অবহিতকরণ সভায় বক্তারা জন্মের পর শিশুর জন্য মায়ের দুধের কোন বিকল্প নেই

8

জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের জাতীয় পুষ্টি সেবার আয়োজনে মাতৃদুগ্ধ বিকল্প আইন ২০১৩ ও এর বিধিমালা ২০১৭, মায়ের দুধের উপকারিতা ও গুঁড়ো দুধের অপকারিতা বিষয়ক অবহিতকরণ সভা ২১ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টায় নগরীর লয়েল রোডস্থ বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. মো. সাখাওয়াত উল্লাহর সভাপতিত্বে ও জাতীয় পুষ্টি সেবার ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার ডা. নন্দলাল সূত্রধরের সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (বিশ্ব স্বাস্থ্য অনুবিভাগ) কাজী জেবুন্নেসা বেগম। বক্তব্য দেন উপসচিব মো. সাদেকুল ইসলাম, চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম আহসান, কুমেক হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. মহিউদ্দিন, চমেক হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. অং সুই প্রু মার্মা ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি ডা. ফারিয়া শবনম। চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক কার্যালয়ের সহযোগিতায় অবহিতকরণ সভা আয়োজন করা হয়।
সভায় বক্তারা বলেন, জন্মের পর পর পরিপূর্ণ সুস্থ সবল শিশুর জন্য মায়ের দুধের বিকল্প নেই। জন্মের সাথে সাথে মায়ের শাল দুধই শিশুর প্রথম টিকা ও খাবার। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন সংক্রামক থেকে শিশুকে রক্ষা করে। সন্তান ভূমিষ্ট হওয়ার পর শাল দুধ খাওয়ালে মায়ের রক্তক্ষরণ কম হয় ও গর্ভফুল পড়তে সাহায্য করে। ফলে মা রক্তস্বল্পতা থেকে রক্ষা পায়। শিশুকে সম্পূর্ণ সুস্থ রাখতে হলে জন্মের পর পর প্রথম ৬ মাস অবশ্যই বুকের দুধ দিতে হবে। এরপর দুই বছর পর্যন্ত বুকের দুধ খাওয়ানোর পাশাপাশি ঘরে তৈরি শিশুর উপযোগী তরল সুষম ও পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার দিতে হবে। তাহলে শারীরিক-মানসিক বিকাশ সাধনসহ শিশুটি বুদ্ধিমান হবে। সন্তান প্রসবের পর কোন মা মারা গেলে শুধুমাত্র ঐ শিশুকে অন্য মায়ের দুধ খাওয়ানোর চেষ্টা করতে হবে বা রেজিষ্ট্রার্ড শিশু চিকিৎসকেরা তাদের ব্যবস্থাপত্রে কারণ উল্লেখ করে বিকল্প হিসেবে ভালোমানের গুঁড়ো দুধ দিতে পারবেন। সভায় স্বাস্থ্য বিভাগের বিভিন্ন স্তরে কর্মরত কর্মকর্তা, নার্স, শিক্ষা অফিস, তথ্য অফিস, এনজিও, ওষুধ প্রশাসন ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। বিজ্ঞপ্তি