আক্রান্ত ১৪ বিচারক, বিচারিক কার্যক্রমে মারাত্মক ব্যাঘাত

18

নিজস্ব প্রতিবেদক

সারাদেশে করোনার মারাত্মক ছোবলের মধ্যে চট্টগ্রামে আক্রান্ত হলেন ১৪ বিচারক। এর আগে গত ১১ জানুয়ারি আরও তিন বিচারক আক্রান্ত হওয়ার তথ্য প্রকাশিত হয়। বর্তমানে সর্বসাকুল্যে থাকা ৫৫ বিচারকের মধ্যে আক্রান্তের এ সংখ্যাকে উদ্বেগজনক বললেন সংশ্লিষ্টরা। এতে আদালতে বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনায় মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটছে। মামলা জট আরও বাড়ছে।
চট্টগ্রামে আক্রান্ত বিচারকদের মধ্যে রয়েছেন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক বেগম ফেরদৌস আরা, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. সরোয়ার আলম, সিনিয়র সহকারী জজ, তৃতীয় আদালতের বিচারক বেগম মোছা. রেশমা খাতুন, জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফারদিন মোস্তাকিম তাসিন, অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বেগম মোছা. ফরিদা ইয়াছমিন, যুগ্ম-জেলা জজ বেগম নুসরাত জাহান, সিনিয়র সহকারী জজ বেগম রাজিয়া সুলতানা, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ বেলাল হোছাইন, মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাদ্দাম হোসেন ও অলি উল্লাহ, জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মো. জোনাইদ, সহকারী জজ মো. মোস্তফা, শরীফুল হক ও অতিরিক্ত সিনিয়র সহকারী জজ বেগম নিশাত সুলতানা। উল্লেখিতদের মধ্যে মো. সাদ্দাম হোসেন এ নিয়ে পরপর তিনবার আক্রান্ত হয়েছেন করোনায়।
এর আগে চট্টগ্রাম জেলা ও দায়রা জজ মো. ইসমাইল হোসেন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মাইন উদ্দিন এবং দ্বিতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ সরোয়ার আলম করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবর প্রকাশিত হয় গত ১১ জানুয়ারি।
করোনা সংক্রান্ত কমিটির সমন্বয়কারী চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্টেট বেগম কামরুন নাহার রুমি। ওই আদালতের নাজির মোহাম্মদ আবু তাহের জানান, চট্টগ্রামে উল্লেখিত সংখ্যক বিচারক মহোদয় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। বিচারিক কার্যক্রমে অংশ নিতে সকলকে সতর্ক থাকার জন্য আদালতের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে বিভিন্নভাবে। এক্ষেত্রে আমরা মাইকিং ও ডিজিটাল ডিসপ্লেও ব্যবহার করছি।
এ বিষয়ে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারী মোহাম্মদ মোরশেদ জানান, একেরপর এক বিচারক মহোদয়রা করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন। সেইসাথে উনাদের পরিবারের সদস্যরাও আক্রান্ত হচ্ছেন। এ কারণে ব্যাঘাত ঘটছে বিচারিক কার্যক্রমে।