16

গ্রুপ থিয়েটার ঐক্য পরিষদ-চট্টগ্রামের আয়োজনে পাঁচ দিনব্যাপী ‘স্মৃতি সত্তায় ভাঙা গড়ার নাট্য উৎসব ২০১৮’ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠান গতকাল বুধবার বিকেল ৫টায় নগরীর স্টুডিও থিয়েটার মঞ্চে অনুষ্ঠিত হয়। মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্বালন ও ‘আগুনের পরশমণি ছোঁয়াও প্রাণে’ কোরিওগ্রাফির মাধ্যমে কর্মসূচির শুভ সূচনা করেন শ্লোগান সাংস্কৃতিক স্কোয়ার্ড। বিকাল সাড়ে ৫টায় নাট্য উৎসবের আহবায়ক নাট্যজন শেখ শওকত ইকবাল চৌধুরীর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী আলোচনা সভায় উদ্বোধক ছিলেন প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. অনুপম সেন। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ গ্রæপ থিয়েটার ফেডারেশনের সেক্রেটারী জেনারেল কামাল বায়েজিদ। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ গ্রæপ থিয়েটার ফেডারেশনের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সভাপতিমÐলীর সদস্য নাট্যজন মোসলেম উদ্দিন সিকদার লিটন। উৎসব উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব সুচরিত চৌধুরী টিংকুর সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন নাট্যজন শাহ তামরাজ উল আলম ও লালন দাশ।
উদ্বোধক ড.অনুপম সেন বলেন, মুসলিম হলকে চট্টগ্রামের নাট্য ও সাংস্কৃতিক কর্মকাÐের চারণক্ষেত্র বলে অভিহিত করলে তিলমাত্র অত্যুক্তি হবে না। দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রামের নাট্যকর্মীরা এই হলের সংস্কার দাবি করে এলেও তা পরিপূরণে ষোল আনা উদ্যোগ কার্যকর হয়নি। অতঃপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এখানে বহুতল ভবন সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্স তৈরির সিদ্ধান্ত গ্রহণপূর্বক জরুরি নির্দেশনা দিয়েছেন।
প্রধান অতিথি লিয়াকত আলী লাকী বলেন, বহু ইতিহাস সমৃদ্ধ কালের সাক্ষী চট্টগ্রামের মুসলিম হল। এখানকার ইট-পাথরে, মলিন পর্দায়, ধূলো-বালিতে মিশে আছে অনেক স্মৃতি। মিশে আছে বহু গুণীজনের পদধূলি, শিল্পী-নাট্যকর্মীর সুর মূর্ছনা আর সংলাপের মায়া-উৎকর্ষ। সভা শেষে কাজী নজরুল ইসলামের গল্প অবলম্বনে চট্টল থিয়েটারের প্রযোজনায় শেখ শওকত ইকবাল চৌধুরী নির্দেশিত নাটক ‘রাক্ষসী’ মঞ্চস্থ হয়। খবর বিজ্ঞপ্তির