৮ নভেম্বর মুক্তি পাচ্ছে জয়া’র ‘কণ্ঠ’

7

দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসনা অভিনীত সিনেমা ‘কণ্ঠ’। ভারতীয় বাংলা এই সিনেমাটি চলতি বছরের ১০ মে কলকাতায় মুক্তি পায়। দর্শকমহলে প্রশংসিত হওয়ার পাশাপাশি বেশ ব্যবসাসফলও হয় সিনেমাটি। এটি প্রযোজনা করেছে ভারতের উইন্ডোজ প্রোডাকশন হাউজ। শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায ও নন্দিতা রায় জুটির পরিচালনায় ‘কণ্ঠ’ বাংলাদেশে মুক্তি পাচ্ছে বলে আগামী ৮ নভেম্বর। সাফটা চুক্তির আওতায় সিনেমাটি বাংলাদেশে প্রেক্ষাগৃহে দেখা যাবে। ইমপ্রেস টেলিফিল্মের তত্ত¡াবধানে চট্টগ্রামের সিলভার স্ক্রিনসহ দেশের ১০টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে এই সিনেমা। এতে রমিলা চৌধুরী চরিত্রে অভিনয় করে ভারতের দর্শকমহলে বেশ প্রশংসিত হন বাংলাদেশী অভিনত্রী জয়া আহসান। ‘কণ্ঠ’ মাত্র ১১ দিনেই পশ্চিমবঙ্গে আয় করে ২ কোটি রুপী। এই মন্দা বাজারে ১০০ তম দিন পূর্ণ করা ‘কণ্ঠ’ শুধু পশ্চিমবঙ্গেই নয়, মুক্তি পেয়েছে দিল্লী, মুম্বাই, পুনে, আহমেদাবাদ, বেঙ্গালুরু ও হায়দরাবাদে।
জয়া আহসান বলেন, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ’কণ্ঠ’ মুক্তি পাচ্ছে আমার দেশে। এই সিনেমায় বাংলাদেশেরই একজন হিসেবে অভিনয় করেছি। যারা ভালো সিনেমা দেখতে চান, বিশেষ করে যারা আরজে কিংবা শিল্প-সংস্কৃতি নিয়ে কাজ করেন এবং বিশেষ করে যারা জীবনের কাছে নতুন অর্থ খুঁজছেন, বেঁচে থাকার নতুন অবলম্বন খুঁজছেন, তারা প্লিজ ’কণ্ঠ’ দেখতে আসবেন।’ ‘কণ্ঠ’ ছবির মূল চরিত্র অর্জুন বাচিকশিল্পী, রেডিও জকি। হঠাৎ তার ক্যান্সার ধরা পড়ে। আর তার ক্যান্সার হয়েছে কণ্ঠে! এই কণ্ঠ শুধু তার রোজগারের পথ নয়, বিশেষ সম্পদও। যেসব শব্দ এত দিন বাক্য হয়ে সহজেই লাখ লাখ মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়েছে অর্জুন, যে আওয়াজে নিজের প্রেম-কান্না-মন খারাপ—সবই ব্যক্ত করেছে, মুহূর্তেই তা থেমে যায়। সেই ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করার মানুষটির চরিত্রে শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় নিজেই অভিনয় করেছেন। ছবিতে তিনি এফএম রেডিওর একজন আরজে। কীভাবে এই রোগের সঙ্গে লড়াই করে নিজের স্বরকে ফিরিয়ে এনেছেন, এই কথাবন্ধুর জীবনের সেই উত্থান-পতনের গল্প ‘কণ্ঠ’। তাঁর স্ত্রীর ভূমিকায় অভিনয় করেছেন পাওলি দাম। জয়া আহসান ছবিতে একজন স্পিচ থেরাপিস্ট। এই তিনজনকে নিয়েই ছবির গল্প। তবে ছবিতে আরও আছেন কনীনিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, বিপ্লব দাশগুপ্ত ও পরান বন্দ্যোপাধ্যায়। ‘কণ্ঠ’ ছবিটি নিয়ে শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় খুবই আবেগপ্রবণ। জানালেন, ১৯৯৯ সালে টেলিভিশনে কাজ করার সময় বিভূতি চক্রবর্তী নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। লোকটি কণ্ঠ ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছিলেন। তিনি ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করে জয়ী হয়েছেন। ওই লোকটির কাছ থেকে ক্যান্সারের সঙ্গে তাঁর সেই লড়াইয়ের গল্প শুনেছিলেন। তখন এই গল্প নিয়ে সিনেমা তৈরির সিদ্ধান্ত নেন। এই ছবির মধ্য দিয়ে ক্যান্সার নিয়ে সবার মধ্যে কিছু বার্তা পৌঁছে দিতে চেয়েছিলেন শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। ছবির চিত্রনাট্যও লিখলেন। কিন্তু এত বছর পর তা পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছেন। বিজ্ঞপ্তি