আনন্দঘন পরিবেশে চিটাগাং সিনিয়রস ক্লাবের পিঠা উৎসব

50

পিঠা আবহমান বাঙালির গ্রামীণ জীবনের মধুর অনুষঙ্গ। এই পিঠা পুলির জগত আমাদের বাঙালির গ্রামীণ সংস্কৃতিকে করেছে সব সময় সমৃদ্ধ। এই পিঠা উৎসব তথা উচ্ছ্বাস আমাদের বাঙালি ঐতিহ্য সব সময় উজ্জ্বল করে তুলে ধরেছে। পিঠার তেমনি মধুর প্রণোদনা নিয়ে চিটাগাং সিনিয়রস্’ ক্লাব লিমিটেড এর উদ্যোগে জমজমাট আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো চিটাগাং সিনিয়রস্’ ক্লাব লিমিটেড এর পিঠা উৎসব ২০১৯। গতকাল সকালে ক্লাব সদস্যদের সহধর্মিণীদের মজাদার পিঠা প্রদর্শনীর সৌরভ মৌতাতে ভরে উঠে সিনিয়রস্’ ক্লাবের নান্দিক সাজে সজ্জিত ইউসিবি অডিটোরিয়াম হল।
এতে সভাপতিত্ব করেন চিটাগাং সিনিয়রস্’ ক্লাব লিমিটেড এর প্রেসিডেন্ট ডা. সেলিম আকতার চৌধুরী। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পিঠা উৎসব উদ্বোধন করেন মেজর জেনারেল এস.এম. মতিউর রহমান এএফডাবিøউসি, পিএসসি, জিওসি, ২৪ ইনফ্রেনট্রি ডিভিশন অ্যান্ড এরিয়া কমান্ডার, চট্টগ্রাম এরিয়া, চট্টগ্রাম। পরে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিবৃন্দ বেলুন উড়িয়ে এবং ফিতা কেটে পিঠা উৎসবের শুভ সূচনা করেন। প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে সিনিয়রস’ ক্লাবের এই চমৎকার উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং পিঠা উৎসবের সফলতা কামনা করেন।
অনুষ্ঠানের প্রারম্ভে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ডা. সরফরাজ খান চৌধুরী। অনুভূতি ব্যক্ত করেন তারিকুল ইসলাম খান, বদরুর রহিম চৌধুরী (আলম), প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট এড. রফিকুল আনোয়ার চৌধুরী, প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট এম.এ. মালেক। এই উৎসবে পিঠা-পুলির দশটি স্টলের মনোহরী পিঠা ও ঝকমকে পরিবেশনা উপস্থিত সুধী দর্শনাথীদের মুগ্ধ করে। স্টলগুলো হলো কর্ণফুলী (সেতারা বেগম), হালদা (সেতারা বেগম), শঙ্খ (মাহ্নুর তাসমিন), মাতামুহুরী (জান্নাতুল ফেরদৌস খানম), ইছামতি (আশরাফুননেছা), পদ্মা (আশরাফুননেছা), মেঘনা (ফারজানা আলম) , যমুনা (জেবুননেসা বেগম), তিতাস (মর্তুজা বেগম (জেকী)), সুরমা (নিবেদিতা বড়–য়া) এবং ক্লাবের ম্যানেজিং কমিটির পক্ষে মোয়া মুড়ির স্টল। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভাইস-প্রেসিডেন্ট বেলায়েত হোসেন, ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য মোহাম্মদ আব্বাস, মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, গোপাল কৃষ্ণ লালা এবং ওয়ালিউল আবেদীন সাকিল। সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ক্যাপ্টেন সাফায়েত আহম্মদ খান, গোলাম মোস্তফা কাঞ্চন, এম.আর. দে (এফসিএ), রূপম কিশোর বড়–য়া, পরিমল কান্তি চৌধুরী, নোয়েল জি ম্যান্ডিস, জিয়া উদ্দিন আহম্মদ, ছগির চৌধুরী, শাহ্্ আলম, জাহেদুল হক, খালেদ মাহমুদ, এনামুল গণি চৌধুরী, ইঞ্জিনিয়ার রশিদ আহম্মদ চৌধুরী, প্রফেসর জাহাঙ্গীর চৌধুরী, শামসুল আলম চৌধুরী, এনামুল হক ইকবাল, জসিম উদ্দিন আহম্মদ, সালেহ আহম্মদ, শেখ মো. ইয়াকুব, জাহাঙ্গীর আলম, ডা. ভাগ্যধন বড়–য়া, সিরাজুল ইসলাম, জাহেদুল ইসলাম মিরাজ, শওকত আলী চৌধুরী মামুন, আজিজুর রহমান, এস.এম. আল মামুন, সৌরিন দত্ত, ডা.ললিত কুমার দত্ত, এডভোকেট মনতোষ বড়–য়া, অশেষ কুমার উকিল, আকতার আহম্মদ চৌধুরী, জসিম উদ্দিন চৌধুরী, সালাউদ্দিন আহম্মদ, ডা. শেখ শফিউল আজম, সাইফুল আলম চৌধুরী, মো.এয়াকুব চৌধুরী, ফজলুল করিম ভূঁঞা (টিপু) লিয়াকত আলী খান, ডা. শ্রী প্রকাশ বিশ্বাস, সামিয়া সেলিম, এম.এ. তাহের, মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান, ও অন্যান্য সদস্য ও পরিবারবর্গবৃন্দ। অতিথির মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মিসেস হাসিনা মহিউদ্দিন, মেজর (অব.) এমদাদুল ইসলাম প্রমুখ। এই পিঠা উৎসবে সম্মানিত বিচারকদের বিচারে প্রথম হয়েছেন সেতারা বেগম (কর্ণফুলী), দ্বিতীয় হয়েছেন আশরাফুননেছা (ইছামতি) এবং তৃতীয় হয়েছেন মাহ্নুর তাসমিন (শঙ্খ)। পিঠা উৎসবে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন জিয়াউদ্দিন আহম্মদ, রেহেনা আলম খান ও আবিদা মোস্তফা। শিল্পীদের মনোজ্ঞ সঙ্গীত পরিবেশনা উপস্থিত সুধীজনদের বিমোহিত করে তোলে।