আনন্দে কেঁদেছেন জ্যোতি-সালমারা

4

 

অবশেষে স্বপ্ন সত্যি হলো। প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ খেলতে যাবে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। ছেলেরা ১৯৯৯ সালে প্রথম বিশ্বকাপ খেললেও মেয়েরা গত কয়েক বছর ধরে বাছাইপর্বের বাধাই পার হতে পারছিল না। অবশেষে মেয়েদের আগামী বছর নিউজিল্যান্ডে অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্ন পূরণ হয়েছে।
জিম্বাবুয়েতে বাছাইপর্ব খেলতে থাকা বাংলাদেশের নারী দল স্বপ্ন পূরণের খবরটি পায় বাংলাদেশ সময় বিকাল সাড়ে পাঁচটায়। সেই খবর শুনে জ্যোতি-রুমানারা আনন্দে কেঁদে ফেলেছিলেন। কেউ কেউতো নাওয়া-খাওয়া ভুলে আনন্দ নৃত্যেই মশগুল থেকেছেন। যারা কোনও দিন ওয়ানডে বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পায়নি। তাদের আনন্দ-উচ্ছাসের ধরণ তো এমন হওয়াই স্বাভাবিক।
জ্যোতিদের সাফল্যে খুশিতে আত্মহারা বিসিব সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন থেকে শুরু করে উইমেন্স উইংয়ের চেয়ারম্যান শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল ও টেকনিক্যাল ডিরেক্টর খালেদ মাহমুদ সুজনও। তারা ফোন দিয়ে নারী দলকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
জিম্বাবুয়েতে চলছিল বাছাইপর্ব। কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকায় শনাক্ত হওয়া করোনার ‘ওমিক্রন’ বি.১.১.৫২৯ নামের ভ্যারিয়েন্টের বিস্তার বেড়ে যাওয়াতে আইসিসি বাছাইপর্ব নিয়ে চিন্তায় ছিল।
এমনকি দুবাইতে বাছাইপর্ব স্থানান্তরের পরিকল্পনাও ছিল। শেষ পর্যন্ত বাছাইপর্ব বাতিল করে র‌্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে তিন দলকে বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বে জায়গা করে দিয়েছে। তবে জ্যোতি জানান বাছাইপর্ব হলেও তারা বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ পেতেন।