এলপিজির দাম কেজিতে বাড়ল সাড়ে ৮ টাকা

2

আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ার কারণে দেশের বাজারে সিলিন্ডারে বিক্রি হওয়া তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজির দাম টানা দ্বিতীয় মাসে বেড়েছে। নিয়মিত ঘোষণায় প্রতি কেজি এলপিজির দাম ৮ টাকা ৪৮ পয়সা বাড়িয়ে নতুন মূল্য তালিকা গতকাল বৃহস্পতিবার প্রকাশ করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন- বিইআরসি। কমিশনের চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এসে এই ঘোষণা দেন। এর আগে জুলাই মাসেও এলপিজির দাম বাড়ানো হয়েছিল।
জুন মাসে এলপিজির খুচরা মূল্য ছিল প্রতিকেজি ৭০ টাকা ১৭ পয়সা, তা বাড়িয়ে ৭৪ টাকা ২৪ পয়সা হয়েছিল।এবার আগস্টে তা থেকে ৮ টাকা ৪৮ পয়সা বেড়ে ৮২ টাকা ৭২ পয়সা হল।
আগেই সিদ্ধান্ত হয়েছিল, সৌদি আরমকো কোম্পানির প্রোপেন ও বিউটেনের দামের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রতি মাসে এলপিজির নতুন দর ঘোষণা করা হবে।
সর্বশেষ হিসাবে সৌদি সিপি অনুযায়ী প্রোপেন ও বিউটেনের মিশ্রণমূল্য ধরা হয়েছে প্রতি টন ৬২০ ডলার (এক ডলার সমান ৮৪ টাকা ৯৫ পয়সা)। খবর বিডিনিউজের।
নতুন মূল্যহার অনুযায়ী ১২ কেজির সিলিন্ডারের সর্বোচ্চ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৯৯৩ টাকা, যা জুলাই মাসে ছিল ৮৯১ টাকা।
একইভাবে সাড়ে ৫ কেজি সিলিন্ডার ৪৫৫ টাকা, সাড়ে ১২ কেজি ১০৩৪ টাকা, ১৫ কেজি ১২৪১ টাকা, ১৬ কেজি ১৩২৪ টাকা, ১৮ কেজি ১৪৯০ টাকা, ২০ কেজি ১৬৫৫ টাকা, ২২ কেজি ১৮২০ টাকা, ২৫ কেজি ২০৬৮ টাকা, ৩০ কেজি ২৪৮২ টাকা, ৩৩ কেজি ২৭৩০ টাকা, ৩৫ কেজি ২৮৯৬ টাকা এবং ৪৫ কেজি ৩৭২৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিইআরসির আদেশে দেখা যায়, প্রোপেন-বিউটেনের মিশ্রণমূল্য পরিবর্তন হলেও রিটেইল চার্জ, ডিস্ট্রিবিউটর চার্জ, পরিবহন চার্জ, মূসক, মজুদকরণ চার্জ অপরিবর্তিত রয়েছে।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বাসাবাড়িতে কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত (রেটিকুলেটেড পদ্ধতি) এলপিজির দাম মূসকসহ প্রতিকেজি ৮০ টাকা ৪৩ পয়সা হয়েছে, যা জুলাই মাসে ৭১ টাকা ৯৪ পয়সা ছিল।
এছাড়া অটোগ্যাস ভোক্তা পর্যায়ে মূসকসহ প্রতি লিটার ৪৮ টাকা ৭১ পয়সা হয়েছে যা আগের মাসে ৪৪ টাকা ছিল।