এশিয়ান স্পেশালাইজড হসপিটালে আইসিইউ চালু

0

 

করোনা রোগীর সেবায় পূর্ণাঙ্গ ডেডিকেটেড আইসিইউ চালু করেছে জিইসি মোড়স্থ এশিয়ান স্পেশালাইজড হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার। ১৬ শয্যা বিশিষ্ট ইনটেন্সিভ কেয়ার ইউনিট (আইসিইউ) চালুর মাধ্যমে এই সার্ভিস চালু করেছে হসপিটালটি। এছাড়া ১০টি এইচডিইউ বেড এবং পর্যাপ্ত হাইফ্লো অক্সিজেন সরবরাহ ব্যবস্থা রয়েছে হসপিটালটিতে।
৩০ জুলাই নগরীর জিইসি মোড়স্থ এশিয়ান স্পেশালাইজড হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ৬ শয্যা বিশিষ্ট আইসিইউ উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) মিজানুর রহমান। এশিয়ান স্পেশালাইজড হসপিটালের চেয়ারম্যান সৈয়দ মোর্শেদ হোসাইনের সভাপতিত্বে উদ্বোধক ছিলেন সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ, চসিক প্যানেল মেয়র গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী, চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলমগীর, ডা. সৈয়দ নুরুল কিবরিয়া, ডা. মাহাদী হাসান রাসেল প্রমুখ। প্রধান অতিথি বলেন, মহামারী করোনার এই সময়ে এশিয়ান স্পেশালইজড হসপিটালের আইসিইউ ইউনিট চালু প্রশংসনীয় উদ্যোগ। হাসপাতালগুলোর চিকিৎসা সেবা বাড়ানোর মাধ্যমে করোনা রোগীদের সেবা দিতে হবে। পর্যন্ত সেবা দেয়ার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে তাদের সর্বোচ্চ সেবা প্রদান করতে হবে। রোগীকে সন্তুষ্ট করতে পারলেই হাসপাতালের সুনাম বৃদ্ধি পাবে।
সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি বলেন, করোনাকালীন এ সময়ে মানুষ আইসিইউ বেডের জন্য হাহাকার করছে। আইসিইউ সংকটে মানুষের জীবন ঝুঁকির মধ্যে। সারাদেশে যখন আইসিইউ’র জন্য হাহাকার ঠিক তখনই এশিয়ান স্পেশালাইজড হাসপাতাল মানুষের সেবার কথা চিন্তা করে আইসিইউ সংখ্যা বাড়িয়েছে। যা সময়োপযোগী। সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতালেও অনেক সময় নানা অভিযোগ রোগীরা করে থাকে। কাজ করতে গেলে সমালোচনা হবে। তবে আমাদের চিন্তা করতে হবে-এরা কতটা ঝুঁকি নিয়ে এই মহামারীতে সেবা দিচ্ছে। তারা যে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আমাদের সেবা দিচ্ছে, একটা মানুষকে সুস্থ করে তুলছে সেটা ভাবতে হবে। কিছু ভুল থাকতে পারে, ভুল-ত্রুটির ঊর্ধ্বে কেউ নয়। এশিয়ান স্পেশালাইজড হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এ পর্যন্ত ৩০৫০ জন রোগীকে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়েছে যার মধ্যে ২২৫০ জন করোনা আক্রান্ত রোগী। হসপিটালে ১০টি এইচডিইউ বেড এবং পর্যাপ্ত হাই ফ্লো অক্সিজেন সরবরাহ ব্যবস্থাও রয়েছে।
এশিয়ান স্পেশালাইজড হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টি সেন্টার’ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক লায়ন সালাউদ্দীন আলী জানান, গত কয়েক দিন ধরে রোগীর চাপ অনেক বেড়ে গেছে। প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫ জন রোগীর স্বজন ভর্তির জন্য যোগাযোগ করছেন। সমান সংখ্যক রোগীর স্বজন যোগাযোগ করছেন আইসিইউর জন্য। বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসারত রোগীর স্বজনরাও আইসিইউর জন্য যোগাযোগ করছেন। করোনা রোগীর পাশাপাশি সাধারণ রোগীর চাপও বেড়েছে। জেনারেল ওয়ার্ডেও কোনো কেবিন ও সিট খালি নেই। বিজ্ঞপ্তি