২৮ প্রতিষ্ঠানে হবে

27

প্রথম পৃষ্ঠার পর
ঢাকার বাইরে তিনটি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে নমুনা পরীক্ষা হচ্ছে। খবর বিডিনিউজের
“কোভিড-১৯ পরীক্ষাটি দেশব্যাপী আমরা বেশি সংখ্যক প্রতিষ্ঠানে করতে যাচ্ছি। ৫ এপ্রিলের মধ্যে ঢাকার ভিতরে আরও তিনটি, ঢাকার বাইরে আরও ৫টি প্রতিষ্ঠানে শুরু হবে এই পরীক্ষা। “২০ এপ্রিলের মধ্যে ঢাকায় আরও চারটি, ঢাকার বাইরে ছয়টি প্রতিষ্ঠানে কোভিড-১৯ এর পরীক্ষা করা হবে। সবমিলিয়ে সারা দেশে ২৮টি প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা করা হবে।”
আইইডিসিআর ছাড়াও ঢাকা শিশু হাসপাতাল, আইপিএইচ ইনস্টিটিউট, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, উত্তরার কুয়েত মেত্রী হাসপাতালে শুরু হয়েছে করোনা ভাইরাস নির্ণয়ের পরীক্ষা।
ঢাকার বাইরে চট্টগ্রামের ফৌজদারহাটে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিকাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস, কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইইডিসিআরের ফিল্ড ল্যাবরেটরি ও ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেও শুরু হয়েছে এই পরীক্ষাটি।
গত সোমবার স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানিয়েছিলেন, নভেল করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) নমুনা পরীক্ষা করতে সারাদেশে নতুন ১৭টি ল্যাব স্থাপন করা হবে। তার একদিন বাদেই হাবিবুর রহমান এ সংখ্যাটি আরও বাড়ছে বলে জানালেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইতোমধ্যে জানিয়েছেন, দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ২০০টি নতুন আইসিইউ ইউনিট তৈরি করা হয়েছে; যার মধ্যে ভেন্টিলেটর ও ডায়ালাইসিসের সুবিধাও রয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর পিসিআর টেস্টের জন্য ইতোমধ্যে ৯২ হাজার টেস্ট কিট সংগ্রহ করেছে। বিভিন্ন পিসিআর সেন্টারে ২০ হাজার কিট বিতরণ করা হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাতে এখনও ৭২ হাজার টেস্ট কিট রয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার ব্রিফিংয়ে হাবিবুর রহমান জানান, তিন লাখ ৩৪ হাজার ২৭০টি ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম (পিপিই) বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে বিতরণ করা হয়েছে।
করোনা ভাইরাসের নানা উপসর্গ নিয়ে যারা মারা গেছেন, তাদের অনেকের পরিবারের অভিযোগ, বারবার যোগাযোগের পরও স্বাস্থ্যকর্মীরা অসুস্থ ব্যক্তির নমুনা সংগ্রহ করতে যাননি। অনেক হাসপাতাল থেকেও ফিরতে হয়েছে তাদের।
এ প্রসঙ্গে হাবিবুর রহমান বলেন, “আমরা জনগণকে আহ্বান জানাচ্ছি, জ্বর-হাঁচি-কাশি হলেই হাসপাতালে এসে ভিড় করবেন না। আপনারা আমাদের হটলাইনের ০১৯৪৪৩৩৩২২ অথবা ১০৬৫৫ এ দুটো নম্বরে কল করে জানান। কাউকে সন্দেহজনক মনে হলে স্বাস্থ্যকর্মীরা প্রয়োজনে বাড়ি গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করবে।”
দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রাইভেট চিকিৎসকদের সেবা বন্ধ করে দেওয়ার যে অভিযোগ এসেছে সে বিষয়ে তিনি বলেন, “আমাদের কাছে খবর এসেছে, অধিকাংশ প্রাইভেট চিকিৎসক সাধারণ রোগীদের সেবা দিচ্ছেন না। প্রয়োজনে আপনারা পিপিই পড়ে হলেও চিকিৎসা সেবা চালু রাখবেন।” তিনি জানান, সারা দেশে এখন ২০ হাজার ৪৯২ জনকে হোম ও প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন বিমানবন্দর, স্থলবন্দর ও সমুদ্র বন্দরে দেশের বাইরে থেকে আসা ছয় হাজার ১১৯ জনের স্ক্রিনিং করা হয়েছে।