আকাশসীমা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতার খবর প্রত্যাখ্যান পাকিস্তানের

2

আকাশসীমা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যে কোনও ধরনের আনুষ্ঠানিক সমঝোতার খবর প্রত্যাখ্যান করেছে পাকিস্তান। শনিবার পাকিস্তান সরকারের এক বিবৃতিতে এ বিষয়ে ইসলামাবাদের অবস্থান স্পষ্ট করা হয়। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আফগানিস্তানে সামরিক ও গোয়েন্দা অভিযান পরিচালনার জন্য পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহার করতে ওয়াশিংটনের সঙ্গে ইসলামাবাদের আনুষ্ঠানিক কোনও চুক্তি হয়নি।
শনিবার সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, আফগানিস্তানে অভিযান পরিচালনায় পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহার করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। এজন্য বাইডেন প্রশাসন ইসলামাবাদের সঙ্গে একটি চুক্তি করতে চাইছে। এই বিষয়ে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের জন্য পাকিস্তানও তাদের আগ্রহের কথা জানিয়েছে। শুক্রবার সকালে কংগ্রেস সদস্যদের ব্রিফিংয়ে এমন বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে বাইডেন প্রশাসনের পক্ষ থেকে। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত তিনটি সূত্র সিএনএনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সিএনএন-এর ওই প্রতিবেদন প্রকাশের পরই এ ব্যাপারে নিজ দেশের অবস্থান স্পষ্ট করে পাকিস্তান।
চলমান গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের অংশ হিসেবে মার্কিন সেনাবাহিনী পাকিস্তানের আকাশসীমা দিয়ে আফগানিস্তানে পৌঁছায়। কিন্তু এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনও চুক্তি নেই। আফগানিস্তানে পৌঁছানোর জন্য পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহার করা গুরুত্বপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্র যদি কাবুল থেকে অবশিষ্ট মার্কিন নাগরিকদের প্রত্যাহার শুরু করে তাহলে এই এয়ার করিডোর আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। আনুষ্ঠানিক চুক্তি না থাকায় আফগানিস্তান যেতে পাকিস্তানের আকাশসীমায় প্রবেশে প্রত্যাখ্যাত হওয়ার ঝুঁকি থাকে মার্কিন সেনাবাহিনীর।
পেন্টাগনের একজন মুখপাত্র জানান, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণলায় রুদ্ধদ্বার ব্রিফিংয়ের বিষয়ে মন্তব্য করে না। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এমন কোনও সমঝোতার বিষয় নেই। আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও সন্ত্রাস দমনে উভয় দেশের দীর্ঘ দিনের সহযোগিতার সম্পর্ক রয়েছে এবং দুই পক্ষই নিয়মিত পরস্পরের পরামর্শ নিয়ে থাকে।