এখন গ্লিসারিনের সময়

11

গ্লিসারিন, যা গ্লিসারল নামেও পরিচিত। এটি মূলত উদ্ভিজ্জ তেল বা পশুর চর্বি থেকে প্রাপ্ত প্রাকৃতিক যৌগ। এটি মিষ্টি স্বাদযুক্ত গন্ধহীন, বর্ণহীন, পরিষ্কার তরল জাতীয় পদার্থ। গ্লিসারিন হলো একটি হিউমেক্ট্যান্ট, এক ধরনের ময়েশ্চারাইজার; যা ত্বকের গভীর স্তর থেকে ত্বকের বাইরের স্তরে পানি টানে। উদ্ভিজ উৎস থেকে প্রাপ্ত এই গ্লিসারিন আরও যেসব কাজে লাগে, তার আদ্যোপান্ত নিয়ে এই ফিচার। টোনার : ১-৪ কাপ গ্লিসারিন এবং ১-২ কাপ গোলাপজল একসঙ্গে মিশিয়ে নিয়ে এই মিশ্রণ কয়েক দিন রেখে দেওয়া যায়। এতে তুলো ভিজিয়ে ত্বক পরিষ্কার করা বা স্প্রে বোতলে রেখে টোনার হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। ময়েশ্চারাইজার : গিøসারিন ত্বকের প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার। স্কিন ওয়েল বা বাদামের তেলের সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করা যায়। এ ছাড়াও একটি বাটিতে ২৫০ মিলি গ্লিসারিন নিয়ে এতে ২ টেবিল চামচ লেবুর রস মিশিয়ে বোতলে ভরে রেখে দিয়ে প্রতিদিন রাতে এই মিশ্রণ মুখে, হাতে-পায়ে লাগানো যাবে। বিছানায় যাওয়ার আগে যেন ত্বক এই মিশ্রণ পুরোপুরি শুষে নেয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। কিছুদিন ব্যবহারে ত্বকের রুক্ষতা কেটে যাবে। ত্বক হবে উজ্জ্বল এবং নরম। ক্লিনজার : গ্লিসারিন ক্লিনজিংয়ে দুর্দান্ত উপাদান। এটি ত্বকের আর্দ্রতা স্তর বজায় রাখার সময় বাহ্যিক ত্বকের স্তরের সুরক্ষায় ক্ষতি না করে তেল এবং ময়লা দূর করে। মেকআপ তুলতেও এটি দ্রুত এবং কার্যকরী সহায়ক। ফাটা ঠোঁটের যত্নে : ঠোঁট ফাটা দূর করতে রাতে ঘুমানোর আগে এবং ঘুম থেকে উঠে গ্লিসারিন ব্যবহার করতে হবে। এ ছাড়া স্ক্র‌্যাবিংয়ের জন্যগ্লিসারিন খুবই কার্যকরী। মৃত কোষ সরিয়ে ঠোঁটের রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখতে চিনির দানার সঙ্গে কয়েক ফোঁটা গ্লিসারিন মিশিয়ে কয়েক মিনিট ম্যাসাজ করলে ঠোঁট ফাটা দূর হবে, কালো দাগ কমে যাবে।