করোনায়ও চালের দাম বাড়েনি এখন কেন বাড়ছে

4

পূর্বদেশ ডেস্ক

করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) মহামারিকালেও চালের দাম বাড়েনি, এখন কেন বাড়ছে, মিলমালিকদের উদ্দেশে এমন প্রশ্ন তুলেছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। তিনি জানিয়েছেন, চালের বাজার স্থিতিশীল করার প্রয়োজনে শুল্ক কমিয়ে চাল আমদানি করবে সরকার।
গতকাল বুধবার বিকেলে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে করণীয় শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে খাদ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন। খবর বাংলানিউজের।
সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, ধান-চালের মার্কেট নিয়ন্ত্রণ করেন হাতেগোনা কয়েক জেলার ব্যবসায়ীরা। আমরা তাদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নিচ্ছি। মিলমালিকদের তিনি বলেন, বিবেক জাগ্রত করুন। বেপরোয়া না হয়ে মানবসেবার ব্রত নিয়ে কাজ করুন।
তিনি আরও বলেন, কৃষক ধানের দাম বেশি পেলে খুশি হতাম। এখন বেশি দামে ধান বিক্রি হলেও কৃষকের লাভ হচ্ছে না। সুবিধা নিচ্ছে মজুতদাররা। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
মন্ত্রী বলেন, বস্তায় মিলগেটে চালের দাম কত তা লিখতে হবে। সঙ্গে থাকতে হবে উৎপাদনের তারিখও। নতুন আইন করা হয়েছে। দ্রুত কার্যকর হবে। এ আইন কার্যকর হলে মিনিকেট নামের কোনো ধান-চাল থাকবে না।
কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মো. এহতেশাম রেজার সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ইসমাইল হোসেন ও খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. সাখাওয়াত হোসেন বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন।
খাদ্য সচিব বলেন, চালের দাম নিয়ে আমরা সজাগ আছি। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী কারসাজি করতে চাইলে সরকার আইন মোতাবেক কাজ করবে।
এর আগে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার কুষ্টিয়ার খাজা নগরের দেশ এগ্রো, সুবর্ণা অটো ফ্লাওয়ার মিল, আল্লাহর দান অটোরাইস মিল, স্বর্ণা অটোরাইস মিল ও রশিদ অটোরাইস মিল আকস্মিক পরিদর্শন করেন।
এসময় খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ইসমাইল হোসেন, খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. সাখাওয়াত হোসেন, কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মো. এহতেশাম রেজা, পুলিশ সুপার এ এইচ এম আব্দুর রকিব ও জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. বাবুল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।