বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের আলোচনা সভায় বক্তারা

৬ দফা ঘোষণার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার বীজ বপন করেন

30

বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট চট্টগ্রাম জেলার সভাপতি অনুপ বিশ্বাস বলেছেন, ঐতিহাসিক ৬ দফার মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ৭ জুন প্রথম স্বাধীনতার বীজ বপন করেছিলেন। তিনি জানতেন বৈষম্য ও জাতিগত নিপীড়ন বন্ধ এবং বাঙালির শোষণ মুক্তির আমাদেরকে রাজনীতিক লড়াইয়ে নামতে হবে। এ লড়াইয়ের মুক্তির সনদ ৬ দফা। তাই ৬ দফা বাঙালি জাতির স্বাধীনতা ও অর্থনৈতিক মুক্তির ঠিকানার সন্ধান। গত শনিবার বিকেলে নগরীর ইকবাল রোডস্থ পিপি স্কয়ারে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট চট্টগ্রাম জেলা আয়োজিত ঐতিহাসিক ৭ জুন ৬ দফা দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। বক্তারা বলেন, বঙ্গবন্ধু যখন ৬ দফা ঘোষণা করেন তখন দলের অনেক শীর্ষ নেতারা তাঁর পাশে ছিলেন না। কোন কোন প্রগতিশীল ব্যক্তি ও সংগঠন ৬ দফা সি-আ-ইয়ের গন্ধ খুঁজে পান। তখন বঙ্গবন্ধুর অন্যতম ভরসা ছিলেন চট্টগ্রামের জহুর আহমদ চৌধুরী, এম.এ. আজিজ, মানিক চৌধুরী। তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষণা ও মহান মুক্তিযুদ্ধে গোপন কোন তৎপরতার অংশ নেই। নিয়মতান্ত্রিক, অগণতান্ত্রিক এবং সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা ঘোষণা ও মুক্তিযুদ্ধের সূচনা করেন।
এ নিয়ে বিতর্কের কোন অবকাশ নেই। জোটের যুগ্ম সম্পাদক মাসুদ উদ্দিন হামেদ নওয়াজ এর সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্যে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট চট্টগ্রাম জেলার সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট কেন্দ্রীয় কমিটির শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ আজাদ খান, নগর যুবলীগের সদস্য সুমন দেবনাথ, বঙ্গবন্ধু প্রজন্মলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক প্রকৌশলী আবু মোহাম্মদ মহিউদ্দিন। আরো বক্তব্য রাখেন জোটের সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ এনাম উদ্দিন, সাংস্কৃতিক সংগঠক শওকত আলী সেলিম, সুজিত চৌধুরী মিন্টু, নজরুল ইসলাম মোস্তাফিজ, সংগীত শিল্পী শংকর দে, কাজল দত্ত, চিত্রশিল্পী তানভীরুল ইসলাম নাহিদ, তবলা শিল্পী পলাশ কুমার দেব, নৃত্য শিল্পী ফজল আমিন শাওন, সংস্কৃতিকর্মী দিলীপ সেনগুপ্ত, সজীব দাশ, শ্রাবণী দে, সুপ্রিয়া দাশ, সবিতা দাশ প্রমুখ। ঐতিহাসিক ৭ জুন উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভার শুরুতে ৬ দফা আন্দোলনের সৈনিক মনু মিয়া, শফিক সহ অসংখ্য শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন করা হয়। পরে বঙ্গবন্ধুকে নিবেদিত করে শিশু-কিশোর চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের হাতে সম্মাননা ও সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়। বিজ্ঞপ্তি