একটি অপ্রিয় খোলা চিঠি

16

অধ্যাপক আয়েশা পারভীন চৌধুরী

প্রিয়
সবাইকে সালাম জানাচ্ছি। আশা করি; সবাই ভাল আছেন। আমি আমার মতো ভালো আছি। আমার সারাটা দিন কাটে আমার পছন্দ মত। কেউ আমার পছন্দ অপছন্দের সাথে মিলিয়ে তাদের পছন্দ অপছন্দের মিল খুঁজে না। সবাই জানে; আমি আমার পছন্দটাকে যেমন সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকি তেমনি আমার অপছন্দটাকেও আমি অনেক বেশি গুরুত্ব দেই। আমি আমার মতো করে চলতে থাকি। কারো কোন সুবিধা হচ্ছে অথবা কারো কোন অসুবিধা হচ্ছে- এই বিষয়টি আমি তেমন গুরুত্ব দিই না। আমার আশে পাশের সবাই আমার পছন্দ অপছন্দকেই গুরুত্ব দিয়ে চলে। সেই সকালে ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হওয়ার চিন্তা-ভাবনা করি না। দৌড়িয়ে টেবিলে চলে আসি। আধুয়া হাত ও মুখে খেতে বসে যায়। একটু দেরী হলেই আমি কিন্তু সহজ ভাবে নেয় না। এক কাপ চা হতে ; এক গøাস পানি আনতে ও রুটি কলা বিস্কিট নিয়ে আসার জন্য দু’এক মিনিট সময় লাগে। কিন্তু আমি সেই সময়টুকুর জন্য অপেক্ষা করি না। আমি আমার প্রয়োজনকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকি। তাই আমি চিৎকার করে করে চেয়ার এবং টেবিলে চাপরাতে থাকি। মাঝে মাঝে আশেপাশের জিনিস ছুড়ে ফেলি। টেবিলে দুই একটা জিনিস থাকলে উল্টে দিই। সেই সকালে ঘরের সবাই ঘুমিয়ে থাকে। তাদের ঘুম ভেঙ্গে গেল নাকি সেই চিন্তাটুকুও আমি করি না। আমি বেশি তো কিছু চাই না। দু’একটা জিনিস দিলেই আমার হয়ে যায়। কিন্তু আমি দুই একটা জিনিসের জন্য সেই সকালে তুলকালাম কান্ড বাঁধিয়ে দিয়ে। এভাবে আমি আমার আমাকেই গুরুত্ব দিতে গিয়ে অন্য কারো সুবিধা অসুবিধা গুলো বুঝতে পারি না। আমি যদি এগুলো বুঝতে পারতাম তাহলে হয়তো এই রকম করতাম না। আমার পরিবারের সকালটা এক ধরনের বিশৃঙ্খলা দিয়ে শুরু। তারপর আস্তে আস্তে আমাকে রেডি করানো হয়। আমাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত করা হয়। আমি নিজে নিজে স্কুলে যেতে প্রস্তুত হতে পারি না। মা-বাবা অফিসে ও কলেজে যাওয়ার আগেই আমাকে নিয়ে এত বেশি ব্যস্ত থাকে নিজেদের প্রয়োজনীয় কাজগুলো ঠিক মতো করতে পারে না। অফিসে যাওয়ার আগে বাবার যেমন একটা মানসিক শান্তির দরকার মায়েরও তেমন কলেজে যাওয়ার আগে কিছুটা প্রশান্তি দরকার। কিন্তু সেই সময়টুকু আমি তাদেরকে দেই না।
আমাকে নিয়ে টানাটানি শুরু হয়। কিভাবে নাস্তা করাবে; কিভাবে চা খাওয়াবে; কিভাবে একটু পেট ভরে খাওয়াবে ইত্যাদি। সাথে আছে ; ওষুধ খাওয়ানোর ঝামেলা। আমার মুখে ওষুধ দিলে আমি ফেলে দিই। তাই আমাকে নানান উপায়ে ওষুধ খাওয়ার চেষ্টা করা হয়। কখনো চকলেট ;কখনো বাদাম ;কখনো চায়ে ভিজানো রুটির সাথে মিশিয়ে আমাকে খাওয়ানো হয়। আমি পানি দিয়ে অন্য সবার মত ওষুধ খাই না। আমার মানসিক প্রশান্তির জন্য ডাক্তার আমাকে কিছু ওষুধ দিয়েছে। সেই ছোটকাল থেকে আমি ওষুধগুলো খেয়ে আসছি। প্রতিদিন সকাল দুপুর রাতে আমাকে ওষুধ খাওয়ানো হয়। আমাকে প্রস্তুত করার ফাঁকে ফাঁকে মা নিজেই কলেজে যাওয়ার জন্য তৈরি হয়। খুব অগোছালোভাবে নিজেকে তৈরি করে। আবার কখনো নিজেও চিৎকার চেঁচামেচি করে। সংসারের কাজ দেখতে হয়। কাজের লোককে সব গুছিয়ে দিতে হয়। বাবার জন্য কিছু একটা দিতে হয়। যদিও মা আমার বাবার জন্য কোন কিছুই করতে পারে না। তবু বাবার কোন অভিযোগ নেই। কারণ আমাকে ভালো রাখায় হচ্ছে মা বাবার এক মাত্র উদ্দেশ্য। আমি যখন স্কুলে যেতে থাকি তখন আমার আপুরা ঘুমিয়ে থাকে। কারণ ওদেরকে রাতে লেখাপড়া করতে হয়। ফাঁকে ফাঁকে সারাদিন যতটুকু পড়ালেখা করা যায় ততটুকু করার চেষ্টা করে। কিন্তু ঠিকভাবে একটি মানসিক প্রশান্তি নিয়ে আমার আপুরা পড়ালেখা করতে পারে না।
মা কলেজ থেকে আসলে আমি এক মিনিটও শান্তি দিই না। ফ্রেশ হওয়ার সেই সময়টুকু পর্যন্ত মাকে আমি দিই না। ঘরে মা ঢোকার সাথে সাথে মায়ের আওয়াজ পেলেই আমি চিৎকার করা শুরু করি। হয়তো বয়স বাড়ার সাথে সাথে আমি একটু একটু চালাক হয়ে উঠছি। হয়তো আমি আমার মায়ের অস্তিত্ব বুঝতে পারি। তাই বেশ কিছু সময় ধরে মাকে না পাওয়ার যে কষ্টটা সেটার জন্য আমি মায়ের কাছে গিয়ে চিৎকার চেঁচামেচি করি। আর আমার প্রকাশের ভঙ্গি কিন্তু সম্পূর্ণ আলাদা। আমি মায়ের হাত ধরে; কাপড় টেনে; ঢাক্কা দিতে দিতে ডাইনিং টেবিলে নিয়ে আসি। ডাইনিং টেবিলে খাবার আনার সময়টুকু পর্যন্ত আমি মাকে দিই না। মা আমার হাত ধরে টেনে চেয়ারে বসে থাকে। অন্যরা একটার পর একটা জিনিস আনতে থাকে। তারপর আস্তে আস্তে টেবিলে খাবার দেওয়ার পরে মা নিজেও খায়। এভাবে প্রায় আছরের সময় গড়িয়ে মাগরিবের সময় পর্যন্ত ব্যস্ত থাকে। মা তার নামাজটা পর্যন্ত সময় মতো করতে পারে না। খাবার পর কিছুটা সময় আমি শান্ত থাকি। এরপর মা আমার ফ্রেশ হয়ে লুকিয়ে শুয়ে থাকে। একটু বিশ্রাম নেয়। মাগরিবের আগে আস্তে আস্তে উঠে। আসরের নামাজের সময় প্রায় গড়িয়ে যায়। তবুও নামাজটা পড়ার চেষ্টা করে। কিন্তু আমি মায়ের শব্দ শুনলেই তখন আবার চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করি। মা তখন অজু করার খুব চেষ্টা করে। নামাজ পড়ার চেষ্টা করে। আমাকে অনেক কিছু দিয়ে শান্ত করার চেষ্টা করে। কিন্তু আমার পছন্দকে গুরুত্ব দিতে আমি চিৎকার চেঁচামেচি করতে থাকি। মাঝে মাঝে আমাকে বকাও দেয়।
আমি হওয়ার পর থেকে আপুরা তাদের মতোই নিজেদের জীবনকে সাজিয়েছে। আপুদের অবশ্য কোন অভিযোগ নেই। কারণ আপুরা জানে; পরিবারের পরিবেশ আমার নির্ভর করে। আমি যদি মাকে শান্তিতে রাখতে পারি তাহলে আপুরা একটা প্রশান্তি পায়। মাঝে মাঝে খুব দুষ্টুমি করে আমাকে নিয়ে। আপুদের সব চিৎকার চেঁচামেচি গল্প আমাকে নিয়েই সাজানো। তাই পড়ার ফাঁকে ফাঁকে ওরাও মাঝেমাঝে এসে আমাকে নিয়ে আনন্দ করে। আমি মায়ের পাশেই থাকি সব সময়। আমি দুষ্টামি বুঝি না। তবে আপুরা যখন হাসে তখন আমি একটু হাসি। আমার এই হাসিটুক আপুদেরকে কতটুকু আনন্দ দেয় কেউ বুঝতে পারবে না। আমি যখন সারাক্ষণ মায়ের পাশে বসে থাকি মা বার বার আমার দিকে তাকায়। আমার মনের অবস্থা কেউই ভেদ করতে পারে না। মায়ের খুব জানার ইচ্ছা থাকে- আমি কি ভাবছি ;কি চিন্তা করছি ইত্যাদি বিষয়গুলো। তবে আমি যখন চিৎকার করি তখন বুঝতে পারে আমার কিছু প্রয়োজন আছে। তখন মা ছোটাছুটি করতে থাকে।আমাকে নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। আবার আমি যখন শান্ত থাকি তখন মনে হয় পৃথিবীর সব সুখ শান্তি আমাদের এই ঘরেই আছে।
মাগরিবের একটু পরপর আমি আবার চিৎকার চেঁচামেচি করতে থাকি। আমি মুখে প্রকাশ করি না। কিন্তু আমার সবকিছুই আমার মা আপু বাবা সবাই জানে। তাই তাড়াহুড়া আমার সামনে সব কিছু আনার চেষ্টা করে। মাকে আমি হাতে এত ব্যথা দিই। যে হাতে মা আমাকে বারবার জড়িয়ে ধরে সে হাতেই শুধু ব্যথা দিই। আরেক হাতে মা আমাকে খাওয়ানোর চেষ্টা করে। এরপর আবার আমি আমার মত থাকি। খুব শান্ত একটা ছেলে আমি।
খুব আদর সোনার লক্ষী ছেলে। কিন্তু স্বাভাবিক ভাবে দুই একটা ঘন্টা পর পর আমি দৌড়ে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় লাফাতে থাকি। খাটের উপরে মাছের মত লাফাতে থাকি। একসময় খাট থেকে পরে যায়। ঘরের ফার্নিচার গুলোতে গিয়ে ধুমধাম মারি। আমি হয়তো ব্যথা পাই। আমি ব্যথা না পেলে এভাবে কান্না করব কেন? আমার শরীর লাল লাল হয়ে যায়। ফুলে যায়। মাথায় মা বারবার আদর করতে থাকে। আমার মাথার ফুলা জায়গাটাতে হাত দিয়ে বসে থাকে। মা আমাকে আদর করতে থাকে। চোখ ছল ছল করতে থাকে। মার বুক ফেটে কান্না আসে। মা চিৎকার করে কাঁদতে চায় কিন্তু মা কান্না করে না। মার চোখের পানি আর মুখের হাসি এক হয়ে যায়। মা কখনো গান বলে। মা কখনো কবিতা বলে। মা কখনো জোরে জোরে হাসে। আমার সব দুঃখ কষ্ট আনন্দ বেদনা কান্নাকাটিতে প্রকাশ পায়।
মাগরিবের পর পর বাবা যখন অফিস থেকে ফিরে তখন বাবার উৎসুক চোখটা মায়ের দিকে থাকে। বাবা ঘরে ঢুকতে ঢুকতে ঘরের পরিবেশ বুঝার চেষ্টা করে। আমাদের ঘরের পরিবেশটা আমার উপরে নির্ভর করে। আমার দিকে তাকিয়ে থাকে। দুষ্টুমি করতে থাকে। আমি বাবার দুষ্টুমি না বুঝলেও বাবার হাসি কিছুটা বুঝি। ঘরের অবস্থা দেখে বাবা বেশ বুঝতে পারে সারাদিন কি কি ঘটেছে। তবুও কিছু বলে না। কারন আমাকে সুস্থ দেখলেই বাবার মনটা ভালো লাগে। শান্ত থাকতে দেখলে ও মাকে একটু হাসতে দেখলে বাবাও খুব নিশ্চিন্ত হয়। বাবা যতক্ষণ অফিসে থাকে ব্যস্ত থাকে। এত এত ব্যস্ততার মাঝে আমার কথা মনে পড়ে। মাঝে মাঝে ফোন করে আপুদের কথা জানতে চায়। এই জানতে চাওয়ার কারণ হচ্ছে আমি কেমন আছি। আমি কি করছি। আমি শান্ত হয়ে বসে আছি নাকি। সেই আমি কখনো কখনো আমার মত করে সব কিছুই উলটপালট করে ফেলছি। আমার পরিবারের সবাই আমাকে সামলিয়ে যতটুকু পারে ততটুকু ভালো থাকার চেষ্টা করে। দিনশেষে রাতে যখন ঘুমানোর সময় হয় তখন আমি এক বিছানা থেকে অন্য বিছানায় ছুটাছুটি করি। আমি যখন ঘুমিয়ে যাই কোন একটা বিছানাতে তখন হয় বাবা না হয় মা আমাকে ঘুমের মধ্যে জড়িয়ে ধরে। আমার মাথার নিচে বালিশ দেয়। আমার কাপড় ঠিক করে দেয়।আর যদি আপুদের বিছনায় ঘুমিয়ে পড়ি তাহলে আপুরা ভাগি করে আমার সাথে থাকে। যতক্ষণ আমি ঘুমিয়ে থাকি ততক্ষণ আমার ঘরে কোন চিৎকার চেঁচামেচি নাই। তখন সবাই যে যার মত নিজেদের কাজগুলো সেরে ফেলে। আমার সবকিছুই ওদের আনন্দের উৎস। আমাকে শান্ত রাখার জন্য মাঝেমাঝে ওষুধের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। আমি মাঝে মাঝে খুব শান্ত হয়ে যায়। কোন শব্দ নেই; কান্না নেই; কোন চিৎকার চেঁচামচি নাই। আমি যে একজন বাসায় আছি তার কোন উপস্থিতি বোঝা যায় না। তখন আবার সবাই একটা চিন্তায় থাকে। কারণ আমার নিস্তব্ধ নীরবতা সম্পূর্ণ একটি অস্বাভাবিক পরিবেশ। তখন আবার বাসার সবার মনটা খারাপ হয়ে যায়। কারণ এটা আমার স্বাভাবিক স্বভাব নয়। হয়তো মেনে নিতে বাধ্য হয়েছে। কোন মেহমান আসলেও আমি এই একই অবস্থায় থাকি। আমার কারণে আমাদের ঘর সব সময় অগোছালো থাকে। অবশ্যই এতে আমার মা-বাবা আপুদের কোন দুঃখ নেই। কষ্ট নেই। এটাই আমাদের স্বাভাবিক জীবন।
আমাকে মাঝে মাঝে বেড়াতে নিয়ে যায়। গাড়ি করে আমি ঘুরতে খুব পছন্দ করি। গাড়ির মধ্যে আমি আমার মায়ের হাতটা ধরে থাকি। আমি যে গাড়িতে চড়ছি এটা আমি বুঝতে পারি। আমার আনন্দটা আমার হাসিতে প্রকাশ পায়। মা আমার আনন্দটাকে আরও বেশি বাড়িয়ে তোলার জন্য কত ধরনের গান কবিতা বলতেই থাকে। মাঝে মাঝে মোবাইল থেকেও সুন্দর সুন্দর গান ছাড়ে। আমি পাখির ডানার মতো হাত ঝাপটাতে থাকি। যখন একটু বেশ ছোট ছিলাম তখন অন্য বাসায় বেড়াতে যেতাম। দু-একটা বাসায় বেড়াতে যেতাম। আমার অভ্যাসের কারণে আমাকে সব খানে নিয়ে যেতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে না। আগে আমি বিয়ে বাড়িতে বেড়াতে যেতাম। অনুষ্ঠানে আয়োজনেও যেতাম। ওখানে আমাকে আপুরা ও মা বাবা ভাগাভাগি করে রাখতো। এখন আর যাই না। তাই আমার বেড়ানোর সীমাবদ্ধতা আছে। মা আমার আনন্দের জন্য দিনের পর দিন ঘন্টার পর ঘন্টা গাড়ি করে ঘুরে বেড়ায়। আমার পৃথিবীটা ওই গাড়ি থেকে যতটুকু দেখা যায় ততটুকুতেই সীমাবদ্ধ। আমার পৃথিবীটা বারান্দা ও জানালার ফাঁক দিয়ে যতটুকু দেখা যায় এতোটুকুই সীমাবদ্ধ।এই সীমাবদ্ধতায় আমি বাবার হাত ধরে রাস্তায় হাঁটি। ঘুরে বেড়ায়। আমার এই অস্বাভাবিক জীবনটা মা বাবা ও আপুদের আদর ও ভালোবাসায় পরিপূর্ণ। এভাবে ভালো থাকার চেষ্টা গুলো বাহির থেকে কেউ বোঝে না। বোঝাও কখনো সম্ভব না। পৃথিবীর অষ্টম আশ্চর্য হয়তো আমার মত বাচ্চাদের পরিবার। আমার মা বাবা ও আপুরা হয়তো অন্য সবার মত স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারছে না। তবুও তারা আমাকে নিয়ে খুব খুশি। তারা তাদের জীবনকে নিজেদের মতো সাজিয়ে নিচ্ছে। বাবা নিয়মিত অফিসে যাচ্ছে। মা কলেজে যাচ্ছে। আপুরাও তাদের লেখাপড়া নিয়ে সামনে এগোচ্ছে। এই আমি হয়তো তাদের জীবনের প্রেরণার উৎস। শত শত কষ্টের মাঝেও আমি যেন তাদেরকে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে অনুপ্রেরণা জাগাই। আমি যেন আমাদের পরিবারের চালিকাশক্তি। সবাই ভাল থাকবেন। দোয়া করবেন।
প্রিয় আমি

লেখক : কলামিস্ট ও প্রাবন্ধিক
ডা. ফজলুল-হাজেরা ডিগ্রি কলেজ, চট্টগ্রাম।