কমনওয়েলথ বৃত্তি পেতে

16

 

কমনওয়েলথ বৃত্তি ২০২৩-এর জন্য দরখাস্ত আহবান করেছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। যুক্তরাজ্যে ফুলফ্রি স্কলারশিপ নিয়ে স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি করতে ইচ্ছুক বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। আবেদনপত্র জমা দেওয়া যাবে আগামী ১২ অক্টোবর পর্যন্ত।
যুক্তরাজ্য সরকারের কমনওয়েলথ বৃত্তি বিশ্বের সবচেয়ে সম্মানজনক বৃত্তিগুলোর মধ্যে অন্যতম। এর শুরু হয় ১৯৮৩ সালে। এ প্রোগ্রামের অর্থায়ন করে ডিপার্টমেন্ট অব ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট (ডিএফআইডি)। এখন পর্যন্ত প্রায় ৩৫ হাজার শিক্ষার্থী কমনওয়েলথ বৃত্তি ও ফেলোশিপ পেয়েছেন। প্রতিবছর প্রায় দেড় হাজার শিক্ষার্থীকে এ বৃত্তি দেওয়া হয়। কমনওয়েলথের আওতাধীন হওয়ায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। সাধারণত, নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোর শিক্ষার্থীদের যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বৃত্তির মাধ্যমে মাস্টার্সে পড়াশোনা করার সুযোগ করে দেয় কমনওয়েলথ বৃত্তি। কীভাবে জানবেন বৃত্তির তথ্য:www.cscuk.dfid.gov.uk- ঢুঁ মারলে কমনওয়েলথ বৃত্তিসংক্রান্ত বেশির ভাগ তথ্য পাওয়া যাবে। এটি এই বৃত্তির অফিশিয়াল ওয়েবপেজ।www.ugc.gov.bd বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য ইউজিসি প্রতিবছর কমনওয়েলথ স্কলারশিপের জন্য বিজ্ঞপ্তি দিয়ে দরখাস্ত আহবান করে।
প্রয়োজনীয় নথি: পাসপোর্টের কপি, এক কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি, একাডেমিক সব সার্টিফিকেট ও মার্কশিটের সত্যায়িত কপি, রেফারেন্স লেটার ও জীবনবৃত্তান্ত। এ ছাড়া প্রকাশনার বর্ণনা এবং আইইএলটিএস স্কোরের সনদ (যদি থাকে)।
আবেদনের যোগ্যতা: কমনওয়েলথভুক্ত দেশের নাগরিক হতে হবে, নেতৃত্বের ক্ষমতা থাকতে হবে, আর্থিক প্রয়োজনীয়তার কারণ দেখাতে হবে, একাডেমিক ফল ভালো হতে হবে, একটি গবেষণা পরিকল্পনা থাকতে হবে, দ্বিতীয় মাস্টার্স করতে চাইলে কারণ দর্শাতে হবে। যুক্তরাজ্যে কেউ শিক্ষারত অবস্থায় এ স্কলারশিপের জন্য বিবেচিত হবেন না।