ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে পুরানোরাই বহাল থাকবেন

36

নিজস্ব প্রতিবেদক

৪১নং দক্ষিণ পতেঙ্গা ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সম্মেলন আজ। এ ওয়ার্ডের সম্মেলনের মধ্যদিয়ে শুরু হতে যাচ্ছে নগর আওয়ামী লীগের সম্মেলন প্রক্রিয়া। আজ সকাল ১০টায় বাটারফ্লাই পার্কে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ। ঈদুল আযহার পর পুরোদমে ওয়ার্ড ও থানা সম্মেলন শুরু হবে। গতকাল নগর আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সভায় আগামী শুক্রবার প্রয়াত জননেতা জহুর আহমদ চৌধুরীর মৃত্যুবার্ষিকী পালনের সিদ্ধান্ত হয়।
দক্ষিণ পতেঙ্গা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে নগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দিন ছাড়াও এই ওয়ার্ডের সাংগঠনিক দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা উপস্থিত থাকবেন।
জানা যায়, ১৫টি ওয়ার্ডে ইউনিট কমিটি গঠন নিয়ে আপত্তি উঠেছিল। কেন্দ্রের ধরে দেয়া নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মাত্র চারটি ওয়ার্ডের বিষয়ে প্রতিবেদন জমা পড়েছে। বাকিগুলো এখনো জমা পড়েনি। এরমধ্যে ইপিজেডে যে ওয়ার্ড কমিটি আছে সেটি নগর আওয়ামী লীগ অনুমোদিত না। সেখানে সি ইউনিটে এমন এক নেতাকে শীর্ষপদে বসানো হয়েছে যে কখনো আওয়ামী লীগ করেনি। এসব বিষয় বিবেচনা করছে নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক।
এদিকে নগর আওয়ামী লীগের নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র জানিয়েছে, সামনে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সম্মেলনের মাধ্যমে নিয়মিত কমিটি করতে চাইছে নগর আওয়ামী লীগ। এরই ধারাবাহিকতায় ওয়ার্ড সম্মেলন শুরু হচ্ছে। যেসব ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা মারা গেছেন, নিস্ক্রিয় কিংবা দল থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন তাদেরকেই শুধু বাদ দেয়া হবে। অন্য ওয়ার্ডগুলোতে বর্তমানে যারা আছেন তাদেরকে বহাল রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। স্ব-ইচ্ছায় কেউ সরে দাঁড়াতে চাইলে সেটি ভিন্ন কথা। মূলত পুরানোদের দিয়েই ওয়ার্ড আওয়ামী লীগকে চাঙা করতে চাইছে নগর আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগ নেতারা মনে করছেন, ত্যাগী ও যোগ্য নেতাদের বাদ দিয়ে নতুন নেতৃত্ব সৃষ্টি করতে গেলে আগামী নির্বাচনে এর প্রভাব পড়তে পারে।
এর আগে গত ২৫ মে অনুষ্ঠিত হওয়া নগর আওয়ামী লীগের ঈদ পুনর্মিলনী সভায় আগামী ১ অক্টোবর মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলনের সিদ্ধান্ত জানানো হয়। কেন্দ্রীয় নেতারা সেদিনের সভায় জাানিয়েছিলেন, সদস্য নবায়ন ও সদস্য সংগ্রহ অভিযান চলবে। যে সমস্ত ইউনিটের সম্মেলন হয়েছে সেখানে যেগুলোর অভিযোগ আছে তা ১৫ জুনের মধ্যে সাংগঠনিক টিমের প্রধানগণ এই সমস্ত অভিযোগগুলো সুরাহা করতে প্রতিবেদন তৈরি করবেন। ৩০ জুনের মধ্যে সকল অভিযোগের সমাপ্তি করতে হবে। ১ জুলাই থেকে ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রত্যেকটি ওয়ার্ড ও থানার সম্মেলন শেষ করতে হবে।