আসামি ভয়ংকর!

31

লোহাগাড়া প্রতিনিধি

লোহাগাড়ায় আসামির ধারালো দায়ের কোপে জনি খান নামে এক পুলিশ কনস্টেবলের হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এ সময় আরেক পুলিশ সদস্যও আহত হয়েছেন। গতকাল রবিবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার পদুয়া ইউনিয়নের লালারখিল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর পালিয়ে যান আসামি। তার নাম কবির আহমদ (৩৫) বলে জানা গেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, লোহাগাড়ার পদুয়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর লালারখিল এলাকায় আসামি কবিরকে ধরতে গেলে আহত হন কনস্টেবল জনি খান। গুরুতর আহত অবস্থায় কনস্টেবল জনিকে প্রথমে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় র‌্যাবের একটি হেলিকপ্টারে করে তাকে ঢাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রেরণ করা হয়।
কবির আহমদ পদুয়া ইউনিয়নের লালারখিল এলাকার মৃত আলী হোসেনের পুত্র। তিনি এলাকায় বেপরোয়া ও দুর্ধর্ষ হিসেবে পরিচিত। নানা অপরাধে জড়িত তিনি। গতকাল রবিবার নিয়মিত মামলায় তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালায় পুলিশের একটি টিম। লোহাগাড়া থানার এসআই ভক্ত চন্দ্র দত্ত, এএসআই মজিবুর রহমান, কনস্টেবল জনি খান ও শাহাদাত হোসেন অভিযানে অংশ নেন।
পুলিশ বাড়িতে ঢুকে কবিরকে ধরতে গেলে তিনি কনস্টেবল জনির বাম হাতে ধারাল দা দিয়ে কোপ দেন। এতে জনির বাম হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এছাড়া শাহাদাতও আহত হয়েছেন। একই সঙ্গে মামলার বাদী আবুল হোসেনকেও কুপিয়ে আহত করা হয়।
লোহাগাড়া থানার ওসি আতিকুর রহমান বলেন, কবিরকে ধরতে বিভিন্নস্থানে অভিযান চলছে। আশা করছি, তাকে দ্রত আইনের আওতায় আনতে পারব। সার্বিক বিষয় চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপারকে লিখিতভাবে জানিয়েছি।
জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাতকানিয়া সার্কেল) মো. শিবলী নোমান বলেন, গত ২৪ মার্চ লালারখিল গ্রামে দু’পক্ষের সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় একটি মামলা হয়। সেই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ছিলেন কবির।
শিবলী নোমান আরও জানান, জনিকে প্রথমে লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেখান থেকে গতকাল বিকেলে উন্নত চিকিৎসার জন্য হেলিকপ্টারে করে নেয়া হয় ঢাকায়।