অভিযানে জরিমানা

১৩০ টাকার স্যানিটাইজার ৪৫০ টাকা!

নিজস্ব প্রতিবেদক

2

হাজারি লেনের সিকদার মেডিকেল হলে ১৩০ টাকার হেক্সিসল (স্যা) ৪৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। করোনাভাইরাসের প্রভাব নিয়ে মানুষের উৎকণ্ঠার মধ্যে অনৈতিক ব্যবসা করার এমন প্রমাণ মেলে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে। প্রতিষ্ঠানটিকে ২৫ হাজার টাকাসহ মোট ৭টি প্রতিষ্ঠানকে ৪৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এসময় অনৈতিক ব্যবসা না করতে অনুরোধ জানিয়ে প্রয়োজনে প্রতিষ্ঠান বন্ধসহ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে মর্মে সতর্ক করা হয়।
গতকাল বুধবার অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয় নগরীর প্তাই রাস্তার মোড়, কাজীর হাট, কামাল বাজার, খাতুনগঞ্জ, হাজারি লেন, আকবরশাহ্ ও পাহাড়তলী এলাকায় তদারূলক অপলনা করে। অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন- অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক ফয়েজ উল্লাহ্, সহকারী পপাপিয়া সুলতানা লীজা এবং চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ের সহকারী পমুহাম্মদ হাসানুজ্জামান। অভিযানে নিত্যপণ্যের মূল্য তাপ্রদর্শন না করা, বেদামে হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিক্রয় ও মেয়াদ উত্তীর্ণ পণ্য রাখায় ৭টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৪৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অপলে মেয়াদ উত্তীর্ণ পণ্য ধ্বংস করা হয়।
অভিযানে কাজীরহাট এলাকার মনোয়ার স্টোরকে নিত্যপণ্যের মূল্য তাপ্রদর্শন না করে বেদামে পেঁয়াজ বিক্রয় করায় ৪ হাজার, ওয়াজিহা স্টোরকে মূল্য তানা রাখায় ২ হাজার ও মাতৃকা এন্টারপ্রাইজকে বেদামে নিত্যপণ্য বিক্রয় করায় ৫ হাজার টাকা জকরা হয়। এসময় উপস্থিত ভোক্তাসাধারণকে কোন অসাধু ব্যবসায়ী যদ অযৌক্তক মূল্যে পণ্য বিক্রয় বা বিক্রয়ের প্রস্তাব করে তবে তা ভোক্তা অরের হটলাইন নম্বর ১৬১২১ বা চট্টগ্রামের কর্মকর্তাদের মোবাইল নম্বরে জানাতে অনুরোধ করা হয়।
খাতুনগঞ্জের পেঁয়াজ, রসুন, আদা, আলুর পাইকাবাজার পদর্শন করে পণ্যসমূহের মজুদ ও সরবরাহ পরিবীক্ষণ করা হয়। উপস্থত ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ ও ব্যবসায়ীদের সাথে মতনিময় করা হয়। এসময় তারা পেঁয়াজ-রসুনসহ অন্যান্য নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাআছে বলে জানান এবং দাম আরো কমবে বলে আশা প্রকাশ করেন। এসময় মূল্যতালিকা হালনাগাদ না করায় শাহজালাল ট্রেডার্সকে ৩ হাজার টাকা জকরে সতর্ক করা হয়।
সিডিএ ১ নম্বর রোড, আকবর শাহ থানার জাকির স্টোরকে মূল্য তাপ্রদর্শন না করায় ৩ হাজার টাকা জকরা হয়।
পশ্চিম ফিরোজ শাহ কলোনী, পাহাড়তলী থানার হানিফ স্টোরকে মূল্য তাপ্রদর্শন না করা ও মেয়াদ উত্তীর্ণ পণ্য সংরক্ষণ করায় ৩ হাজার টাকা জরিমানা করে মেয়াদ উত্তীর্ণ দুধ ও কোমল পানীয় ধ্বংস করা হয়।