এয়ারলাইন অব দ্য ইয়ার ‘এমিরেটস’

14

পূর্বদেশ অনলাইন
এয়ারলাইন অব দ্য ইয়ার ২০২২ হিসেবে পুরস্কৃত করা হয়েছে দুবাইভিত্তিক প্রতিষ্ঠান এমিরেটসকে। সম্প্রতি রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে বাংলাদেশ মনিটর আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিজয়ী এয়ারলাইন্সগুলোর হাতে পুরস্কার তুলে দেন বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী। পণ্য ও পরিষেবার স্বীকৃতিস্বরূপ পাঁচটি ক্যাটাগরিতে স্বর্ণ ও চারটি ক্যাটাগরিতে রৌপ্য ট্রফি জিতেছে প্রতিষ্ঠানটি। এই বছরের এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত তিন মাস ধরে বাংলাদেশে পরিচালিত নিয়মিত ফ্লাইয়ার জনমত জরিপের ভিত্তিতে বিজয়ীদের নির্বাচন করা হয়েছে।
পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী এমপি, সরকারি কর্মকর্তা, কূটনৈতিক মিশন, এয়ারলাইন্স, নেতৃস্থানীয় ট্রাভেল এজেন্সি এবং মিডিয়াসহ ২০০ জনেরও বেশি অতিথি উপস্থিত ছিলেন। এমিরেটস এয়ারলাইন অব দ্য ইয়ার, বেস্ট বিজনেস ক্লাস, বেস্ট ইন-ফ্লাইট মিল ইন বিজনেস ক্লাস, বেস্ট ইন-ফ্লাইট এন্টারটেইনমেন্ট এবং বেস্ট লং-হল এয়ারলাইনের জন্য স্বর্ণ পুরস্কার জিতেছে। এছাড়াও, এয়ারলাইনটি বেস্ট ইকোনমি ক্লাস, ইকোনমি ক্লাসে বেস্ট ইন-ফ্লাইট মিল, মোস্ট ফেভারিট ফ্রিকোয়েন্ট ফ্লায়ার প্রোগ্রাম এবং কার্গো এয়ারলাইন অব দ্য ইয়ারের জন্য রৌপ্য পুরস্কার পেয়েছে।পুরস্কার প্রোগ্রামটি ফ্রিকোয়েন্ট ফ্লাইয়ারদের মতামতের ভিত্তিতে বিভিন্ন বিভাগে সেরা এয়ারলাইন্সগুলোকে স্বীকৃতি দেয়। এই বছর ২০০০টিরও বেশি ফ্রিকোয়েন্ট ফ্লাইয়ার মোট ১৩টি বিভাগে তাদের ভ্রমণ অভিজ্ঞতার রেটিং দিয়ে ভোট দিয়েছেন। এমিরেটস ১৯৮৬ সাল থেকে বাংলাদেশকে যাত্রী ও কার্গো পরিষেবা দান করে আসছে। এমিরেটস এয়ারলাইন হিসেবে চালু হওয়ার মাত্র এক বছর পর বাংলাদেশে তার পরিষেবা চালু করে। তখন ঢাকা ছিল প্রতিষ্ঠানটির ৭ম গন্তব্যস্থল। যার কেন্দ্রস্থল দুবাই বাদ দিয়ে বাংলাদেশ ৬ষ্ঠ দেশ যেখানে প্রতিষ্ঠানটি কার্যক্রম পরিচালনা করে।এয়ারলাইনটি বর্তমানে ২১টি সাপ্তাহিক ফ্লাইটের মাধ্যমে ঢাকা ও দুবাইকে সংযুক্ত করেছে। পাশাপাশি, ছয়টি মহাদেশজুড়ে ১৩০টিরও বেশি গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা করছে জনপ্রিয় এই এয়ারলাইন।