ইউনেস্কোর ঐতিহ্যের তালিকায় ‘থাই মাসাজ’

29

বিশ্বের বিভিন্ন স্থাপনা, ঐতিহাসিক স্থান ও বিভিন্ন বিষয়কে বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে ঘোষণা করে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো। তারই ধারাবাহিকতায় এবার ‘থাই মাসাজ নুয়াদ থাই’ এর নাম ঐতিহ্যের তালিকায় তুলতে যাচ্ছে ইউনেস্কো। সব ঠিক থাকলে চলতি মাসেই ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পেতে চলেছে এই থাই মাসাজ পদ্ধতি। কোলোম্বিয়ার রাজধানী বোগোতাতে অনুষ্ঠিত হয়েছে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সুরক্ষিত রাখা বিষয়ক কমিটির বৈঠক। সেখানে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
১৪ ডিসেম্বরের মধ্যেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেওয়া হবে। থাইল্যান্ডের ইতিহাসের সঙ্গে ‘নুয়াদ থাই মাসাজ’ প্রায় দুই হাজার বছর ধরে জড়িত। তবে ১৯৬২ সালে রিক্লাইনিং বুদ্ধা স্কুল এর কল্যাণে সাধারণ মানুষ এই মাসাজ সম্পর্কে জানতে পারেন। ওয়াট ফো মন্দিরের ভিতরে অবস্থিত রিক্লাইনিং বুদ্ধা স্কুল এখনও পর্যন্ত প্রায় ২ লাখ শিক্ষার্থীকে এই মাসাজ পদ্ধতি শিখিয়েছে, যারা বর্তমানে বিশ্বের ১৪৫টি দেশে ছড়িয়ে রয়েছেন। এই বিশেষ ধরনের মাসাজে ডিপ স্ট্রেচিং এবং বডি ট্যুইস্টিং করা হয় বুড়ো আঙুল, কনুই, হাঁটু ও পায়ের সাহায্যে। শরীরের বিভিন্ন আকুপাংচার পয়েন্টে চাপ দেওয়া হয় যাতে শরীরে রক্ত সঞ্চালন উন্নত হয়। পেশির যন্ত্রণা সারাতেও উপকারি এই মাসাজ। সংবাদসংস্থা এএফপিকে দেওয়া সাক্ষাত্কারে রিক্লাইনিং বুদ্ধা স্কুলের ডিরেক্টর প্রীদা তাংত্রোংচিত্র জানিয়েছেন, ‘থাইল্যান্ডে চাকরি খুঁজে মানুষ হয়রান। তাদের জন্যে এই চাকরি খুবই উপযোগী কারণ এখানে নিজের হাত এবং শিক্ষা ছাড়া আর কিছুরই প্রয়োজন পড়ে না।’