জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে আপিল করেছি। যথাসময়ে আমার মনোনয়ন বৈধতা ফিরে পাব।’